ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

৩৮ বছর পর দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৪ এএম
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় প্রায় চার দশক আগের অমীমাংসিত এক হত্যা রহস্যের অবসান হতে চলেছে। ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে মেলিসা ‘মিসি’ টেলর এলিসন নামের ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে তার নিজ বাড়িতে হত্যার ঘটনাটি এত বছর ধরে তদন্তকারীদের কাছে একটি ধাঁধা হয়ে ছিল। দীর্ঘ ৩৮ বছর পর গ্যারি গ্লোওয়াচ নামের ৭০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে স্বেচ্ছায় ফোন করে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে নিজের শোবার ঘরে মেলিসার মৃতদেহ খুঁজে পান তার দুই রুমমেট। পাশের ঘরে তখন কাঁদছিল তার মাত্র ১৩ মাস বয়সী শিশুকন্যা ক্যাসি। ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান, মাথায় ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতে মেলিসাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশের দীর্ঘ তদন্তের পরও সে সময় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে চলতি বছরের ৮ জুলাই ক্লে কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ে ফোন করেন গ্যারি গ্লোওয়াচ। তিনি পুলিশকে জানান, বহু বছর আগের একটি পুরোনো অপরাধের বিষয়ে তিনি ‘সবকিছু পরিষ্কার’ করতে চান। পরে জ্যাকসনভিল শেরিফের গোয়েন্দাদের কাছে তিনি স্বীকার করেন যে, ১৯৮৭ সালে টাকার খোঁজে ওই বাড়িতে ঢুকে কাঠের গুঁড়ি দিয়ে মেলিসার মাথায় আঘাত করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন

গ্রেপ্তারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সময় গ্লোওয়াচের বয়স ছিল ৩২ বছর। মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতে তিনি মেলিসার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকেছিলেন। গ্লোওয়াচ জানান, জানালা দিয়ে ঘরে ঢোকার পর তিনি দেখেন মেলিসা তার শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘুমাচ্ছেন। এ সময় ঘরে পড়ে থাকা একটি কাঠের গুঁড়ি দিয়ে তিনি মেলিসার মাথায় আঘাত করেন। এরপর শিশুটিকে কোলে করে পাশের ঘরের সোফায় রেখে এসে তিনি বিছানার নিচে টাকা খুঁজতে থাকেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্লোওয়াচ ঘটনাস্থলের এমন কিছু সূক্ষ্ম বিবরণ দিয়েছেন, যা কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তার স্বীকারোক্তির সত্যতা সম্পর্কে তদন্তকারীরা প্রায় নিশ্চিত। গ্লোওয়াচ দাবি করেছেন, চলতি বছরের মার্চে একটি প্রতিবেদন পড়ার পরই তিনি বুঝতে পারেন যে, ৩৮ বছর আগে তার ওই আঘাতেই মেলিসার মৃত্যু হয়েছিল। তিনি জানান, আঘাতের পর ওই তরুণী মারা গেছেন বলে তিনি এত দিন জানতেন না।

বর্তমানে গ্যারি গ্লোওয়াচকে দ্বিতীয়-ডিগ্রি হত্যা এবং সশস্ত্র চুরির অভিযোগে ডুভাল কাউন্টি জেলে জামিন ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

এই খুনের রহস্য উদ্ঘাটনের প্রথম খবর পান মেলিসার মেয়ে ক্যাসি এলিসন, যিনি এখন চল্লিশোর্ধ্ব নারী। মায়ের মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ মাস। দীর্ঘ বছর ধরে মেলিসার পরিবার এই হত্যার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে। ২০১৯ সালে মেলিসার মা ক্যাথরিন টেলর মেয়ের খুনির পরিচয় না জেনেই মারা যান।

২০১৮ সালে এই অমীমাংসিত মামলাটি ‘প্রজেক্ট: কোল্ড কেস’ নামের একটি অলাভজনক সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সংগঠনটি এবং মেলিসার পরিবার খুনিকে ধরতে জনসাধারণের সহায়তা চেয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে। জ্যাকসনভিল শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, সেই সংবাদ সম্মেলনের পর পাওয়া তথ্য এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদনই মূলত গ্লোওয়াচকে স্বীকারোক্তি দিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

সন্দেহভাজন ঘাতক গ্রেপ্তার হলেও মেলিসার পরিবারের কাছে এখনো মনে হচ্ছে না যে তারা পুরোপুরি ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তবে দীর্ঘ চার দশক পর অপরাধীর পরিচয় সামনে আসায় পরিবারের শোকের অধ্যায়ে একটি নতুন মোড় এসেছে বলে মনে করছেন তারা।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতে অসুস্থ মেয়েকে হ্রদে ফেলে পালাল মা, অতঃপর...
ভারতের হায়দরাবাদের হুসেন সাগর হ্রদে নিজের ছয় বছর বয়সী মেয়েকে ফেলে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছেন এক মা। তবে এক অটোরিকশাচালক, এক বেসরকারি চাকরিজীবী ও এক ব্যবসায়ীর তাৎক্ষণিক সাহসিকতায় শিশুটি প্রাণে বেঁচে গেছে।  এই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ওই তিনজনকে নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। পুলিশ জানায়, বোয়েনপল্লির বাসিন্দা ওই নারীর আট ও ছয় বছর বয়সী দুই মেয়ে রয়েছে। ছোট মেয়ের দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা ও চিকিৎসার বিপুল খরচে হতাশ হয়ে তিনি এই চরম পদক্ষেপ নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার দিন দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি হ্রদের পাড়ে যান এবং বড় মেয়েকে আইসক্রিম আনতে পাঠিয়ে সুযোগ বুঝে ছোট মেয়েকে পানিতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে যান। পানিতে পড়ার পর শিশুটি একটি বাঁশের খুঁটি আঁকড়ে ধরে চিৎকার শুরু করে। তা শুনতে পেয়ে বালকৃষ্ণ নামে এক পথচারী অন্যদের সতর্ক করেন। এরপর ফখরুদ্দিন নামের এক অটোরিকশাচালক গাড়ি থামিয়ে পানিতে ঝাঁপ দেন এবং মোহাম্মদ আফসার নামের এক ব্যবসায়ীর সহায়তায় তাকে নিরাপদে তীরে তুলে আনেন। টহলরত পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ওই মায়ের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে ডোমালগুদা থানা পুলিশ।  উদ্ধারকারী তিনজনের প্রশংসা করে পুলিশ কমিশনার সজ্জনার বলেন, বিপদে সাহায্য না করে মোবাইলে ভিডিও করার এই যুগে তাদের এই সাহসিকতা মানবতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
ভারতে অসুস্থ মেয়েকে হ্রদে ফেলে পালাল মা, অতঃপর...
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের বিশাল ফাঁদ পেতে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি এবং তাদের ডিভাইসে আড়িপাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের এই ভয়ংকর ফাঁদের শিকার হয়েছে পেন্টাগন, ন্যাটো এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থাগুলোও। 
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু বিপর্যয় এবং বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে থাকা পাকিস্তান ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) ২০২৬’-এ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর রেকর্ড করেছে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) ‘নো সিকিউরিটি উইদাউট ফুড সিকিউরিটি’ (খাদ্য নিরাপত্তা ছাড়া নিরাপত্তা নেই) শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে ক্ষুধা সূচকের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।  এটি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে ‘ওয়েল্টহাঙ্গারহিলফ’, রুহর ইউনিভার্সিটি বোখুমের ‘ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ল অব পিস অ্যান্ড আর্মড কনফ্লিক্ট’ এবং সুইজারল্যান্ডের সংস্থা ‘হেলভেটাস’। খবর দ্য ডনের। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা পরিস্থিতির অগ্রগতি ব্যাপকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের পর থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্যপণ্যের তীব্র মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং খাদ্যের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। দেশটিতে অপুষ্টির হার ২০১৮ সালের ‘নিম্ন’ স্তর থেকে বেড়ে ‘মাঝারি’ স্তরে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে শিশুদের তীব্র অপুষ্টির হার উচ্চ পর্যায়ের দিকে এগিয়েছে। পুরো দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই খাদ্য সংকট এখনও গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে, যার আঞ্চলিক স্কোর ২৩ দশমিক ৫। যদিও ২০০০ সালের অতি আশঙ্কাজনক ৩৭ দশমিক ৫ স্কোর থেকে পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হয়েছিল, তবে তার অধিকাংশ অগ্রগতিই ঘটেছে ২০১৮ সালের আগে।  ২০০০ সালের পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান অতি আশঙ্কাজনক স্তর থেকে নেমে কিছুটা উন্নতি দেখালেও এসব দেশে শিশুদের খর্বকায়তা এখনো অনেক বেশি। পাকিস্তানে শিশুদের খর্বকায়তার হার ধীরে ধীরে কমলেও ২০১৮ সালের পর থেকে আফগানিস্তানে এটি কিছুটা বেড়েছে। তবে দুটি দেশেই ২০০০ সালের অতি উচ্চ শিশু মৃত্যুর হার বর্তমানে মাঝারি স্তরে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় চরম খাদ্য নিরাপত্তার উচ্চ ঝুঁকি বজায় থাকবে। ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয়ভাবে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে গড় বৃষ্টির চেয়ে কম বৃষ্টিপাত এবং বাড়তি তাপমাত্রার কারণে আফগানিস্তানের ২০২৬ সালের শস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইরানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ২১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অপুষ্টির শিকার হয়েছেন, যা বৈশ্বিক মোট সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, প্রায় দুই দশকের অগ্রগতির পর আবারও বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের স্কোর দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১, যা ২০১৮ সালের ১৭ দশমিক ৬ স্কোরের চেয়ে খারাপ। ২০১৮ সালের পর থেকে বিশ্বের ৩২টি দেশে ক্ষুধা বেড়েছে এবং ৫৭টি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুদ্রতম স্তরের ক্ষুধা কমানোর লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারবে না। সূচকের চারটি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটি- অপুষ্টি, শিশুদের খর্বাকৃতি ও শিশুদের তীব্র অপুষ্টির অবনতি ঘটেছে। কেবল শিশু মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংঘাত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো এবং ঘন ঘন চরম আবহাওয়া সম্পর্কিত ঘটনা বৈশ্বিক এই অবনতির মূল কারণ। ইরানের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মানদাব প্রণালিতে নৌ-পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার কারণে জ্বালানি, পরিবহণ এবং সারের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ছে। পাশাপাশি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে রফতানি বিধিনিষেধের কারণে গমের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের দরিদ্র মানুষের কাছে মৌলিক খাদ্যপণ্যকে নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট আরও ঘনীভূত করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার অভাব। খাদ্য নিরাপত্তায় বৈশ্বিক ব্যয় ২০১৬-২০১৭ সালের স্তরে নেমে এসেছে, যার ফলে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ও জরুরি ত্রাণ বরাদ্দে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা।  ভবিষ্যতেও বিশ্বজুড়ে এই ধরনের চরম সংকট প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা এবং উপাত্ত সংগ্রহের বাজেটে দেওয়া কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বিশ্বের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। আরটিভি/এসআর
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করার পরপরই দুই শহরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার খবর জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স।
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
বড় অঙ্কের অর্থ জমা বা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নতুন কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
আরও পড়ুন
খুনের মামলায় ফিলাডেলফিয়া পুলিশের কাছে মিথ্যা তথ্য দিল এআই
৬৫ বছর পর ধরা পড়ল খুনি, ছিলেন পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা
কক্সবাজারে ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে হোটেলে, ফেরার পথে ধর্ষণ-খুন তাজমিন
খুন হওয়ার আগে বাবার মোবাইলে যে মেসেজ পাঠিয়েছিল তাজমিন