ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হরমুজ পার হতে ইরানের নতুন নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিতে অপেক্ষমাণ জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন এক নিয়ম চালু করেছে ইরান। এখন থেকে যে কোনো নৌযানকে প্রণালিটি পাড়ি দিতে তেহরানের কাছ থেকে আগে অনুমতি নিতে হবে এবং দিতে হবে টোল জানিয়েছে নৌচলাচল বিষয়ক জার্নাল লয়েড’স লিস্ট।

মধ্য প্রাচ্যে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ওয়াশিংটন যখন কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খুলতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, তখনই ইরান এ পদক্ষেপ নিল, লয়েড’স লিস্টের খবরের বরাত দিয়ে বলেছে এনডিটিভি।

নৌচলাচল খাতের জার্নাল লয়েড’স লিস্ট বলছে, “পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (পিজিএসএ) এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে চাওয়া জাহাজগুলোকে আগে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি নেওয়া ও টোল দেওয়ার নতুন নিয়মকানুন চালু করেছে।”

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নৌযানগুলোকে আগে তাদের মালিকানা, বীমা, ক্রু, মালামালা, কোন বন্দর থেকে রওনা দিয়েছে, গন্তব্য কোথায়সহ ৪০টির বেশি প্রশ্নসমৃদ্ধ ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। এরপরই মিলবে অনুমতি।

তবে কীভাবে, কত করে টোল নেওয়া হবে সে বিষয়ে লয়েড’স কিছু জানায়নি।

ইংরেজি ভাষায় সম্প্রচার চালানো ইরানের প্রেস টিভি বলেছে, তেহরান ‘হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব চর্চার প্রক্রিয়া’ ঠিক করেছে এবং [email protected] ইমেইল থেকে নতুন নিয়মকানুন জাহাজগুলোকে পাঠানো হয়েছে।

পিজিএসএ সতর্ক করে বলেছে, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার দায় আবেদনকারীকেই বহন করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো দেশকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে ইরান এখনও কিছু বলেনি।

আরও পড়ুন

তবে শনিবার ইরানি সেনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকরামানিয়া সংবাদ সংস্থা ইরনাকে বলেছেন, “আমরা হরমুজ প্রণালিতে একটি নতুন আইনি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছি। এখন থেকে কোনো নৌযান প্রণালিটি পাড়ি দিতে চাইলে অবশ্যই আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। তবে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাদের প্রণালিটি পাড়ি দেওয়া বেশ কষ্টকর হবে।

তিনি আরও বলেন, এটি ইরানের জন্য ‘অর্থনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও রাজনৈতিক লাভ’ নিয়ে আসবে।

একইদিন এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, বাহরাইনের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোসহ সব দেশের সরকারকে আমরা সতর্ক করছি, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত প্রস্তাবের পক্ষ নিলে তা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনবে। হরমুজ প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন, চিরতরে নিজেদের জন্য তা বন্ধ করার ঝুঁকি নিও না।

ইরান এর আগে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট নৌযানগুলোকে হরমুজ পাড়ি দিতে দেবে না।

আরটিভি/কেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এখনও আন্তর্জাতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ
আট দশকেরও বেশি সময় পরও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্বের ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। যুদ্ধ ও শান্তি, উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবাধিকারসহ সমকালীন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের ক্ষেত্রে এ পরিষদের গুরুত্ব এখনো অটুট রয়েছে। নিউইয়র্কভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি বিষয়ক পরিচালক রিচার্ড গোয়ান জাতিসংঘের কার্যক্রম, এর সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন সামনে রেখে তিনি ইউএন নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চ হিসেবে সাধারণ পরিষদের গুরুত্ব এবং পরিবর্তনশীল ও বিভক্ত বিশ্বে এর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। নিউইয়র্ক থেকে ইউএননিউজ জানায়, ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় সাধারণ পরিষদের ভূমিকা সম্পর্কে গোয়ান বলেন, প্রতিষ্ঠাতারা ধরে নিয়েছিলেন যে নিরাপত্তা পরিষদই অধিকাংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু হবে।  তবে জাতিসংঘের কার্যক্রম শুরুর পর নিরাপত্তা পরিষদের বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে দ্রুত বিভাজন দেখা দেয়। ফলে অনেক রাজনৈতিক আলোচনা সাধারণ পরিষদে স্থানান্তরিত হয়। তিনি বলেন, ১৯৪০-এর দশক ও ১৯৫০-এর দশকের শুরুর দিকে ফিলিস্তিন প্রশ্ন ও কোরিয়া পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাধারণ পরিষদ মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। শীতল যুদ্ধের উত্তেজনায় নিরাপত্তা পরিষদ প্রায়ই অচলাবস্থায় পড়ত। গোয়ান বলেন, শীতল যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অচলাবস্থা দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই সমর্থনের জন্য সাধারণ পরিষদের দ্বারস্থ হতো। কোরীয় যুদ্ধ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা অসম্ভব হয়ে পড়লে কোরিয়া পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে সাধারণ পরিষদই আলোচনা পরিচালনা করে। ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকট ও হাঙ্গেরিতে সোভিয়েত আক্রমণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময় সাধারণ পরিষদ সুয়েজ সংকটের অবসানে সহায়তার জন্য জাতিসংঘের প্রথম সামরিক শান্তিরক্ষা অভিযান পরিচালনার অনুমোদন দেয়। শীতল যুদ্ধের সময় সংকট ব্যবস্থাপনায় এটি ছিল সাধারণ পরিষদের অন্যতম বড় অবদান। ১৯৬০-এর দশকে সদ্য স্বাধীন দেশগুলোর জাতিসংঘে যোগদানের ফলে সাধারণ পরিষদের সদস্যসংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। গোয়ান বলেন, প্রতিষ্ঠাতারা হয়তো ধারণা করেছিলেন যে সাধারণ পরিষদের সদস্যরাষ্ট্রের সংখ্যা সর্বোচ্চ ৮০ বা ৯০টি হতে পারে। কিন্তু নতুন স্বাধীন দেশগুলো সাধারণ পরিষদকে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে। তিনি বলেন, ১৯৬০-এর দশকে সাধারণ পরিষদ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী অ্যাপারথাইড ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে ১৯৭০-এর দশকে অ্যাপারথাইডপন্থী দক্ষিণ আফ্রিকার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর একটি শক্তি হিসেবে আবির্ভাবের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে গোয়ান বলেন, এসব দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাপারথাইড, আফ্রিকায় পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনের অব্যাহত উপস্থিতি এবং ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে সাধারণ পরিষদকে ব্যবহার করে। একই সঙ্গে তারা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়েও সরব হয়। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদ উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য আরও ন্যায়সংগত একটি নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর ফলে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকজুড়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়ে কঠিন কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় সাধারণ পরিষদ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হওয়া দেশগুলোর জন্য বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার প্রধান প্ল্যাটফর্ম ছিল উল্লেখ করে গোয়ান বলেন, অ্যাপারথাইডবিরোধী আন্দোলন বৈশ্বিক রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে অ্যাপারথাইডের পতনে অবদান রাখে। তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদ না থাকলে জাতিসংঘের বিপুলসংখ্যক সদস্যরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ পেত না। যদিও বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য আরও ন্যায়সংগত কোনো নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি, তবু সাধারণ পরিষদ বহু দেশকে বিশ্বপরিসরে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে। শীতল যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে গোয়ান বলেন, ওই সময়ে কূটনীতিকরা তাঁদের আদর্শগত মতপার্থক্য কিছুটা পাশে রেখে জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আরও গঠনমূলক আলোচনা করতে সক্ষম হন। এ সময় যোগাযোগ ও সহযোগিতার নতুন পরিবেশ তৈরি হয় এবং জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের মতো নতুন উদ্যোগ গড়ে ওঠে। কমিশনটি ২০০৫ সালে অনুমোদিত হয়। ২০০৮ ও ২০০৯ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতিসংঘের অনেক সদস্যরাষ্ট্র মনে করেছিল, সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের ভূমিকা থাকা উচিত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য প্রধান অর্থনীতি জি-২০-এর মাধ্যমে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে সমালোচনা দেখা দেয়। তবে গোয়ান বলেন, ওই সময় পরিবেশ ও পৃথিবী রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা আরও জোরালো হয়। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় এর প্রতিষ্ঠাতারা যে ধারণা পোষণ করেছিলেন, সাধারণ পরিষদের বর্তমান ভূমিকা তার চেয়ে ভিন্ন উল্লেখ করে গোয়ান বলেন, প্রতিষ্ঠাতারা মনে করেছিলেন, জাতিসংঘের ব্যবস্থা পুরোনো সাম্রাজ্যবাদী কাঠামো টিকিয়ে রাখবে। কিন্তু বাস্তবে জাতিসংঘ, বিশেষ করে সাধারণ পরিষদ, দেশগুলোকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে বেরিয়ে এসে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান প্রতিষ্ঠা, বৈশ্বিক রাজনীতি নিয়ে কথা বলা এবং ক্ষমতার কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সুযোগ করে দেয়। তিনি বলেন, ঔপনিবেশিকতামুক্তির ইতিহাসে সাধারণ পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় উপস্থিত উইনস্টন চার্চিলের মতো কেউ যদি জানতে পারতেন যে সাধারণ পরিষদ এ ধরনের ভূমিকা পালন করবে, তাহলে তিনি বিস্মিত হতেন। আজকের বিশ্বে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে গোয়ান বলেন, বিশ্বে জি-৭, ব্রিকসসহ অনেক কূটনৈতিক জোট ও ফোরাম থাকলেও বহু ছোট দেশ ও মধ্যম শক্তির দেশের জন্য সাধারণ পরিষদ এখনো প্রধান মঞ্চ। বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য এটিই তাদের প্রধান প্ল্যাটফর্ম। তিনি বলেন, জাতিসংঘের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে—এমন কথা প্রায়ই শোনা গেলেও প্রতি সেপ্টেম্বরেই সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার জন্য রেকর্ডসংখ্যক বিশ্বনেতা সমবেত হন। গোয়ান বলেন, ‘এটি এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। বিশ্ব যখন কোনো জরুরি সংকটে প্রতিক্রিয়া জানাতে চায়, তখন সাধারণ পরিষদেই আসে। এর কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি আরও বলেন, সাধারণ পরিষদকে অন্য কোনো শহরে স্থানান্তর করা সম্ভব হলেও বিশ্বের বহু নেতার কাছে নিউইয়র্কে এ সংস্থার সদর দপ্তর থাকার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, এখানে তারা বৈশ্বিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রস্থলে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ পান। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এখনও আন্তর্জাতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ
দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসায় আবারও বড় পরিবর্তন ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের শর্ত আরও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসায় আবারও বড় পরিবর্তন ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ হাতে পেল চীন!
অস্ট্রেলিয়া থেকে স্টিলথ প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশের একটি চালান যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বদলে চীনের হাতে গেছে। এই ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।  শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ তথ্য জানায়। পলিটিকোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীনের কাছে যাওয়া ওই চালানে যুদ্ধবিমানের একটি ক্যানোপি বা স্বচ্ছ ছাদ রয়েছে, যা এটির স্টিলথ সিস্টেমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ক্যানোপি শুধু একটি সাধারণ ছাদ নয়, এটি ককপিটের ওপর বসানো একটি গম্ভুজ সদৃশ আবরণ। মূলত এই ক্যানোপির ওপরেই রাডার ফাঁকি দেওয়ার স্বচ্ছ পদার্থ ব্যবহার করা হয়। রাডারে এফ-৩৫ ধরা না পড়ার অন্যতম কারণ হলো এটির ক্যানোপি। তবে স্বচ্ছ পদার্থটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খারাপ হয়ে যেতে পারে বলে এগুলো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। জানা গেছে, চীনের কাছে চলে যাওয়া ক্যানোপিটি মধ্যস্থতাভোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া থেকে চালানটি যুক্তরাষ্ট্রে আনা হচ্ছিল। কিন্তু সেটি যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে গেছে চীনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল হংকংয়ে। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, বর্তমানে এগুলো কোথায় ও কার কাছে আছে তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু তারাই আশঙ্কা করছে চীন এগুলো পেয়েছে। এ ঘটনার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত শুরু হয় গত জুনে। যা এখনো চলছে। যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ও মিত্রদের জন্য এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা নিখোঁজ যন্ত্রাংশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এরসঙ্গে এটির তদন্ত ও ভবিষ্যতে যেন এ ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিতে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ হাতে পেল চীন!
‘সেলফ ড্রাইভিং’ চালু করে চলন্ত টেসলায় চালকের ঘুম, এরপর যা করল পুলিশ
চালকের আসনে বসে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় প্রায় ঘণ্টায় ৬০ মাইল গতিতে চলছিল একটি টেসলা গাড়ি। গাড়িটিতে টেসলার স্বয়ংক্রিয় চালনা সহায়তা (সেলফ ড্রাইভিং) ব্যবস্থা চালু ছিল।
‘সেলফ ড্রাইভিং’ চালু করে চলন্ত টেসলায় চালকের ঘুম, এরপর যা করল পুলিশ
ভয়াবহ বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশসহ ৮ দেশ, গবেষকদের সতর্কবার্তা
বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় উঠে এসেছে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীন, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের নাম। 
ভয়াবহ বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশসহ ৮ দেশ, গবেষকদের সতর্কবার্তা
আরও পড়ুন
ইরানের প্রেসিডেন্ট-পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ জ্যেষ্ঠ কয়েক কর্মকর্তা পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করার হুমকি পাকিস্তানের
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বহু বিমান ধ্বংস
হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ঢুকলেই হামলার হুঁশিয়ারি