ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ এএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ অবসানে ইরানের সঙ্গে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত নথি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে আছে ১৪ টি দফা। এই চুক্তি শুক্রবারেই সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নিজেও থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন। নিচে সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দেওয়া হলো—

১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান ও চলমান যুদ্ধে তাদের মিত্ররা এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের মাধ্যমে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে সামরিক অভিযান বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছে। এখন থেকে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনও যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু না করার এবং হুমকি বা শক্তিপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করছে। একই সঙ্গে লেবাননের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং এই অনুচ্ছেদের অন্য বিধানও নিশ্চিত করা হবে।

২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে শ্রদ্ধা জানাতে এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হচ্ছে।

আরও পড়ুন

৩. উভয় পক্ষ আগামী সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা ও তা সম্পন্ন করার অঙ্গীকার করছে। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।

৪. এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নৌঅবরোধ এবং যেকোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ নৌঅবরোধ তুলে নেবে। এই সময়ে নৌযান চলাচল যুদ্ধপূর্ববর্তী সংখ্যার অনুপাতে ইরান কর্তৃক পুনরুদ্ধার করা হবে। চূড়ান্ত চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে নিজেদের সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

৫. সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ইরান পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর এবং ওমান সাগর থেকে পারস্য উপসাগরে কোনও ফি ছাড়াই বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, যা কেবল ৬০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অবিলম্বে শুরু হবে এবং ইরানের কারিগরি ও সামরিক বাধা অপসারণ এবং মাইনমুক্তকরণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তা ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। পারস্য উপসাগরের অন্যান্য উপকূলীয় দেশের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন ও উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম অধিকার মেনে হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও সামুদ্রিক পরিষেবা নির্ধারণে ওমানের সুলতানাতের সঙ্গে আলোচনা করবে ইরান।

৬. ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি সুনির্দিষ্ট ও পারস্পরিক সম্মত পরিকল্পনা তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র। ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স, মওকুফ ও অনুমতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

৭. চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে একটি সম্মত সময়সূচি অনুযায়ী জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আইএইএ গভর্নিং বডি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব একতরফা নিষেধাজ্ঞাসহ ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উভয় পক্ষ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুরুত্ব স্বীকার করে পারস্পরিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে।

৮. ইরান পুনরুল্লেখ করেছে যে তারা কোনও পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা তৈরি করবে না। মজুত করা সমৃদ্ধ উপাদানের নিষ্পত্তি নিয়ে সপ্তম অনুচ্ছেদের সময়সূচি অনুযায়ী একটি পারস্পরিক সম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ। এর সর্বনিম্ন পদ্ধতি হবে আইএইএ-র তত্ত্বাবধানে অন-সাইটে ডাউন-ব্লেন্ডিং বা সমৃদ্ধকরণ কমিয়ে আনা। চূড়ান্ত চুক্তিতে একটি সন্তোষজনক কাঠামোর ভিত্তিতে ইরানের পারমাণবিক চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত সমৃদ্ধকরণ এবং অন্যান্য পারস্পরিক সম্মত বিষয়ে আলোচনা করতেও দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিতে এই অনুচ্ছেদের বিধানগুলো নিশ্চিত করা হবে।

৯. চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার আগপর্যন্ত উভয় পক্ষ বর্তমান স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কু) বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র কোনও নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না ও অঞ্চলে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করবে না।

১০. সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরপরই এবং নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও উপজাত রপ্তানি এবং ব্যাংকিং লেনদেন, বীমা, পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট সব পরিষেবার জন্য মওকুফ বা অনুমতিপত্র জারি করবে।

১১. সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গেই ইরানের ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা সমস্ত তহবিল ও সম্পদ সম্পূর্ণ ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তহবিলগুলো ছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষ পারস্পরিকভাবে একমত হবে। এই তহবিলগুলো মূল অ্যাকাউন্টে রাখা হোক বা স্থানান্তরিত করা হোক না কেন, সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইরান কর্তৃক নির্ধারিত যেকোনও চূড়ান্ত সুবিধাভোগীকে অর্থপ্রদানের জন্য তা সম্পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্র এই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স ও অনুমোদন জারি করবে।

১২. এই সমঝোতা স্মারকের সফল বাস্তবায়ন এবং চূড়ান্ত চুক্তির ভবিষ্যৎ কমপ্লায়েন্স বা অনুগততা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নির্বাহী ব্যবস্থা বা মেকানিজম প্রতিষ্ঠা করতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

১৩. এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এবং এর ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর অনুচ্ছেদের বাস্তবায়ন শুরু ও তা অব্যাহত রাখার সাপেক্ষে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একচেটিয়াভাবে অন্য অনুচ্ছেদগুলোর ওপর চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু করবে।

১৪. চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর পেল উইসকনসিন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উইসকনসিনের পরবর্তী গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ডেভিড ক্রাউলি। এর মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির ১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হতে যাচ্ছেন তিনি। 
১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর পেল উইসকনসিন
ছয় মাসের চাকরি, আকাশেই কেটে গেল ৬৩ বছর!
মাত্র ছয় মাসের জন্য বিমানসেবিকার চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন ক্যারল ফেয়ার। পরিকল্পনা ছিল, এরপর বিয়ে করে সংসার শুরু করবেন।
ছয় মাসের চাকরি, আকাশেই কেটে গেল ৬৩ বছর!
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইতিহাস গড়েছেন মিশরীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিক আবদুল এল-সায়েদ। দেশটির মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এই প্রার্থী। তার বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম ব্যক্তি নির্বাচিত সিনেটর হতে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) পূর্বাভাসে তার বিজয় নিশ্চিত করা হয়। মিশিগানের বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের ছেড়ে দেওয়া আসনে জয় পেয়েছেন তিনি। মিশরীয় পরিবারে জন্ম, বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রে আবদুল এল-সায়েদের পূর্ণ নাম আবদুলরহমান মোহাম্মদ এল-সায়েদ। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের রচেস্টার হিলসে তার জন্ম। তার বাবা-মা দুজনই মিশরীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসী। তার বাবা মোহাম্মদ এল-সায়েদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায়। উচ্চশিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ডেট্রয়েটের ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করেন। তার মা ফাতেন এল-কোমি পেশায় একজন নার্স প্র্যাকটিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে কর্মরত। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে মিশিগানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে তিনি ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানে ভর্তি হন। সেখানে জীববিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। এ সময় তিনি মর্যাদাপূর্ণ রোডস স্কলারশিপ লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমডি ডিগ্রিও অর্জন করেন। জনস্বাস্থ্য থেকে রাজনীতির মাঠে পেশাগত জীবনে আবদুল এল-সায়েদ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, মহামারিবিদ ও প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে ডেট্রয়েট শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শহরটির আর্থিক সংকটের পর স্বাস্থ্য বিভাগ পুনর্গঠন এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করে তিনি পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য, মানবসেবা ও ভেটেরানস সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে মিশিগানের গভর্নর পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সে নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। তবে রাজনীতিতে তার সক্রিয়তা অব্যাহত থাকে। ২০২৬ সালের ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেনসকে পরাজিত করে দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন তিনি। এরপর সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটের আসনটি নিজের করে নেন। নীতিগত অবস্থান ও ঐতিহাসিক বিজয় নির্বাচনী প্রচারে আবদুল এল-সায়েদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, স্বাস্থ্যসেবাকে সবার জন্য সহজলভ্য করা এবং রাজনীতিতে করপোরেট অর্থ ও প্রভাব সীমিত করা। তিনি সবার জন্য সরকারি অর্থায়নে স্বাস্থ্যসেবা বা ‘মেডিকেয়ার ফর অল’ কর্মসূচির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে তার বক্তব্য তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলে। তার এই বিজয় শুধু মিশিগানের রাজনীতিতেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর মুসলিম ও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম নির্বাচিত প্রতিনিধি যুক্ত হতে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে মোট ১০০ জন সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত আবদুল এল-সায়েদের দায়িত্ব গ্রহণের কথা ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি। মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদস্য নির্বাচিত হওয়া আবদুল এল-সায়েদের এই অর্জন অভিবাসী পরিবারগুলোর নতুন প্রজন্মের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আরটিভি/টিআর
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ
ওহাইওর প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হলেন অ্যামি অ্যাক্টন
ওহাইওর পরবর্তী গভর্নর হওয়ার লড়াইয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ড. অ্যামি অ্যাক্টন। তিনি বর্তমান রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ওহাইওর প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হলেন অ্যামি অ্যাক্টন
নিউইয়র্কের আইনসভায় নির্বাচিত হলেন প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভা নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নারী আবের কাওয়াস।
নিউইয়র্কের আইনসভায় নির্বাচিত হলেন প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী
আরও পড়ুন
‘ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে ভারত প্রমাণ করবে তারা বাংলাদেশের বন্ধু’
এশিয়ার ৪ দেশের মধ্যে ‘বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর
প্রকাশ্যে এলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত
তুরস্কের সঙ্গে নতুন সামুদ্রিক চুক্তি করল লিবিয়া