ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

হোম অফিসের কথা বলে সিঙ্গাপুরে, ধরা পড়ে হারালেন চাকরি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পিএম
কাল্পনিক ছবি

হোম অফিসের অনুমতি নিয়ে বাড়ির বদলে সিঙ্গাপুরে বসে কাজ করার অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এক মুদ্রা ব্যবসায়ী। কাজের ল্যাপটপের অবস্থান শনাক্ত করে তার বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি জানতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। পরে তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চার্লস গ্রাহাম নামের ওই ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ার এইচআইএফএক্সে কর্মরত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি ‘এক্সই’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর সিডনিতে নিজের বাড়ি থেকে কাজ করার কথা থাকলেও ওই দিন সিঙ্গাপুরের একটি হোটেলে তার ল্যাপটপের অবস্থান শনাক্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ২ ডিসেম্বর তাঁকে চাকরিচ্যুত করে প্রতিষ্ঠানটি। দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগেও দূর থেকে কাজ করার নীতিমালা লঙ্ঘন করেছিলেন গ্রাহাম। একবার হোম অফিসের কথা বলে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলে যান তিনি। সে সময় ব্যবস্থাপককে জানিয়েছিলেন, বাড়িতে বাথরুমের সমস্যা সমাধানে প্লাম্বারের জন্য অপেক্ষা করছেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এক বছরের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে কাজ করার অনুমতি চেয়েছিলেন গ্রাহাম। তবে তার কর্মস্থল সিডনিতে হওয়া এবং সিঙ্গাপুরে ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স না থাকায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিষ্ঠানটি।

পরে চোখে আঘাত পাওয়ার কথা জানিয়ে কয়েক সপ্তাহ বাড়ি থেকে কাজ করেন গ্রাহাম। এরপর বার্ষিক ছুটিতে যান তিনি। ছুটি শেষে কাজে ফেরার কথা থাকলেও তার অবস্থান নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। তখন ব্যবস্থাপক তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে তার ল্যাপটপের অবস্থান যাচাই করতে বলেন।

গ্রাহামের ব্যবস্থাপক এক ই-মেইলে লিখেছিলেন, আমাদের লোকটির আজ অনলাইনে থাকার কথা, ছুটির পর আজই তার প্রথম কর্মদিবস। তাই তোমার এফবিআইয়ের মতো তদন্ত করার দক্ষতা লাগবে।

তদন্তে জানা যায়, সিডনিতে বাড়ি থেকে কাজ করার কথা থাকলেও গ্রাহাম তখন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছিলেন।

নিজের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে গ্রাহাম জানান, ছুটিতে থাকাকালে তার সঙ্গী ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হন। এ কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিতে হয়েছিল তাদের।

গ্রাহামের দাবি, বিষয়টি ব্যবস্থাপককে জানানোর ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু অপঠিত ই-মেইল, ফোনকল এবং এক গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহকের অভিযোগ সামলাতে গিয়ে তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে নিজের অবস্থানের বিষয়ে আর জানানো হয়নি।

তবে এক্সই তার এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। প্রতিষ্ঠানটির মতে, গ্রাহামের দেওয়া নথিপত্রে তার সঙ্গীর ভ্রমণে অক্ষমতার বিষয়টি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি কেন নিজের অবস্থান গোপন রেখেছিলেন, তারও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

গত ৭ অক্টোবর গ্রাহামের অন্যায্যভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগের বিষয়ে রায় দেয় অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশন। কমিশন মনে করে, গ্রাহাম মিথ্যা বলেছেন এবং তাকে চাকরিচ্যুত করার যথেষ্ট কারণ ছিল প্রতিষ্ঠানের কাছে। তবে চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ বার্তায় গ্রাহামকে নিয়ে ‘কৌশল’ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছিল। পাশাপাশি তাকে বৈঠকে উপস্থিত হতে ‘কিছুটা আশা দেখানোর’ কথাও উল্লেখ ছিল। কমিশনের পর্যবেক্ষণে, এসব বার্তা থেকে মনে হতে পারে, তার বক্তব্য যথাযথভাবে বিবেচনা করার আগেই চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশনের কমিশনার ম্যাথেসন বলেন, সিঙ্গাপুরে অবস্থানের বিষয়টি গোপন রেখে গ্রাহাম বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিদেশ থেকে কাজ করতে হলে অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন এ বিষয়টি তিনি জানতেন। কমিশনার তার এ আচরণকে ইচ্ছাকৃত অসততা হিসেবে বর্ণনা করেন।

তবে চাকরিচ্যুতির প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলেও গ্রাহামকে পুনর্বহাল করা যথাযথ হবে না বলে মনে করেন কমিশনার ম্যাথেসন। তাকে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত নোটিশের পরিবর্তে চার সপ্তাহের বেতন পাওয়ার অধিকারী হন গ্রাহাম।

ঘটনাটি নিয়ে ডেইলি মেইলও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ নিয়ে পাঠকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ গ্রাহামের সমালোচনা করে বলেছেন, কর্মীদের সুযোগ দিলে কেউ কেউ তার অপব্যবহার করেন।

অন্যদিকে, কিছু পাঠকের মতে, কর্মীরা কোথা থেকে কাজ করছেন, তার চেয়ে তাদের কাজের ফলাফল মূল্যায়ন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজ দূর থেকে করা সম্ভব, সেসব ক্ষেত্রে কর্মস্থলে উপস্থিতির ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।

এক পাঠক মন্তব্য করেন, ‘কাজ ঠিকমতো হলেই হলো, সে কোথা থেকে কাজ করছে, তাতে কার কী?’

তবে কমিশনের সিদ্ধান্তে স্পষ্ট হয়েছে, কাজের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা মেনে চলা এবং কর্মস্থল সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেওয়ার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
এশিয়ার অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ ব্রুনেই দারুসসালাম। ‘শান্তির আবাস’ নামে পরিচিত দেশটির জনসংখ্যা পাঁচ লাখেরও কম। আয়তনে ছোট হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যে দেশটি বেশ সমৃদ্ধ। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশজুড়ে রয়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনভূমি। নদীর ওপর গড়ে ওঠা শতবর্ষী জনপদ থেকে শুরু করে প্রবালপ্রাচীর ও ঘন বৃষ্টিবন- সব মিলিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য রয়েছে নানা রকমের আকর্ষণ। ব্রুনেই ভ্রমণের সূচনা হতে পারে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ান থেকে। শহরের অন্যতম প্রধান স্থাপনা ওমর আলী সাইফুদ্দিন মসজিদ। সোনালি গম্বুজ ও মার্বেলের স্তম্ভে সাজানো মসজিদটি দেশটির স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। এছাড়া রয়েছে বালাই খাজানাহ ইসলাম সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহ। ইসলামি জ্ঞান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত এ সংগ্রহশালায় রয়েছে কোরআনের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, ইসলামি নিদর্শন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র চুলের নিদর্শন। রাজধানীর কাছেই ব্রুনেই নদীর ওপর গড়ে উঠেছে কাম্পং আয়ার। প্রায় ৩০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এ জলপল্লির ইতিহাস অন্তত ৬০০ বছরের পুরোনো। কাঠের খুঁটির ওপর নির্মিত বাড়িগুলো প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঠের সেতু ও হাঁটাপথে যুক্ত। নৌকায় কিংবা হেঁটে ঘুরে দেখা যায় রঙিন বাড়িঘর, স্থানীয় খাবারের দোকান ও নদীকেন্দ্রিক জনজীবন। ব্রুনেই নদীতে নৌভ্রমণের সময় দেখা মিলতে পারে বোর্নিও দ্বীপের স্থানীয় প্রাণী নাকওয়ালা বানরের। পাশাপাশি রয়েছে ম্যাকাক বানর, গুইসাপ, মাছরাঙা ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। দেশটির বাজারগুলোতেও রয়েছে স্থানীয় জীবনযাত্রার পরিচয়। ব্রুনেইয়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার আম্বুয়াত সাগু দিয়ে তৈরি আঠালো খাবার, যা বাঁশের বিশেষ চামচ দিয়ে টক ও ঝাল সসের সঙ্গে খাওয়া হয়। ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসেও দেশটির সংস্কৃতি ফুটে ওঠে। রমজান শেষে ঈদুল ফিতরে পরিবারগুলো অতিথিদের জন্য ঘরের দরজা খুলে দেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দিবসে রাজধানীতে আয়োজন করা হয় শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসব ও আনুষ্ঠানিকতায় ব্যবহৃত সোনালি-রুপালি সুতা দিয়ে বোনা ঐতিহ্যবাহী কাপড় ‘কাইন তেনুনান’ও দেশটির সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজধানী থেকে উপকূলের দিকে গেলে পাওয়া যাবে মুয়ারা ও মেরাগাংয়ের মতো সমুদ্রসৈকত। দেশটির জলসীমায় রয়েছে প্রবালপ্রাচীর, বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক প্রাণী এবং ডুব দেওয়ার জন্য প্রায় ৩০টি জাহাজডুবির স্থান। আরও পূর্বে তেমবুরং জেলায় রয়েছে উলু তেমবুরং জাতীয় উদ্যান। ঘন বৃষ্টিবনে ঘেরা এ উদ্যানের দীর্ঘ বৃক্ষশীর্ষ সেতু থেকে দেখা যায় দিগন্তজোড়া সবুজ বনভূমি। রয়েছে নদী, জলপ্রপাত, কায়াকিং ও নদীতে ভেসে চলার সুযোগ।  ব্রুনেইয়ে ৫০০টির বেশি প্রজাতির পাখি, ১৭০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ৮০ প্রজাতির উভচর প্রাণীর বসবাস। দেশটির এই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আলোকচিত্রীরাও তুলে ধরছেন তাদের কাজে।  সূত্র: সিএনএন আরটিভি/এসআর  
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
নায়ক-নায়িকা কিংবা সেলিব্রেটিদের নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। পর্দায় তাদের অভিনয়, পোশাক, সৌন্দর্য থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন-সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতূহল। কখনো সেই ভালো লাগা সীমা ছাড়িয়ে পরিণত হয় অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষায়। তবে মানুষের কল্পনা কত দূর যেতে পারে, তারই এক অদ্ভুত উদাহরণ নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ২০২৫ সালে সত্যিই বাজারে এসেছিল এমন একটি সাবান। হলিউড অভিনেত্রী সিডনি সুইনির গোসলের পানি সত্যি সত্যিই সেই সাবানে ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু কেন তৈরি হলো এই সাবান? কে এই অভিনেত্রী? আর একজন তারকার ব্যবহৃত গোসলের পানি পেতে ভক্তদের এমন আগ্রহের পেছনে কি কাজ করে কোনো মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা? সিডনি সুইনি মার্কিন অভিনেত্রী। ১৯৯৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে তার জন্ম। অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে জনপ্রিয়তা বাড়ে এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’তে ক্যাসি হাওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয়ের পর।  ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘অ্যানিওয়ান বাট ইউ’সহ বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সিডনির সৌন্দর্য ও শারীরিক গঠন নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা হয়। কখনো প্রশংসা, কখনো অশালীন মন্তব্য তারকার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে শারীরিক উপস্থিতিই যেন অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সিডনি নিজেও বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে এলো গোসলের পানি দিয়ে সাবান তৈরির ভাবনা? ঘটনার শুরু ২০২৪ সালে। পুরুষদের পরিচর্যাপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড. স্কোয়াচ-এর একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন সিডনি। বিজ্ঞাপনে তাকে বাথটাবে বসে সংস্থার বডি ওয়াশের প্রচার করতে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের উপস্থাপনা ছিল কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ও রসিকতাপূর্ণ। সেখানে সিডনিকে ‘বডি ওয়াশ জিনি’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেক ভক্ত মজা করে তার গোসলের পানি চেয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। প্রথমে বিষয়টি ছিল ইন্টারনেটের রসিকতা। কিন্তু সেই রসিকতাকেই বিপণনের সুযোগ হিসেবে দেখল সংস্থাটি।  ২০২৫ সালের মে মাসে ঘোষণা করা হয়, সিডনির গোসলের পানির সামান্য অংশ ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ সাবান। সাবানটির নাম দেওয়া হয় ‘সিডনিস বাথওয়াটার ব্লিস’।  সিডনি নিজেই জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় তিনি বাথটাবে গোসল করেছিলেন এবং সেখানকার পানি সংগ্রহ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সাবানটি শুধু প্রচারণার জন্য দেওয়া কোনো কাল্পনিক নাম ছিল না; এতে সত্যিই তার গোসলের পানির কিছু ফোঁটা ব্যবহার করা হয়েছিল। সাবানটিতে গোসলের পানির পাশাপাশি ছিল বালুকণার মতো এক্সফোলিয়েটিং উপাদান ও পাইন বার্ক এক্সট্র্যাক্ট। এর সুগন্ধে রাখা হয়েছিল পাইন, ডগলাস ফার ও মাটির সোঁদা ঘ্রাণ। সিডনির বেড়ে ওঠার অঞ্চল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতির ঘ্রাণ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সাবানটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিটির দাম ছিল ৮ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার টাকার মতো। তৈরি হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার সাবান। সীমিত সংস্করণের এই পণ্য দ্রুত আলোচনায় আসে এবং বিক্রির পরপরই শেষ হয়ে যায় বলে প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপর রিসেল মার্কেটে এই সাবান বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ টাকায়।  সূত্র: গলফ নিউজ, লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস আরটিভি/এসআর  
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)  এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
ইতিহাসের পাতায় অদ্ভুত এক শিল্পদুর্ঘটনা ‘লন্ডন বিয়ার ফ্লাড’। ১৮১৪ সালের ১৭ অক্টোবর। হঠাৎ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে লন্ডনের সেন্ট জাইলস এলাকা।
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বুধবার (৪ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে