ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মিসরে ‘ফিল্মি স্টাইলে’ চলন্ত ট্রাক থেকে মুরগি চুরি, ভিডিও ভাইরাল 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে ‘ফিল্মি স্টাইলে’ ১০৫ কেজির বেশি হিমায়িত মুরগি চুরির ঘটনায় ছয় সদস্যের এক ডাকাত চক্রকে চিহ্নিত করেছে মিসরের পুলিশ। আস্তানায় পরিচালিত অভিযানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে চক্রটির ৩ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং বাকি ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।

মিসরের রাজধানী কায়রোর একটি মহাসড়কে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এই অদ্ভুত চুরির ঘটনা ঘটে। একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা থেকে প্রায় চার টন হিমায়িত মুরগি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিল ট্রাকটি। পথিমধ্যে চলন্ত অবস্থাতেই দ্রুতগতির ট্রাকটিকে লক্ষ্যবস্তু বানায় ডাকাত দলটি।

পেছন থেকে আসা এক গাড়িচালকের ধারণ করা ভিডিওতে পুরো ঘটনার রোমহর্ষক দৃশ্য ধরা পড়ে। তাতে দেখা যায়, একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে ডাকাত দল দ্রুতগতির রেফ্রিজারেটেড ট্রাটার একেবারে গা ঘেঁষে চলতে থাকে। একপর্যায়ে পিকআপের ওপর দাঁড়িয়ে চলন্ত অবস্থাতেই মূল ট্রাকের পেছনের দরজার লকার খুলে একের পর এক মুরগির বাক্স সরাতে থাকে তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটিকে বিখ্যাত হলিউড ছবি ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর দৃশ্য বলে মন্তব্য করেন নেটিজেনরা।

আরও পড়ুন

বিষয়টি নজরে আসার পর তদন্তে নামে মিসরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ট্রাকচালক পুলিশকে জানান, গতিপথে পেছনের তাণ্ডব সম্পর্কে তিনি কিছুই টের পাননি। গন্তব্যে পৌঁছে গণনার পর তিনি জানতে পারেন প্রায় ১০৫ কেজি হিমায়িত মুরগি গায়েব হয়ে গেছে।

মিসরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পূর্বে অপরাধের রেকর্ড থাকা ছয় সদস্যের একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্রকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে কায়রো ও কালিউবিয়া এলাকার গোপন আস্তানায় অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় অপরাধীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে পাল্টা জবাবে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

ঘটনাস্থলেই তিন সন্দেহভাজন নিহত হন এবং বাকি তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান, অগ্নেয়াস্ত্র এবং চুরি হওয়া মালামালের একাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র ডাকাতি ও পুলিশের ওপর হামলার মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পেছনে নিতে গিয়ে বাবার গাড়ির নিচে ৬ বছরের ছেলে, অতঃপর... 
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির সামনে গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় বাবার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ছয় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
পেছনে নিতে গিয়ে বাবার গাড়ির নিচে ৬ বছরের ছেলে, অতঃপর... 
ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্প!
তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের উপরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করতে চলেছে চিন। প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মেডোগ প্রকল্প নিয়ে ভারত শুরু থেকেই কৌশলগত ও পরিবেশগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।
ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্প!
জার্মানিতে মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্প্যাংডাহলেম বিমানঘাঁটির একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার প্রশিক্ষণ মহড়ার সময় অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে দুর্ঘটনার আগে পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
জার্মানিতে মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসিকে একটি ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যা দিয়ে এর সব সদস্যকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রভাবিত করা এবং পুলিশের চূড়ান্ত নথি থেকে নিজের নাম কাটার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিল ও ফৌজদারি তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা ওঠার ঘটনা এটিই প্রথম। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাঙ্ক প্লেইনসের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি নিহত নারীর পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি (বাংলাদেশি) সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ বাংলাদেশে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত ঘটনাটির শুরু হয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিস) এএফপির কাছে একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করে জানায়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা এক নারী বাংলাদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। রিপোর্টটি পাওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় খোঁজ শুরু হয়। তবে ঠিক তার পরদিনই বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, তারা বাংলাদেশে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত করা হয়, মৃত্যুটি স্বাভাবিক ছিল না এবং এটি একটি ‘সন্দেহজনক মৃত্যু’। অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের বিদেশে অবস্থানকালে হত্যা, অপমৃত্যু বা গুরুতর ক্ষতির শিকার হওয়ার ঘটনাগুলোর বিচারে অস্ট্রেলিয়ার ‘ক্রিমিনাল কোড’ বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির। এর ভিত্তিতে এএফপির বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সংস্থাটির নিজস্ব আলাদা একটি তদন্তকাজ শুরু করে, যা বাংলাদেশ পুলিশের চলমান তদন্তের পাশাপাশি আলাদাভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। দুই বছরের পরিকল্পনা ও ৯০ হাজার ডলার লেনদেন এএফপির গোয়েন্দা তদন্তে বেরিয়ে আসে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মোট প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ) বাংলাদেশে পাঠান। এই অর্থ পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মৃত্যুর ঘটনার মূল তদন্তকে নিজের অনুকূলে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে তাঁর নাম পুরোপুরি বাদ দেওয়া। তদন্ত জোরদার করতে এএফপির কর্মকর্তারা সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক তল্লাশি চালান। সে সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের গোপন রেকর্ড, ডিজিটাল ট্রানজেকশন তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বাজেয়াপ্ত করা হয়। দীর্ঘ দুই বছরের নজরদারি ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর, গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাঙ্ক প্লেইনস এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে একযোগে অভিযান চালায় এএফপির বিশেষ দল। অভিযানকালে ওই ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি তাঁর ঘর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০.২(১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অস্ট্রেলীয় আইন অনুযায়ী, এই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে। এএফপি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনে বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার দায়ে তাদের ইতিহাসে এ ধরনের মামলা প্রথম হলেও, অপরাধটির ভয়াবহতার বিচারে এটি একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘুষ ও দুর্নীতি দমনে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান এই তদন্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে এএফপির বৈদেশিক ঘুষ ও দুর্নীতি দমন-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’। এটি বহু বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ মাল্টিডিসিপ্লিনারি দল, যা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধে কাজ করে। এএফপি ‘ব্রাইবারি প্রিভেনশন নেটওয়ার্ক’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং সরকারি সংস্থার একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা ও সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে। ঘটনাটি নিয়ে এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা বিদেশে—যেকোনো জায়গাতেই বিচারিক বা তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এএফপি এ জাতীয় কর্মকাণ্ডকে বিন্দুমাত্র সহ্য করবে না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিই—বিশেষ করে যখন কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফল পরিবর্তন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। যারা অর্থ দিয়ে বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে বা প্রভাব খাটাতে চাইবে, তাদের আইনগত জবাবদিহির মুখোমুখি হতেই হবে।’ কমান্ডার জয় জানান, আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এএফপি নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। অস্ট্রেলীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নাম কাটাতে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটির বিপরীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্তটি এখনো শেষ হয়নি। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
আরও পড়ুন
তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদির প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হতে পারে মিসর: এরদোয়ান
মোবাইলে যেভাবে দেখবেন আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচ
মিসরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮