ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাসায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে হোটেলের এসি কামরা ভাড়া নিলেন নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর বেঙ্গালুরুতে তাপমাত্রা যখন ক্রমাগত বাড়ছে, ঠিক তখনই এক নারী গরম থেকে বাঁচতে খুবই সহজ কিন্তু অস্বাভাবিক এই উপায় অবলম্বন করেছেন। তিনি স্থানীয় একটি হোটেলে গিয়ে এসি কামরা ভাড়া করেছেন। গরম মোকাবিলায় তার এই চেষ্টা অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওর নিচে লোকজনের ব্যাপক আলোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে—এই উদ্যোগ আসলে দেখিয়ে দিচ্ছে, পর্যাপ্ত শীতলীকরণ ব্যবস্থার অভাবে শহরের অনেক বাসিন্দা কী ধরনের অস্বস্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা প্রিয়া পাল ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দেখান, কীভাবে তিনি শুধু দিনের বেলায় এয়ার কন্ডিশনের (এসি) সুবিধা নেওয়ার জন্য কাছাকাছি একটি হোটেলে চেক ইন করেছেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, তিনি ঘরের ভেতরে আরাম করে সময় কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুন

ভিডিওতে একটি টেক্সটও দেখানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, বেঙ্গালুরুতে তাদের বাড়ির পাশেই এই উদ্দেশ্যে একটি হোটেল বুক করা হয়েছে। এই বার্তাটি আসলে বোঝাচ্ছিল, ঘরের ভেতর গরম সামলানো দিন দিন কতটা কঠিন হয়ে উঠছে। কমেন্ট সেকশনে প্রিয়া তার এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।

প্রিয়া বলেন, শুরুতে তারা ভেবেছিলেন বৃষ্টি হবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আসেনি। এরপর তারা কুলার বা এয়ার কন্ডিশনার কেনার চেষ্টা করেন, কিন্তু দেখেন সবই আউট অব স্টক। আর যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো ডেলিভারি হতে সাত দিন সময় লাগবে। তিনি জানান, তাদের এলাকায় চাহিদা এত বেশি যে কুলিং ডিভাইস ভাড়াও পাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।

শেষ পর্যন্ত তারা অনলাইনে একটি কুলার বুক করেন। তবে সেটি হাতে পেতে সময় লাগবে বলে, এর মধ্যে রোববার দিনটি হোটেলে কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। বাইরে গিয়ে খাওয়ার বদলে তারা হোটেলেই থেকে যান, নেটফ্লিক্সে সিনেমা দেখেন এবং আরাম করেন। তার ভাষায়, সিদ্ধান্তটি বেশ ভালোই ছিল।

প্রিয়া তার ভিডিওর ক্যাপশনে লেখেন, এয়ার কন্ডিশনার ছাড়া আর পারছেন না। এতে প্রচণ্ড গরম এবং বিকল্পের অভাবে তার হতাশা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। ভিডিওটি খুব দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেক ব্যবহারকারী তার পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞতার মিল খুঁজে পান। আবার অনেকে তাঁর এই সমাধানকে মজার বা ব্যতিক্রমী বলে মনে করেন।

এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, এসি কেনা বা ভাড়া নেওয়াই অনেক ভালো হতো। আরেকজন লেখেন, ‘জীবনে আমারও এত টাকা থাকলে ভালো হতো।

তৃতীয় একজন বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে আমিও এমনটা করার কথা ভাবি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৪ কিলোমিটার উচ্চতায় অগ্নুৎপাতের ছাইয়ের কুণ্ডলী, ইতালিতে রেড অ্যালার্ট
ইতালির সিসিলি দ্বীপে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইউরোপের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট এতনা। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্রায় ৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত উঠে যায় ছাই ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী। এর প্রভাবে সিসিলির কাতানিয়া বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলকানোলজি (আইএনজিভি) জানায়, মাউন্ট এতনা থেকে নির্গত আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে বিমান চলাচলে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আকাশসীমার সি-১ সেক্টর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিস্থিতির কারণে কাতানিয়া বিমানবন্দরে আগমনকারী ফ্লাইট স্থগিত করা হয়। এর আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতি ঘণ্টায় ১২টির পরিবর্তে সর্বোচ্চ চারটি ফ্লাইটকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল। ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্থগিত হওয়ার আগে বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। আইটিএ এয়ারওয়েজের অন্তত ১০টি ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্লাইট পালের্মো, তিনটি ত্রাপানি এবং দুটি কোমিসোর দিকে পাঠানো হয়। এ ছাড়া ভোলোতিয়া এয়ারের একটি ফ্লাইটও কোমিসো বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে বিমান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাউন্ট এতনা ইউরোপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি এবং সিসিলির পূর্বাঞ্চলে এর অবস্থান। আরটিভি/এসকে
৪ কিলোমিটার উচ্চতায় অগ্নুৎপাতের ছাইয়ের কুণ্ডলী, ইতালিতে রেড অ্যালার্ট
ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নিউইয়র্ক-নিউজার্সিতে জরুরি অবস্থা জারি 
উত্তর-আটলান্টিক সাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী নিম্নচাপ থেকে উদ্ভূত তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘নর’ইস্টার’-এর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় এলাকা।
ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নিউইয়র্ক-নিউজার্সিতে জরুরি অবস্থা জারি 
কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
কানাডার কুইবেক প্রদেশে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে চারজন নিহত হয়েছেন।
কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প, ফের অভিযানের পরিকল্পনা 
ইরানের প্রস্তাবিত সাত দিনের যুদ্ধবিরতি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার রোডম্যাপ পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প, ফের অভিযানের পরিকল্পনা 
জাপানে ঘরজামাই হয়ে থাকার সুযোগ, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে দীর্ঘদিনের একটি সামাজিক ও আইনি প্রথা আছে, যেখানে মেয়ের স্বামীকেই দত্তক নিয়ে পরিবারের ছেলে ও উত্তরসূরি বানানো হয়। এই প্রথার নাম ‘মুকোয়োশি’—সহজ বাংলায় বলা যায়, ‘দত্তক ঘরজামাই’। বিশ্বের অনেক দেশে দত্তক নেওয়ার সঙ্গে শিশুকে নতুন পরিবারে বড় করে তোলার ধারণাই বেশি পরিচিত। জাপানের ক্ষেত্রে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকেও দত্তক নেওয়ার রীতি বেশ প্রচলিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মোট দত্তকের ৯০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে নিয়ে। সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের এভাবে পরিবারে নেওয়া হয়। তবে এর পেছনে শুধু পারিবারিক আবেগ নয়, অনেক সময় থাকে ভবিষ্যতের হিসাব-নিকাশও। জাপানে বহু পুরোনো ব্যবসা এখনও পারিবারিক মালিকানায় পরিচালিত হয়। কোনো পরিবারে ছেলে না থাকলে কিংবা পরিবারের নিজের ছেলেকে ব্যবসার উত্তরসূরি হিসেবে উপযুক্ত মনে না হলে তারা একজন যোগ্য পুরুষকে দত্তক নিতে পারে। আর সেই ব্যক্তি যদি মেয়ের স্বামী হন, তাহলে বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যায়। বিয়ের পর তাকে দত্তক নেওয়া হলে তিনি শ্বশুরবাড়ির পদবি গ্রহণ করেন। ধীরে ধীরে পরিবারের ব্যবসা, সম্পদ এবং উত্তরাধিকারও তার হাতে চলে আসতে পারে। অর্থাৎ, সম্পর্কটা শুধু ‘জামাই’তে থেমে থাকে না। তিনি হয়ে ওঠেন পরিবারেরই একজন—অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী কর্তা। ‘মুকোয়োশি’র পেছনে সবচেয়ে বড় বিষয়গুলোর একটি হলো ধারাবাহিকতা। পরিবারের পদবি যেন হারিয়ে না যায়, ব্যবসার নেতৃত্ব যেন পরিবারের বাইরে চলে না যায় এবং বহু বছরের প্রতিষ্ঠান যেন পরবর্তী প্রজন্মেও টিকে থাকে—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে ধরে রাখার পথ হিসেবেই প্রথাটি ব্যবহৃত হয়েছে। জাপানি সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে বিয়ের পর স্ত্রী স্বামীর পদবি গ্রহণ করেন। ফলে কোনো পরিবারে ছেলে না থাকলে পরিবারের পদবি টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। মেয়ের স্বামীকে দত্তক নিয়ে তাকে পরিবারের পদবি দেওয়ার মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়। এভাবেই একজন জামাই একই সঙ্গে হয়ে ওঠেন পরিবারের ছেলে, ব্যবসার উত্তরসূরি এবং বংশের নাম বহনকারী। জাপানের বড় ব্যবসার ইতিহাসেও ‘মুকোয়োশি’র ছাপ রয়েছে। সুজুকি মোটর করপোরেশনের নেতৃত্বে একাধিকবার দত্তক পুত্রের আগমন ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের প্রধান ওসামু সুজুকিও ছিলেন এই প্রথায় পরিবারে আসা একজন দত্তক ঘরজামাই। নিনটেনডো, কিক্কোমান ও টয়োটার মতো জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সম্পর্ক দেখা গেছে। ফলে জাপানের কিছু বিখ্যাত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘস্থায়ী পারিবারিক ধারাবাহিকতার পেছনেও রয়েছে এই অদ্ভুত অথচ কার্যকর সামাজিক রীতি। ‘মুকোয়োশি’র ব্যবহার ব্যবসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উত্তরাধিকার পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে দত্তক নেওয়ার ঘটনা রয়েছে। বিশেষ করে নিঃসন্তান দম্পতিরা ভবিষ্যতে সম্পদ কার হাতে যাবে, সেটি নিশ্চিত করতে এই পথ বেছে নিতে পারেন। দত্তক প্রক্রিয়াটি জাপানের সরকারি পারিবারিক নথি ‘কোসেকি’-তে নিবন্ধিত হয়। দত্তক সম্পন্ন হওয়ার পর ওই ব্যক্তি নতুন পরিবারের পদবি গ্রহণ করেন এবং জন্মসন্তানের মতোই উত্তরাধিকার ও পারিবারিক দায়িত্ব পান। তবে এর সঙ্গে দায়িত্বও আসে। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের দেখাশোনার দায়িত্বও দত্তক নেওয়া সন্তানের ওপর বর্তাতে পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে, এই ব্যবস্থায় কি বিদেশিদেরও জায়গা আছে? প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতি থাকা বিদেশিরাও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দত্তক হতে পারেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালতের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি শর্ত পূরণ করলে জাপানি পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক দত্তক সন্তান হতে পারেন। তবে দত্তক হলেই জাপানের নাগরিকত্ব বা ভিসা পাওয়া যায় না। সেগুলোর জন্য আলাদা আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। জন্মহার কমছে, গুরুত্ব বাড়ছে উত্তরাধিকারীর আধুনিক জাপানে জন্মহার কমে যাওয়ার সঙ্গে এই প্রথার গুরুত্বের একটি নতুন মাত্রাও তৈরি হয়েছে। অনেক পারিবারিক ব্যবসার মালিকের সন্তান থাকলেও ছেলে নেই। আবার নিজের সন্তান ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী বা উপযুক্ত না-ও হতে পারেন। তখন পরিবারের সামনে প্রশ্ন আসে—শত বছরের ব্যবসা কে চালাবে? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কোনো কোনো পরিবার পুত্রসন্তান জন্মের অপেক্ষায় না থেকে একজন উপযুক্ত ‘জামাই’কেই বেছে নেয়। এমনকি উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে দেওয়ার জন্য জাপানে বিশেষ ম্যাচমেকিং সেবারও অস্তিত্ব রয়েছে। এ নিয়ে জাপানে একটি প্রচলিত কথাও আছে—‘ছেলে তুমি বেছে নিতে পারো না, কিন্তু জামাই বেছে নিতে পারো।’ তবে সময়ের সঙ্গে ‘মুকোয়োশি’ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আধুনিক জাপানে নারীরা ব্যবসা, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফলে শুধু পুরুষ উত্তরাধিকারী খোঁজার পুরোনো ধারণা কতটা প্রয়োজনীয়, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তারপরও প্রথাটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। কারও কাছে এটি একজন জামাইকে পরিবারের ছেলে করে নেওয়ার গল্প। কারও কাছে এটি শত বছরের ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখার কৌশল। আবার কারও কাছে পরিবারের পদবি, সম্পদ ও উত্তরাধিকার পরবর্তী প্রজন্মের হাতে পৌঁছে দেওয়ার একটি ঐতিহাসিক ব্যবস্থা। জাপানের ‘মুকোয়োশি’ তাই শুধু দত্তক নেওয়ার গল্প নয়। এর ভেতরে আছে বিয়ে, পরিবার, ব্যবসা, উত্তরাধিকার এবং বদলে যাওয়া সমাজের এক অদ্ভুত সহাবস্থানের গল্প। আরটিভি/এসএস
জাপানে ঘরজামাই হয়ে থাকার সুযোগ, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও
আরও পড়ুন
বাবুর সঙ্গে আবাসিক হোটেল উঠেই নানা আবদার শুরু ফাতেমার, অতঃপর...
রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে, সকালে সামনে এলো ‘চরম সত্য’ 
শ্যালিকার সঙ্গে গোপন সম্পর্ক, ‘পথের কাঁটা’ স্ত্রীকে সরাতে আবাসিক হোটেলে জহিরুল
আবাসিক হোটেলে হঠাৎ অভিযান, অতঃপর...