ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় পুষ্টিকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের পুষ্টি সংকট মোকাবিলা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় (ইউএইচসি) অগ্রগতি বেগবান করতে শক্তিশালী সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে পুষ্টিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণরূপে অন্তর্ভূক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় পুষ্টি কার্যক্রম একীভূতকরণ’ শীর্ষক এক জাতীয় গোলটেবিল আলোচনায় তারা এ পরামর্শ দেন। ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ গোলটেবিল বৈঠকটি আয়োজন করে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মূলধারায় পুষ্টিকে অন্তর্ভুক্ত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন অংশীদার, জাতিসংঘ সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস.এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি বিশেষজ্ঞ সাইকা সিরাজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং ম্যাক্স ফাউন্ডেশন দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম।

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার দেশের পুষ্টি নীতিমালার প্রচেষ্টার ত্রুটিগুলো তুলে ধরে বলেন, এই ধরনের উদ্যোগগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী সরকারি মালিকানার অভাব রয়েছে এবং এগুলো মূলত দাতা-চালিত হওয়ায় টেকসই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা অপুষ্টি ও খর্বকায়তা মোকাবিলায় সাফল্য অর্জন করেছি, যদিও অগ্রগতি ধীর। আমাদের একটি শক্তিশালী, সরকার-নেতৃত্বাধীন এবং সমন্বিত পদ্ধতি প্রয়োজন।

একটি স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ার সরকারি পরিকল্পনা তুলে ধরে ড. হায়দার একটি জীবনচক্র পদ্ধতির ওপর জোর দেন, যেখানে ব্যাপক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা জন্ম থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রতিরোধমূলক সেবা পাবে।

তিনি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের পরিকল্পনার কথা ব্যাখ্যা করেন, যার প্রতিটিতে নয়জন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। তার মতে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সাফল্যের জন্য পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও খাদ্য সুরক্ষায় একটি আন্তঃখাতভিত্তিক পদ্ধতি অপরিহার্য।

অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সমাজে বিদ্যমান অণুপুষ্টির ঘাটতির সঙ্গে রোগের সম্পর্ক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৭০ শতাংশ মৃত্যুই অসংক্রামক ব্যধির কারণে হয়। তিনি বলেন, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলো এই ঘাটতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, কারণ গর্ভে পুষ্টি থেকে বঞ্চিত একটি শিশু প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় নেফ্রনের কার্যকারিতা হ্রাস এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ বয়ে বেড়ায়।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী বলেন, স্বাস্থ্য পরিষেবার কেন্দ্রে পুষ্টিকে রাখার পরিবর্তে এটিকে প্রায়শই প্রান্তিক অবস্থানে রাখা হয়।

আরও পড়ুন

ইউনুস আলীর বক্তব্যের সূত্র ধরে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক উপ-পরিচালক ডা. রওশন জাহান আক্তার আলো পুষ্টির ক্ষেত্রে ‘সোনালী ১,০০০ দিন’ অর্থাৎ গর্ভাবস্থার ২৭০ দিন এবং তার পরবর্তী দুই বছর -এর প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্বারোপের কথা বলেন।

আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ বিশ্বব্যাপী পুষ্টি ও শিশু স্বাস্থ্য বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ব্যাপক ক্লিনিক্যাল গবেষণার মাধ্যমে আইসিডিডিআর,বি খর্বাকৃতির (স্টান্টিং) কারণ হিসেবে দুর্বল পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধিকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. ইকবাল কবির পুষ্টির জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে কীভাবে কার্যকর করা যায়, সরকারি-বেসরকারি প্ল্যাটফর্মকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ভূমিকা কী—এই অমীমাংসিত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক কাওসার আফসানা বলেন, সিস্টেম-থিংকিং এবং সিস্টেমের সংযোগ অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, পুষ্টি বর্তমানে স্বাস্থ্য, ওয়াশ, প্রারম্ভিক শিশু বিকাশ, পরিবেশ কতগুলো মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে বিভক্ত হয়ে, যে কারণে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সমান গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার বাইরে থেকে যায়।
মূল প্রবন্ধে সাইকা সিরাজ বলেন, একটি শক্তিশালী নীতি কাঠামো থাকা সত্ত্বেও পুষ্টি পরিষেবাগুলো খণ্ডিত রয়ে গেছে এবং আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী সরকারি প্রোটোকলের বাইরে থাকা অনানুষ্ঠানিক ও বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারীদের কাছে যায়।

সমাপনী বক্তব্যে ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম পুষ্টি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার জন্য সরকারি খাত, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজকে একত্রিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এনপিও—খাদ্য ও নিরাপত্তা বিভাগের ফারিয়া শবনম, গেইন-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার, ইউনিসেফ-এর পুষ্টি বিশেষজ্ঞ তাহমিনা ফেরদৌস, ব্র্যাক জেপিজিএসপিএইচ-এর শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সান্থিয়া আইরিন, ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডিজাইন ও কোয়ালিটি বিভাগের প্রধান কাজল এম এম আহিদুল ইসলাম, বপিঙ্ক-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর শিহাব উজ্জামান, গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেড (সুখী)-এর চিফ টেকনোলজি অফিসার ও চিফ বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ সোলায়মান রাসেল, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এন্টারপ্রাইজেস (আইডিই)-এর প্রোগ্রাম বিষয়ক সহযোগী পরিচালক মোহাম্মদ সোয়েব ইফতেখার এবং এসএমসি-এর পক্ষে এমএমএস প্রকল্পের টিম লিডার এ এস এম শহিদুল আলমও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু
গেল অক্টোবর মাসে রেকর্ড ১৭৪ জনের মৃত্যুর পর আবারও চোখ রাঙানি দিচ্ছে ডেঙ্গু। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৭ জনে।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২৯ জন।
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৩৫০ জন শিশুর শরীরে সন্দেহজনক হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব দেশের বাজার। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দই দিয়ে তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ। সম্প্রতি রূপগঞ্জের একটি কারখানায় এই চিত্র দেখা গেছে। পুরো কারখানায় নেই কোনো ফলের অস্তিত্ব। অথচ এখানেই তৈরি হয় আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি। ক্যামেরায় ধরা পড়ে এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র।  কারখানার দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জানান, এসব উপাদান দিয়ে আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন তারা। কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। সাভারের আরেকটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়।  এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়। মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেওয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়। শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার। এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না। দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে উঠে আসে হতাশার চিত্র। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
আরও পড়ুন
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেলেন সোনাবাড়ীয়ার শতাধিক মানুষ
মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ৪৯০ কোটি ডলারের প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তার নারী
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৫০০ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে যুবদল
ফ্লোরিডার গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় ১৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলার দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন