ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাইরাসের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে ইবোলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার সর্বশেষ প্রাদুর্ভাব ভাইরাসটির ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণে পরিণত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৬০ জনের ইবোলা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা প্রায় ৪৫ শতাংশ মৃত্যুহার নির্দেশ করে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বর্তমানে দেশটির পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি প্রদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে চলমান সংঘাতের কারণে চিকিৎসা, রোগ শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

আক্রান্ত অঞ্চল রওয়ামপারার বাসিন্দা ও চার সন্তানের জননী ডেবোরাহ এনজুভা বলেন, আমরা আগেই কঠিন পরিস্থিতিতে জীবনযাপন করছিলাম। তার ওপর ইবোলা প্রতিনিয়ত মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে ইতুরি প্রদেশে স্বাভাবিক জীবন পুরোপুরি থেমে যেতে পারে।

গত ১৫ মে ডিআর কঙ্গোর কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বুন্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করে। এরপর থেকেই এটি দেশটিতে অতীতের ১৬টি ইবোলা প্রাদুর্ভাবের যেকোনোটির তুলনায় দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করেছে।

বর্তমান আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যেই ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ওই সময়ে দেশটিতে ৩ হাজার ৪৭০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন

দেশটির জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (এনপিএইচআই) ইবোলা প্রতিরোধ কার্যক্রমের প্রধান অধ্যাপক পিয়েরে আকিলিমালি বলেন, ইবোলার সংক্রমণ এখনো দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি কবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মূলত, বাংলাদেশে ফিরে গেলে জীবননাশের ঝুঁকি রয়েছে— এমন মিথ্যা দাবি তুলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি পুরুষের ভুয়া অ্যাসাইলাম আবেদন তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করেছে এক প্রতারক চক্র।
সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
যেভাবে সৌদি আরবে স্ত্রী-সন্তান নিতে পারবেন প্রবাসীরা
প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটিতে কর্মরত কিংবা নতুন করে যারা যেতে চান। তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটিতে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এসেছে। এখন দেশটিতে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীরা তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এতে জানানো হয়, যোগ্য দক্ষ প্রবাসী পরিবারের কর্তা হলে তার স্ত্রী, ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং অবিবাহিত মেয়েরা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন। কর্মীর নিজস্ব কর্মসংস্থান ভিসার প্রক্রিয়া চলার পাশাপাশি এসব পরিবারের সদস্যের প্রবেশ ভিসার আবেদনও প্রক্রিয়াধীন রাখা যাবে। আগের ব্যবস্থায় সাধারণত প্রবাসী কর্মীদের নিজেদের কর্মসংস্থান ও আবাসনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ করার পর পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় যোগ্য দক্ষ কর্মীদের ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া একই সময়ে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যাদের নিতে পারবেন নতুন প্রক্রিয়ায় দক্ষ প্রবাসী কর্মীর পরিবারের তিন ধরনের সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— ১. স্ত্রী ২. ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে ৩. অবিবাহিত মেয়ে তবে পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে প্রবেশের পরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবাসনের অনুমতি পাবেন না। দেশটিতে পৌঁছানোর পর সৌদি আইন, বিধি ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের আবাসন অনুমতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। মানতে হবে যেসব শর্ত প্রথমত, সংশ্লিষ্ট কর্মীকে যোগ্য দক্ষ প্রবাসী এবং পরিবারের কর্তা হতে হবে। এরপর সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী নিজের কর্মসংস্থান ভিসার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। নতুন ব্যবস্থায় পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই যোগ্য পরিবারের সদস্যদের প্রবেশ ভিসার আবেদন করা যাবে। পরিবারের সদস্যদের জন্য ভিসার আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়ক নথিপত্র দিতে হবে। আবেদন সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কর্মীর কর্মসংস্থান ভিসার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রবেশ ভিসাও দেওয়া হতে পারে। তবে নতুন নিয়মে সৌদি ভিসার অন্যান্য শর্ত বাতিল করা হয়নি। আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে। পরিবারের সদস্যরা প্রবেশ ভিসা পাওয়ার পর সেটির নির্ধারিত শর্ত ও মেয়াদ অনুযায়ী সৌদি আরবে যেতে পারবেন। দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাদের আবাসন অনুমতির প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। দক্ষ প্রবাসী কর্মীদের জন্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দেশটিতে বসবাসকারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতীয় দক্ষ কর্মীদের জন্যও এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নতুন ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের কর্মসংস্থান ভিসার প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করেই যোগ্য পরিবারের সদস্যদের প্রবেশ ভিসার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। আরটিভি/টিআর
যেভাবে সৌদি আরবে স্ত্রী-সন্তান নিতে পারবেন প্রবাসীরা
ছেলের আসক্তি ছাড়াতে গিয়ে নিজেই জনপ্রিয় গেমার, তারকা খ্যাতি পেলেন বৃদ্ধা মা
ছেলের ভিডিও গেমের আসক্তি কাটাতে গিয়ে নিজেই অনলাইন গেমিং জগতের জনপ্রিয় তারকা হয়ে উঠেছেন ৬০ বছর বয়সী এক চীনা নারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আন্টি জুয়ান’ নামে পরিচিত ঝোং জুয়ানজুয়ান এখন প্রতিদিন হাজারো তরুণের সামনে গেম খেলেন। দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের মেইঝৌ শহরের শহরতলিতে বসবাস করেন ঝোং। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার বছর আগে ভিডিও গেম খেলা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তার গেমিং লাইভ-স্ট্রিম দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শক যুক্ত হন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা ঝোং জীবনের বিভিন্ন সময়ে সেলস ও শিশু পরিচর্যাসহ বিভিন্ন খণ্ডকালীন কাজ করেছেন। প্রায় এক দশক আগে কর্মজীবন থেকে অবসর নেন তিনি। তবে গেমিংয়ের সঙ্গে ঝোংয়ের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল অনেক আগেই ছেলের আসক্তিকে ঘিরে। প্রায় দুই দশক আগে মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় তাঁর ছেলে সোদে ভিডিও গেমে মারাত্মকভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন। এতে তার পড়াশোনায় ব্যাপক অবনতি ঘটে। ছেলেকে গেম থেকে দূরে রাখতে সে সময় প্রায়ই স্থানীয় ইন্টারনেট ক্যাফেতে ছুটে যেতেন ঝোং। কখনো কখনো সেখান থেকে ছেলেকে ধরে বাড়িতেও নিয়ে আসতেন। ২০২০ সালে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর সোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাড়িতে বসে গেম খেলতে শুরু করেন। গেমের প্রতি তরুণদের এমন আকর্ষণের কারণ বুঝতে এবার নিজেই গেমিংয়ের জগতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন ঝোং। মায়ের এই সিদ্ধান্তে শুরুতে অবাক হয়েছিলেন সোদে। তবে পরে ধৈর্য ধরে মাকে গেম খেলার নিয়মকানুন শেখাতে শুরু করেন তিনি। ৬০ বছর বয়সে এসে গেম শেখা অবশ্য সহজ ছিল না ঝোংয়ের জন্য। বয়সের কারণে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এবং হাত-চোখের প্রতিক্রিয়ার গতি ধীর হওয়ায় শুরুতে নানা সমস্যায় পড়তে হয় তাকে। গেমের চরিত্রকে সোজা পথে হাঁটানোও তাঁর জন্য কঠিন ছিল। দেয়ালে ধাক্কা খাওয়া কিংবা ডিজিটাল সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার মতো সাধারণ বিষয়ও আয়ত্ত করতে সময় লেগেছে। তবে কোনো বাধাই তাকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গেমিংয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন ঝোং। ২০২২ সাল থেকে নিজের গেম খেলার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ-স্ট্রিম করা শুরু করেন তিনি। সাধারণ মানের কম্পিউটার ও গেমিং সরঞ্জাম ব্যবহার করেও তার দক্ষতা নজর কাড়ে দর্শকদের। এ পর্যন্ত অনলাইন গেমে ৮ হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় কাটিয়েছেন তিনি। কৌশলভিত্তিক শুটিং গেমই তার সবচেয়ে পছন্দের। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক গেমিং অঙ্গনেও পরিচিতি পান ঝোং। সে সময় জনপ্রিয় শুটিং গেম ‘কাউন্টার-স্ট্রাইক: গ্লোবাল অফেন্সিভ’ (CS)-এর একটি বিশেষ অনলাইন প্রদর্শনী ম্যাচে খেলার আমন্ত্রণ পান তিনি। ছেলের গেমিং আসক্তি ছাড়ানোর চেষ্টা থেকেই যে যাত্রার শুরু, তা আজ ঝোংকে পরিণত করেছে জনপ্রিয় গেমার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তারকায়। হাজারো তরুণ দর্শকের কাছে ‘আন্টি জুয়ান’ এখন বয়সকে হার মানানো অধ্যবসায়, ধৈর্য ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতীক। আরটিভি/এসকে
ছেলের আসক্তি ছাড়াতে গিয়ে নিজেই জনপ্রিয় গেমার, তারকা খ্যাতি পেলেন বৃদ্ধা মা
রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী
রসায়নের অত্যন্ত জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণে অ-রৈখিক প্রভাব এবং স্ব-অনুঘটন আবিষ্কারের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের অঁরি বি কাগান এবং জাপানের কেনসো সোয়াই।  সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বুধবার (৭ অক্টোবর) এই বছরের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। তাদের এই যুগান্তকারী আবিষ্কার আধুনিক ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি এবং মানবদেহের জন্য কার্যকরী রাসায়নিক কণা তৈরিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। বিজয়ীরা সনদ ও মেডেলের পাশাপাশি পুরস্কারের অর্থ পাবেন, যা তাদের মধ্যে সমবণ্টন করা হবে। ১৯০১ সালে প্রবর্তনের পর থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রসায়নে নোবেল পুরস্কার মোট ১১৮ বার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সহ কিছু বছর এই বিভাগে পুরস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২৬ সালের নতুন ২ জন বিজ্ঞানীসহ এ পর্যন্ত রসায়নে মোট নোবেল বিজয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০২ জনে। বিজ্ঞানের ইতিহাসে মাত্র ২ জন বিজ্ঞানী রসায়নে দুইবার করে নোবেল পেয়েছেন। তারা হলেন, ফ্রেডরিক সেঙ্গার (১৯৫৮ ও ১৯৮০) এবং কে. ব্যারি শার্পলেস (২০০১ ও ২০২২)। এছাড়া কিংবদন্তি বিজ্ঞানী মেরি ক্যুরি দুই ভিন্ন বিষয়ে নোবেল পেয়েছিলেন, ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে। নেদারল্যান্ডসের বিজ্ঞানী ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ ১৯০১ সালে রসায়নে প্রথম নোবেল পান। রাসায়নিক গতিবিদ্যা এবং দ্রবণের অসমোটিক চাপ আবিষ্কারের মাধ্যমে রসায়নের ভিত্তি গড়ার জন্য তিনি এই পুরস্কার পান। ২০২৫ সালে জাপানের সুসুমু কিতাগাওয়া, যুক্তরাজ্য/অস্ট্রেলিয়ার রিচার্ড রবসন এবং জর্ডান/যুক্তরাষ্ট্রের ওমর এম. ইয়াগি। মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক বা ধাতব-জৈব কাঠামো তৈরির যুগান্তকারী প্রযুক্তির জন্য যৌথভাবে তারা এই পুরস্কার পান। রসায়নে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পাওয়ার রেকর্ডটি ফরাসি বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক জোলিও-কুরির। ১৯৩৫ সালে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি তার স্ত্রী ইরেন জোলিও-ক্যুরির সাথে যৌথভাবে নোবেল পান। কেবল রসায়নেই নয়, নোবেলের পুরো ইতিহাসেই সবচেয়ে বেশি বয়সে পুরস্কার পাওয়ার অনন্য রেকর্ড বিজ্ঞানী জন বি. গুডএনাফের। ২০১৯ সালে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির নেপথ্য অবদানের জন্য যখন তিনি নোবেল পান, তখন তার বয়স ছিল ৯৭ বছর। নারী বিজয়ী: রসায়নে এ পর্যন্ত মোট ৮ জন নারী নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এই তালিকায় প্রথম নামটি বিজ্ঞানী মেরি কুরির (১৯১১)। রীতি অনুযায়ী, আগামী ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্টকহোমে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬ সালের রসায়নের এই দুই নতুন নোবেলজয়ীর হাতে মেডেল, ডিপ্লোমা ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী
ইরান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমরাস্ত্রের মূল্য প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার।
ইরান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
আরও পড়ুন
পরিবারে একজন অসুস্থ হলে অন্যদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে যা করবেন
কঙ্গোতে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব, মৃত্যু বেড়ে ২৬৪২
মাদরাসার ১২ শিক্ষার্থীর এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার দাবি সঠিক নয়: সিভিল সার্জন
কঙ্গোতে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ইবোলা, আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়াল