ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলছে, দাবি রুবিওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ এএম
মার্কো রুবিও : ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তেহরান এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলতে রাজি হতে পারে, যা আগে তারা আলোচনা করতে অস্বীকার করেছিল বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা আগে আলোচনার টেবিলে আসেনি।

মঙ্গলবার (২ জুন) মার্কিন কংগ্রেসে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগে ইরান ধীরে ধীরে তাদের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনো অনেক বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, তবে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

আরও পড়ুন



রুবিও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীপুনরায় খুলে দেওয়া। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল–ইরান সংঘাতের পর এই জলপথটি উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটনের মতে, এই পথ খোলা না থাকলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

রুবিও বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রথম শর্ত হলো তারা হরমুজ প্রণালি খুলবে। তেহরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়েও নির্দিষ্ট আলোচনায় যেতে হবে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু—দুই দিকেই স্পষ্ট অগ্রগতি ছাড়া কোনো চুক্তি সম্ভব নয়।

গত সোমবার (১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে শান্তি আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান। লেবানন ও গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে দেশটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানের চুক্তি নিয়ে দূরত্ব বাড়তে থাকায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান সব ধরনের আলোচনা ও বার্তা আদান-প্রদান স্থগিত করেছে তেহরান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবাননে জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর (ইসরাইল) ক্রমাগত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আলোচনা স্থগিতের অন্যতম কারণ। দেশটিতে হামলা বন্ধের বিষয়টি যুদ্ধবিরতির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। কিন্তু সেটিও বারবার লঙ্ঘন হয়েছে। এসব বিবেচনায় ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সব ধরনের সংলাপ, খসড়া চুক্তির জন্য বার্তা আদান-প্রদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তাসনিম আরও জানায়, গাজা ও লেবাননে ইসরাইলি অভিযান বন্ধ এবং লেবাননের ভূখণ্ডের কিছু অংশ থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারসহ তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি আলোচকরা ‘মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা ও বার্তা আদান-প্রদান’ স্থগিত রাখবে।

আরও পড়ুন



ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের চূড়ান্ত অবস্থান জানায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি।

সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অবহিত সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান এখনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে পাঠানো হয়নি।

সূত্রটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র অতীতে বহুবার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে ইরানের ধারণা। এ কারণে আলোচনায় তেহরান সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এখনো আলোচনার ওপর প্রভাব ফেলছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি থেকে ‘বাস্তব ও দৃশ্যমান সুবিধা’ নিশ্চিত করতে চায় ইরান। ফলে যুদ্ধবিরতির কাঠামো চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা চললেও আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

যুদ্ধের অবসানে একটি চুক্তি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে ইরানের কাছে একটি সংশোধিত খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এতে আগের তুলনায় আরও কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরানের কেশম দ্বীপে ফের হামলা, আলোচনায় অগ্রগতির দাবি ট্রাম্পের
ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার কথা নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের কেশম দ্বীপে ফের হামলা, আলোচনায় অগ্রগতির দাবি ট্রাম্পের
পশ্চিমাদের ছাড়িয়ে সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় চীনের আধিপত্য
চীনের সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় দ্রুত অগ্রগতি ঘটছে। বিশেষায়িত অ্যাটাক হেলিকপ্টার, আধুনিক পরিবহন হেলিকপ্টার এবং সাবমেরিনবিধ্বংসী ও উভচর অভিযানের উপযোগী নৌ-হেলিকপ্টার তৈরিতে দেশটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ফলে সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তিতে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ক্রমেই শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বেইজিং। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক হেলিকপ্টার কর্মসূচি অন্যান্য সামরিক প্রকল্পের তুলনায় কম আলোচিত হলেও, এ খাতে দেশটির অগ্রগতি প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জটিল সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিফলন। চীনের আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বহরের অন্যতম প্রধান শক্তি জেড-১০। ২০০৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১০ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। দুই আসনবিশিষ্ট এই হেলিকপ্টার থেকে ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ছোড়া যায়। এতে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রো-অপটিক্যাল লক্ষ্য নির্ধারণ ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষামূলক পাল্টাব্যবস্থা। পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যুক্ত হয়েছে উন্নত বর্ম, সতর্কতামূলক সেন্সর ও দীর্ঘপাল্লার গাইডেড অস্ত্র। রপ্তানির জন্য তৈরি জেড-১০এমই সংস্করণে মূল রোটরের ওপরে মিলিমিটার-ওয়েভ রাডার সংযোজন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেড-১০-এর পাশাপাশি জেড-১৯ হেলিকপ্টারও অনুসন্ধান ও আক্রমণ অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে। চীনের হেলিকপ্টার সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বড় আকারের জেড-২১। ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসা এই হেলিকপ্টারকে দেশটির প্রথম ভারী অ্যাটাক হেলিকপ্টার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জেড-১০-এর তুলনায় এতে উন্নত সুরক্ষাব্যবস্থা, বিস্তৃত সেন্সর এবং বেশি অস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। রাশিয়ার এমআই-২৮ ও কেএ-৫২ এবং যুক্তরাষ্ট্রের এএইচ-৬৪-এর মতো হেলিকপ্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এদিকে, চীনের হেলিকপ্টার আধুনিকায়ন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ জেড-২০ সিরিজ। ২০১৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১৯ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দুটি ডব্লিউজেড-১০ টার্বোশ্যাফট ইঞ্জিনচালিত এই হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ সরঞ্জামসহ সর্বোচ্চ ১৩ জন সদস্য পরিবহন করতে পারে। আধুনিক অ্যাভিওনিকস, উন্নত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও বহুমুখী ব্যবহারের সক্ষমতার কারণে জেড-২০-এর একাধিক বিশেষ সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে জেড-২০কে পরিবারের পরিবহন ও আক্রমণ সংস্করণ এবং সশস্ত্র অভিযানের জন্য তৈরি জেড-২০টি উল্লেখযোগ্য। জেড-২০টি থেকে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট নিক্ষেপের পাশাপাশি বাহ্যিক জ্বালানি ট্যাংক বহন করা যায়। নৌবাহিনীর জন্য তৈরি জেড-২০এফ সংস্করণটি বিশেষভাবে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের উপযোগী। এতে রয়েছে পানির নিচে নামানো যায় এমন সোনার, সোনোবুই মোতায়েনের ব্যবস্থা এবং হালকা টর্পেডো বহনের সক্ষমতা। অন্যদিকে, জাহাজ থেকে পরিবহন ও আক্রমণ অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি হয়েছে জেড-২০জে সংস্করণ। এর ফলে চীনের যুদ্ধজাহাজ ও উভচর অভিযানে ব্যবহৃত জাহাজগুলো থেকে আরও বিস্তৃত সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী সংস্করণ থাকায় জেড-২০-কে চীনের অন্যতম বহুমুখী হেলিকপ্টার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো জেড-৮ সিরিজেও ব্যাপক আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পরিবহন, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং আকাশপথে কমান্ড পরিচালনার মতো কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে এই সিরিজের হেলিকপ্টারগুলোকে। তবে চীনের পরিবহন হেলিকপ্টার বহরে এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে রাশিয়ার তৈরি এমআই-১৭ ও এমআই-১৭১। কঠিন পরিবেশে সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং বিশেষায়িত সহায়তা প্রদানে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, চীনের নৌবাহিনীতে রাশিয়ার কেএ-২৮ সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের হেলিকপ্টার এবং কেএ-৩১ আকাশপথে রাডার পরিচালনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, জাহাজ থেকে পরিচালনাযোগ্য জেড-২০-এর বিভিন্ন সংস্করণের উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে চীনের নৌবাহিনীর সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও উভচর আক্রমণ সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে পুরোনো রুশ হেলিকপ্টারগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বেইজিংয়ের। এ ছাড়া আরও বেশি ভার বহনে সক্ষম একটি নতুন হেলিকপ্টার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে চীনের। এটি বাস্তবায়িত হলে রাশিয়ার এমআই-২৬-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে বেইজিং। বর্তমানে ভারী মালামাল পরিবহনের সক্ষমতায় এমআই-২৬ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় হেলিকপ্টার। সব মিলিয়ে, আক্রমণ, পরিবহন, নৌ-অভিযান ও সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজস্ব হেলিকপ্টার প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে চীন। এর মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় দেশটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসকে
পশ্চিমাদের ছাড়িয়ে সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় চীনের আধিপত্য
ধর্ষণকাণ্ডে আস্থা হারালেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস করেছেন শিক্ষক প্রতিনিধিরা।
ধর্ষণকাণ্ডে আস্থা হারালেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের পর এবার গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার মেগানের বাবা
ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য ও ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কলের বাবা থমাস মার্কল সিনিয়রকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। 
মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের পর এবার গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার মেগানের বাবা
হাওয়াইয়ের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন ঝড় ‘পেনা’
প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘পেনা’। 
হাওয়াইয়ের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন ঝড় ‘পেনা’
আরও পড়ুন
ধর্ষণকাণ্ডে আস্থা হারালেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
হাওয়াইয়ের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন ঝড় ‘পেনা’
হোয়াইট হাউসের কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১ 
সামরিক ঐতিহ্যে ২৫০ ফুটের বিজয় তোরণ নির্মাণের পরিকল্পনা ট্রাম্পের