ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী কে এই প্রহ্লাদ জোশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৯ এএম
প্রহ্লাদ জোশী। ছবি: সংগৃহীত

নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর পরপরই ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়।

বর্তমানে প্রহ্লাদ ভেঙ্কটেশ জোশী ভারতের কেন্দ্রীয় ভোক্তা অধিকার, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। নিজের এই দুটি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি তিনি এখন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদারকিও করবেন। ২০২৪ সালে গঠিত নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় ফিরে আসা পাঁচবারের এই আইনপ্রণেতাকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম আস্থাভাজন নেতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৯৬২ সালের নভেম্বরে উত্তর কর্ণাটকের এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রহ্লাদ জোশী। অল্প বয়সে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তার সামাজিক জীবনের সূচনা হয়। পরে ১৯৯৬ সালে কর্ণাটক বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি।

আরও পড়ুন

পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালে ধারওয়াদ-হুব্বালী লোকসভা আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে আসেন। এরপর থেকে প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথমবার সংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কর্ণাটকের প্রভাবশালী লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের একটি অংশের বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল এই নেতাকে। তবে বিজেপির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে সেই সংকট কেটে যায়। সমস্ত রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে প্রহ্লাদ জোশী কর্ণাটক রাজ্য শাখা ও জাতীয় পর্যায়ে বিজেপির অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হিসেবে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ
ফ্রান্সের পর এবার শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় বাজেট সংকোচন, জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার বিরুদ্ধে জার্মানির বড় শহরগুলোতে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার তরুণ।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘জেন-জি রেগেল্ট’ সংগঠনের ডাকে বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও মিউনিখসহ প্রায় ৩৪টি শহরে এই কর্মসূচি পালিত হয়।  ইউরোপজুড়ে সম্প্রতি তরুণদের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় জার্মানিতে এই বিক্ষোভ হলো। তবে জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের একপর্যায়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং টুপি পরিহিত দাঙ্গাকারীরা কয়েকটি দোকানে লুটপাট চালায়।  ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে বেশ কয়েকটি দোকানের জানালা ভাঙচুর করা হয়েছে এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের লক্ষ্য করে মলোটোভ ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাধারণ মানুষকে শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া হামবুর্গ শহরেও কিছু জায়গায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে আগুন জ্বালানোর ঘটনা ঘটেছে। আয়োজক সংগঠনের মুখপাত্র লিনা ফ্রিডরিচ বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ বা বলপ্রয়োগের জন্য নয়, বরং শান্তি ও স্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করতে এখানে এসেছি। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নত সহায়তা এবং সামরিক সেবার বিরোধিতাই আমাদের প্রধান দাবি।’ আয়োজকরা ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষের সমাগমের আশা করলেও পুলিশ জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ ও বার্লিনে সবমিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেন। এদিকে সম্ভাব্য সহিংসতা ও ভাঙচুরের আশঙ্কায় বার্লিনের বিলাসবহুল কুরফুর্স্টেনডাম শপিং বুলেভার্ডসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের জানালা ঢেকে দেয় এবং দোকানপাট আগেভাগে বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করে। জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ‘চরমপন্থি’ গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে এই আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ফ্রান্সের বিক্ষোভের চিত্র স্মরণ করে হেস রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পিসেখ জানান, ফ্রান্সের মতো ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি জার্মানিতে মডেল হতে পারে না। বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেঞ্জের সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক বোঝা চাপানোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।  আরটিভি/এসআর
এবার জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ
এবার ইরানের পিকঅ্যাক্সে হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, বললেন ‘১০ মিনিটে শেষ করতে পারব’
ইরানের রহস্যময়ী পিকঅ্যাক্স পাহাড়সহ আরও দুই একটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব স্থাপনা ধ্বংস করতে তাদের মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) পাম সমুদ্র সৈকতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমরা তাদের পারমাণবিক স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। তবে আমাদের এখনো, আমি বলব এক থেকে দুটি স্থাপনা দেখতে (হামলা চালাতে) হবে। তবে আমরা এটি মাত্র ১০ মিনিটে করতে পারব। ‘আপনার পিকঅ্যাক্স পাহাড়ের দিকে দেখতে পারেন, আমাদের ওই পাহাড়টি নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা যা খুব দ্রুত সময়ে করতে পারব।’ পশ্চিমা গোয়েন্দারা মনে করেন, ইরান তাদের পারমাণবিক উপকরণ পিকঅ্যাক্স পাহাড়ের নিচে থাকা গোপন স্থানে রেখেছে। যদিও এটি শুধুমাত্র তাদের ধারণা। যুক্তরাষ্ট্র গত দুই বছরে ইরানে দুইবার হামলা চালালেও পিকঅ্যাক্স পাহাড়কে একবারও টার্গেট করেনি। তবে দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন তাদের এ পাহাড়ে হামলা চালানো উচিত। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল আরটিভি/এসআর
এবার ইরানের পিকঅ্যাক্সে হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, বললেন ‘১০ মিনিটে শেষ করতে পারব’
ইরানের হামলার আগে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বললেন ট্রাম্প
ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা শুরু করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রোববার (১ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়। এ সময় ইরানে ফের হামলা শুরুর পরিকল্পনা করছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ইরান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান চান ট্রাম্প। তবে সামরিকভাবে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা ওয়াশিংটনের রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাবে নাকি চালাবে না এ নিয়ে অস্পষ্টতায় রয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগ। তাই যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য আরেকটি সুযোগ দিতে চায়। তবে ইসরায়েলি সেনা কমান্ডারদের মতে, ইরান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি করবে না, যেখানে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। পারমাণবিক কার্যক্রমের সঙ্গে ইরানকে শর্ত দেওয়া হচ্ছে তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদনও বন্ধ করে দিতে হবে। যা ইরান কোনোভাবেই মানবে না। ইরসায়েলি কমান্ডারদের ধারণা ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছে। যেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধের প্রভাব পড়ে। তারা আরও বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যদি মার্কিনিরা বুঝতে পারে ইরান আকস্মিক হামলা চালাতে পারে; তখনই শুধু নির্বাচনের আগে হামলা হতে পারে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। যেখানে দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের সব আসন এবং সিনেটের এক তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হবে। সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরটিভি/এসআর
ইরানের হামলার আগে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বললেন ট্রাম্প
আবারও বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষাব্যবস্থার সংকটের প্রতিবাদে আবারও রাজপথে নেমেছেন লাখো মানুষ। শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে তৃতীয় সপ্তাহের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় রাজধানী প্যারিস ও লিওনে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর জোটের দাবি, শনিবারের বিক্ষোভে দেশজুড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু প্যারিসেই ছিলেন দুই লাখ। তবে ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল তিন লাখ ২০ হাজার। রাজধানী প্যারিসে অংশ নেন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। প্যারিসে শুরুতে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ চললেও শনিবার মূল কর্মসূচির সমাপ্তিস্থলের কাছাকাছি গিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ময়লার পাত্র ও রাস্তার আসবাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শহরের আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। বিক্ষোভের কারণে দেশটির গণপরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। প্যারিসের গণপরিবহন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আরএটিপি তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, শনিবার শহরের ৪০টিরও বেশি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। আলজাজিরার প্রতিবেদন সুত্রে জানা গেছে, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ব্যাপক কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। পরিস্থিতি এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় তার সংবাদকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হয়। লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভকারীদের রাস্তা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ পুলিশ। অন্যথায় আরও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এ সময় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসাকর্মীরা সরিয়ে নেন। অন্যদিকে কয়েকজন বিক্ষোভকারী পুলিশের সামনে হাত তুলে নিজেদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান জানান দেন। প্যারিসের উপকণ্ঠে কালো পোশাক ও মুখোশ পরা কয়েক ডজন ব্যক্তি হাতুড়ি দিয়ে ফুটপাতের পাথর তুলে পুলিশের দিকে ছুড়ে মারেন। নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে অন্তত একটি অগ্নিসংযোগকারী বস্তু নিক্ষেপ করা হয়। জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবারের বিক্ষোভে দেশজুড়ে এ পর্যন্ত অন্তত ২৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
আবারও বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স
স্লোভেনিয়ায় ছয় বাংলাদেশিসহ আটক ১৪৭ অভিবাসী 
ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়ায় অনিয়মিতভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে বাংলাদেশিসহ ১৪৭ জন অভিবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। চলতি মাসের ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবরের মধ্যে দেশটির ব্রেজিসে ও চেরনোমেলজ পুলিশ স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ব্রেজিসে পুলিশ স্টেশন এলাকার ওব্রেজে, দোবোভা, রিগোনৎসে, ভেলিকি ওব্রেজ, কাপেলে ও লোচে অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ৮১ জনকে আটক করা হয়।  তাদের মধ্যে ২৯ জন আফগানিস্তানের, ১২ জন মিসরের, ১০ জন পাকিস্তানের, সাতজন বাংলাদেশের, পাঁচজন সুদানের, চারজন নেপালের, দুজন আলজেরিয়ার, দুজন জর্ডানের, দুজন ইয়েমেনের, চারজন ইরাকের, দুজন সোমালিয়ার এবং একজন করে মরক্কো ও ফিলিস্তিনের নাগরিক রয়েছেন। অন্যদিকে, চেরনোমেলজ পুলিশ স্টেশন এলাকার ভিনিৎসা, পোদক্লানেত্স, মারিন্দোল, রাস্ট প্রি ভিনিৎসি, বোইয়ানৎসি ও বালকোভৎসি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে আরও ৬৬ জনকে আটক করা হয়।  তাদের মধ্যে ১৯ জন সুদানের, ১৮ জন আফগানিস্তানের, ১৫ জন পাকিস্তানের, ১৩ জন বাংলাদেশের এবং একজন নেপালের নাগরিক। আটক অভিবাসীদের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে। ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ বলকান রুট ব্যবহার করেছেন। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা ৪২ শতাংশ কম। ইনফোমাইগ্রেন্টস। আরটিভি/এসআর
স্লোভেনিয়ায় ছয় বাংলাদেশিসহ আটক ১৪৭ অভিবাসী 
আরও পড়ুন
ভারতে গরুর মাংস বিক্রি করায় মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা
মন্দিরে আটকে রেখে দুই নারীকে ধর্ষণ, পুরোহিতসহ গ্রেপ্তার ২
‘বাবুসোনা তুমি কি পাগল? নাকি পেট খারাপ?’
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়