ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

জ্যাকব অ্যান্ড কোংয়ের ঘড়িতে অনন্ত আম্বানির প্রতিকৃতি, নেপথ্যে কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি

বিলাসবহুল ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জ্যাকব অ্যান্ড কোং-এর নতুন এক সৃষ্টি এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। আর সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ঘড়ির ডায়ালে খোদাই করা এশিয়ার শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত আম্বানির একটি প্রতিকৃতি। হীরা ও নীলকান্তমণিতে ঘেরা এই ঘড়িতে কেন আম্বানি তনয়ের প্রতিবিম্ব স্থান পেল—তা নিয়ে কৌতূহল এখন তুঙ্গে। মূলত এটি কেবল একটি ঘড়ি নয় বরং অনন্ত আম্বানির স্বপ্নের প্রকল্প ‘ভান্তারা’র প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

এই ঘড়িটি তৈরির নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর আবেগ ও দায়বদ্ধতার গল্প। ৩ হাজার ৫০০ একর জুড়ে বিস্তৃত অনন্তের ব্যক্তিগত বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র ‘ভান্তারা’র মূল দর্শনকে এই ঘড়িতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রত্নখচিত এই ঘড়িটির ডায়ালের ঠিক মাঝখানে বসানো হয়েছে অনন্ত আম্বানির একটি হাতে আঁকা ক্ষুদ্র প্রতিকৃতি। তার চারপাশে পাহারাদারের মতো দাঁড়িয়ে আছে নিখুঁত কারুকার্যে তৈরি সিংহ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ভাস্কর্য। প্রায় ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় ১৩৭ কোটি রুপি মূল্যের এই ঘড়িতে ৩৯৭টি দুষ্প্রাপ্য রত্ন ব্যবহার করা হয়েছে যার কারুকাজ সম্পন্ন করতে লেগেছে শত শত ঘণ্টা। এই ঘড়িতে হীরা, সবুজ নীলকান্তমণি ও গারনেটের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মতে, ঘড়িটির কেন্দ্রে থাকা অনন্তর মূর্তিটি মূলত প্রাণীদের প্রতি তার ‘দায়িত্বশীল তত্ত্বাবধান ও মমত্ববোধের’ প্রতীক হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

যদিও বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে গত বছর অনন্ত আম্বানির প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানের সুবাদে সারা বিশ্ব এই কেন্দ্রের নাম জানতে পারে। বিল গেটস, মার্ক জাকারবার্গ থেকে শুরু করে কিম কার্দাশিয়ান ও রিহানার মতো বৈশ্বিক তারকাদের উপস্থিতিতে এই ভান্তারা হয়ে উঠেছিল আভিজাত্য ও প্রকৃতির এক মেলবন্ধন।

বিলাসবহুল এই ঘড়িটি এখন পর্যন্ত বাজারে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি এবং এর সঠিক দামও আনুষ্ঠানিকভাবে গোপন রাখা হয়েছে। তবে ঘড়ি বিশেষজ্ঞ সংস্থা ‘ওয়াচোপিয়া’র মতে, এর নির্মাণশৈলী ও রত্নের ব্যবহার একে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ঘড়ির তালিকায় স্থান করে দিয়েছে। বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে উদ্বোধন হওয়া এই ‘ভান্তারা’ এখন আম্বানি পরিবারের আভিজাত্য ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ও ঘড়ি শিল্পের এক অনন্য অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
চীনে চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিয়ের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশটিতে সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া বিয়ের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় এই বড় ধস নতুন করে জনসংখ্যা হ্রাস ও অর্থনৈতিক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চীনের বেসামরিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকাই। ইকাই জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৪৬ লাখ ৫০ হাজার যুগল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। একই সময়ে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন ২০ লাখ ৮০ হাজার যুগল। সন্তান জন্মদান ও বিয়ে বাড়াতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা কর্তৃপক্ষ একাধিক প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক ভর্তুকি, শিশু লালন-পালনে সহায়তা এবং সন্তান জন্মদান সংক্রান্ত চিকিৎসা খরচ কমানোর মতো উদ্যোগ।  এছাড়া যুব সমাজ, শিশু ও পরিবারের জীবনযাত্রা আরও সহজ করতে নগর পরিকল্পনা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং জনসেবামূলক খাতগুলোতে যুব উন্নয়ন কর্মসূচি যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সরকারি উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চীনে বর্তমানে শিশুদের চেয়ে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ফলে দেশের ওপর বয়স্কদের নির্ভরতার অনুপাত শিশুদের ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে টানা চতুর্থ বছরের মতো চীনের মোট জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার এযাবৎকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ডেমোগ্রাফার বা জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই জনসংখ্যা হ্রাসের প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও তীব্র হতে পারে। এদিকে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদে চীনের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান প্রজননক্ষম নারীর সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমবে। শতাব্দীর শেষ নাগাদ এই বয়সী নারীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি কমে ১০ কোটির নিচে নেমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
অফিসের সব নারী কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন বস
প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীদের প্রত্যেককে নতুন আইফোন উপহার দিয়ে চমকে দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হাসিনা নিশাদ। 
অফিসের সব নারী কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন বস
ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের ডাক, শনিবার একই দিনে দুটি কর্মসূচি
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মজুরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবার সংকট ঘিরে চলমান আন্দোলন নতুন করে জোরালো হচ্ছে। 
ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের ডাক, শনিবার একই দিনে দুটি কর্মসূচি
ভারতে ২৫ হাজার ইঁদুরের অদ্ভুত মন্দির, তাদের উচ্ছিষ্টই ভক্তদের পবিত্র প্রসাদ!
ভারতের মন্দির বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হিন্দু ধর্মের দেবদেবীর মূর্তি, কারুকার্যময় স্থাপত্য আর নানা ধর্মীয় আচার।
ভারতে ২৫ হাজার ইঁদুরের অদ্ভুত মন্দির, তাদের উচ্ছিষ্টই ভক্তদের পবিত্র প্রসাদ!
ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
বিনা খরচে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ দিচ্ছে সৌদি সরকার। এ জন্য অংশ নিতে হবে কুইজ প্রতিযোগিতায়। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল অ্যাপ ‘নুসুক -এর মাধ্যমে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে।  পহেলা নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এতে প্রতিদিন লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত বিজয়ীরা পাবেন সম্পূর্ণ বিনা খরচে ওমরাহ প্যাকেজ।  যার মধ্যে রয়েছে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, ভিসা এবং মক্কা ও মদিনায় ১০ রাতের অবস্থান। বিজয়ী চাইলে আরো একজনকে সাথে নিতে পারবেন। নুসুক অ্যাপের কুইজ প্রতিযোগিতায় যেভাবে অংশ নেবেন বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সি মুসলিম ব্যবহারকারীরা এই লটারিতে অংশ নিতে পারবেন। সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে আবেদন করা যায়: অ্যাপ ডাউনলোড: প্রথমে স্মার্টফোনে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল Nusuk অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন : অ্যাপে প্রবেশ করে নিজের নাম, ই-মেইল, দেশের নাম এবং বৈধ পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে সাইন-আপ করতে হবে। এরপর ই-মেইলে আসা ওটিপি (OTP) কোড দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভ্যারিফাই করতে হবে। চ্যালেঞ্জ সেকশনে প্রবেশ: অ্যাপের মেনু থেকে ‘Game Center’ বা ‘Nusuk Challenge’ অপশনে যেতে হবে। দৈনিক কুইজের উত্তর: সেখানে পবিত্র কোরআন, নবীজির সিরাত, ওমরাহর নিয়মকানুন বা ইসলামিক ইতিহাসের ওপর বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে প্রশ্ন করা হয়। একটি বিষয় বেছে নিয়ে ডিজিটাল চাবি সংগ্রহ করতে হবে এবং এমসিকিউ (MCQ) প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। সঠিক উত্তর দিলেই নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৈনিক লটারির (Raffle Draw) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। জেতার সম্ভাবনা বৃদ্ধি : নিজের ইনভাইট কোড ব্যবহার করে বন্ধু বা পরিবারকে অ্যাপে আমন্ত্রণ জানালে অতিরিক্ত চাবি পাওয়া যায়, যা লটারিতে জেতার সুযোগ আরও বাড়িয়ে দেয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য অবশ্যই নুসুক-এর অফিশিয়াল অ্যাপ বা ভেরিফাইড মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিদিন আরও ১০ জন পাবেন জমজমের পানির বিশেষ কার্ড। আরটিভি/এসআর  
ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
এবার যে কারণে আইসক্রিম ব্যবসায় নামলেন অনন্ত আম্বানি