ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

চেয়ার চেয়েও গাড়ি সরু, ঢুকিয়ে রাখেন শোবার ঘরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

গাড়িটি চার চাকার। তবে চওড়ায় মাত্র ৫০ দশমিক ২ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট ৮ ইঞ্চির মতো। আমরা ঘরে বা কার্যালয়ে যে ধরনের প্লাস্টিক চেয়ার ব্যবহার করি, গাড়িটি তার চেয়েও সরু। এটি অনায়াসে দরজা দিয়ে শোবার ঘরের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব। অবশ্য গাড়িটি লম্বায় প্রায় ১১ ফুট।

এমন ‘অদ্ভুত–দর্শন’ যান তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন আন্দ্রেয়া মারাজ্জি। ইতালির এই নাগরিক পেশায় গাড়ির মেকানিক। তিনি সাধারণ একটি ফিয়াট পান্ডা গাড়িকে ‘কেটেকুটে’ সরু গাড়িটি নির্মাণ করেছেন। এটির নাম দিয়েছেন ‘পান্ডা পার উনো’ (পান্ডা ফর ওয়ান)।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মারাজ্জির মাথায় এমন একটি গাড়ি তৈরির ভাবনা আসে ২০২৪ সালে। পুরোনো গাড়ি ভাঙার বা অকেজো গাড়ি থেকে যন্ত্রাংশ আলাদা করার কাজ করে তার পরিবার। এই পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ১৯৯৩ মডেলের একটি পুরোনো ফিয়াট পান্ডা গাড়ি ভাঙার জন্য আনা হয়। ছোটখাটো গড়নের গাড়িটি ইতালির প্রাচীন শহরগুলোর সরু গলিতে চলাচলের জন্য বেশ জনপ্রিয়।

মারাজ্জি গাড়িটিকে লোহালক্কড় হিসেবে বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিবছর ইতালির পান্দিনো শহরে ফিয়াট পান্ডা গাড়ির বিশেষ প্রদর্শনী হয়। সেখানে গাড়িপ্রেমীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী কিছু হাজির করার ইচ্ছা থেকে তিনি ফিয়াট পান্ডা গাড়িটিকে সবচেয়ে সরু আকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

এরপর শুরু হয় পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ। প্রথমে গাড়ির দরজা ও দুই পাশের প্যানেল খুলে ফেলা হয়। এরপর মাঝখান থেকে গাড়ির কাঠামো কেটে দুই পাশের অংশ আবার জোড়া লাগানো হয়। এ কাজের সবচেয়ে কঠিন দিক ছিল গাড়ির দুই পাশকে একেবারে সমানভাবে কেটে জোড়া লাগানো। সামান্য এদিক-সেদিক হলে কাঠামো ঠিক রাখা কঠিন হতো। এরপর বনেট, ছাদ ও পেছনের দরজার জন্য নতুন করে বডি ও জানালা তৈরি করেন মারাজ্জি। পান্ডা পার উনোর প্রায় ৯০ শতাংশ অংশই এসেছে পুরোনো ফিয়াট পান্ডা থেকে।

নতুন গাড়ি সফলভাবে চালিয়ে দেখেছেন আন্দ্রেয়া। এটির ভেতরে রয়েছে ছোট একটি বৈদ্যুতিক মোটর ও ব্যাটারি। গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের আকার ছোট করা হয়েছে। হেডলাইট ও দিকনির্দেশক বাতিগুলো ঠিকঠাক কাজ করে।

অবশ্য গাড়িটির গতি বেশি নয়। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে এটি। বাঁক নেওয়ার সময় গাড়িটি খুব একটা স্থিতিশীলও নয়। তাই এটি দ্রুতগতিতে চালানোর অনুপযোগী।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এক বন্দুকধারীর চালানো গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু জেলায় এ ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে আটক করেছে পুলিশ বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে। মানিসা প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, তুরগুতলু জেলার একটি ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল হাইস্কুলের সামনে এ হামলা হয়। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ক জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাইস্কুল নামে ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সে তার দাদির বাড়ি থেকে নেওয়া একটি শটগান নিয়ে স্কুলের সামনে আসে। এরপর আশপাশে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে একজনকে স্কুলের কাছের একটি সড়কে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে। অন্য কয়েকটি ভিডিওতে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেন, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিচারমন্ত্রী গুরলেক আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে দুজন প্রধান কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলে ওই শিক্ষার্থীকে হয়রানি বা নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, সেই অভিযোগও তদন্ত করা হবে। তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মা-বাবা এবং তার দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অস্ত্রটির মালিক ছিলেন ওই দাদা। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা দ্রুত স্কুলে ছুটে যান। তবে পুলিশ স্কুল ভবনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিলে অভিভাবকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে তুরস্কের সংবাদপত্র জুমহুরিয়েত জানিয়েছে। ঘটনার পর তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় ‘আমাদের জাতি এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত’। ঘটনা তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় পর্যায়ের তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। চলতি বছর তুরস্কে আরও দুটি স্কুলে গুলির ঘটনার কয়েক মাস পর এই হামলা হলো। গত সপ্তাহে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় দেশটির সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল। এপ্রিল মাসে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে সাবেক এক শিক্ষার্থী গুলি চালায়। এতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করে। এর পরদিন কাছের কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলের দুটি শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায় ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। এতে আটজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হন। আহত হন আরও ১৩ জন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়। আরটিভি/এসআর
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
ভারতে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল বানর, অতঃপর...
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোপ্পাল জেলায় বাড়ির সামনে বানরের হামলায় ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।
ভারতে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল বানর, অতঃপর...
জামায়াতের ‘লং মার্চ’ স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে রাজধানী ইসলামাবাদমুখী লং মার্চ স্থগিত রাখতে জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজ নাঈমুর রহমানকে অনুরোধ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। একই সঙ্গে জ্বালানি কর নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদমুখী মার্চ নিয়ে জামায়াতের আমির মুলতানে পৌঁছানোর পর তাকে ফোন করেন শেহবাজ। এ সময় তিনি জামায়াতের ইসলামাবাদমুখী মার্চ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান। তবে লং মার্চ স্থগিত করা হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার জামায়াত ছাড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দলটির আমির। জবাবে হাফিজ নাঈম বলেন, সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বা সংঘাতের মুখে ফেলা জামায়াতের উদ্দেশ্য নয়। তবে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন এবং প্রতিবাদ করার অধিকার সরকারকে সম্মান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পরিষদ শুরার সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, সরকারের অনুরোধে মার্চ স্থগিত করা হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার জামায়াত ছাড়বে না। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বলছে, পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে হাফিজ নাঈমের নেতৃত্বে জামায়াতের ট্রেন মার্চ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মুলতানে পৌঁছায়। সেখানে রেলস্টেশনে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ট্রেনটি চার ঘণ্টা দেরিতে মুলতানে পৌঁছেছে। তবে এই বিলম্বও সমর্থকদের মার্চকে স্বাগত জানাতে আসা ঠেকাতে পারেনি। হাফিজ নাঈম বলেন, ‘যারা ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা মুলতানে আমাদের স্বাগত জানাতে কত মানুষ বেরিয়ে এসেছে, তা দেখুক।’ বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন শহর ও জনপদেও একইভাবে মানুষ জামায়াতের এই মার্চকে স্বাগত জানাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এখন এই মার্চ দক্ষিণ পাঞ্জাব হয়ে মধ্য পাঞ্জাবে যাবে বলেও জানান তিনি। সরকারের উদ্দেশে পাকিস্তান জামায়াতের আমির বলেন, রাস্তায় কনটেইনার ফেলে, বাধা দিয়ে এই মার্চ থামানো যাবে না। পেট্রোলিয়াম লেভির মধ্যে থাকা কথিত ‘চাঁদাবাজির কর’ প্রত্যাহার এবং জনগণকে স্বস্তি দেয়ার দাবি জানান তিনি। জামায়াতের আমির বলেন, তারা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরছেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো রাজনৈতিক দলগুলো যথাযথভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ভোক্তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপের উদাহরণ হিসেবে গম, আটা ও চিনির দাম বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন তিনি। হাফিজ নাঈম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আটা ও চিনি ব্যবসায়ীদের প্রভাব রয়েছে। চিনি আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারের নীতিতে অসঙ্গতি রয়েছে বলেও সমালোচনা করেন তিনি। স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি নিয়েও জামায়াতের আগের আন্দোলনের কথা তুলে ধরেন তিনি। ওই ক্ষেত্রেও দলটি জনগণের স্বার্থ তুলে ধরেছিল বলে দাবি করেন জামায়াতের আমির। সংবাদমাধ্যম বলছে, গত রোববার পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে করাচি থেকে লং মার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী। পরে ট্রেন ও সড়কপথে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই আন্দোলন ইসলামাবাদের দিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি দলটি দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভও করেছে। এর আগে দাবিগুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে জামায়াত। এদিকে মুলতানে পৌঁছানোর পর জামায়াতের এই বহর লাহোরের দিকে যাওয়ার কথা রয়েছে। এরপর লং মার্চের শেষ ধাপে ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হবেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। আরটিভি/এসআর
জামায়াতের ‘লং মার্চ’ স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
ভারতে মুসলিমদের নিয়ে বিজেপি নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালে এক জনসভায় বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মা কথিত ‘লাভ জিহাদ’ (হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করার কাল্পনিক অভিযোগ) অজুহাতে বলেছেন, মুসলিম যুবকদের একা একা গরবা অনুষ্ঠানে আসা উচিত নয়। তারা যদি আসতেই চায়, তবে নিজেদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসুক। আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে। বিধায়কের এই কথার পরেই সভাস্থলে থাকা তার সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভারতের রাজনৈতিক মহলে ঝড় উঠেছে।  ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং এআইএমআইএম এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে চরম ধর্মীয় মেরুকরণ সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কুরুচিকর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও নেটিজেনরা বিধায়কের এই বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন।  তাদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নারীদের সম্মানকে কার্যত সামাজিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এক কুরুচিকর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা চরম লিঙ্গবৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর। ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রামেশ্বর শর্মার এই মন্তব্য অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য। আমি কেবল এটুকুই বলব—নিজের স্বভাব শুধরে নিন। মুখ থেকে এমন নোংরা কথা উগড়ানো বন্ধ করুন। প্রথমত, সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না, গরবার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা চরম আপত্তিকর। অন্যদিকে, এআইএমআইএম-এর মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খান তীব্র আক্রমণ চালিয়ে বিধায়ককে দেশের সংবিধান পড়ার পরামর্শ দেন।  তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরণের উসকানিমূলক বক্তব্য দেশ ভাগ করার চক্রান্ত। রামেশ্বর শর্মা যদি মুসলমানদের নিজেদের বোন ও মেয়েদের গরবায় আনার কথা বলেন, তবে বিজেপির নিজস্ব মুসলিম নেতারা—যেমন শাহনেওয়াজ হোসেন বা সৈয়দ জাফর ইসলামরা কি তাদের নিজেদের বোন-মেয়েদের গরবা অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবেন? আরটিভি/এসআর
ভারতে মুসলিমদের নিয়ে বিজেপি নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
‘এটা কি আইফোন ১৮?’, জিজ্ঞেস করেই নারীর ফোন নিয়ে পালালো ছিনতাইকারী
ভারতের গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্টে ই-রিকশায় চেপে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় এক নারীর হাত থেকে ৩ দিন আগে কেনা আইফোন ছিনতাই করেছে দুই ছিনতাইকারী।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। ভুক্তভোগী শুভি ভান্ডারি ই-রিকশার ভাড়া অনলাইনে পরিশোধ করার জন্য ফোনটি হাতে বের করলে, হেলমেট পরা দুই বাইক আরোহী তার কাছে আসে। প্রথমে তারা রাস্তার দিক জানতে চায় এবং পরে ‘এটা কি নতুন আইফোন?’ বলে প্রশ্ন করে। শুভি ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার পরপরই একজন তার হাত থেকে ফোনটি থাবা মেরে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। শুভির স্বামী সাকেত গুপ্ত জানান, আইফোন ১৮ প্রো মডেলের ফোনটি মাত্র ৩ দিন আগে কেনা হয়েছিল। ঘটনার পর পরিবারটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং সকালে প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশি টহল কম থাকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভুক্তভোগীর বাবার আবেদনের ভিত্তিতে একটি অনলাইন এফআইআর নথিবদ্ধ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। বিসরাখ থানার ওসি রঞ্জিত সিং জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
‘এটা কি আইফোন ১৮?’, জিজ্ঞেস করেই নারীর ফোন নিয়ে পালালো ছিনতাইকারী
আরও পড়ুন
মুক্তির আগেই গিনেস বুকে আল্লু অর্জুনের ‘রাকা’
মিলানের ‘রেডি টু শো’ মেলায় বাংলাদেশের ১৪ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
হামলার ঘটনায় ইতালিতে মামলা করলেন অভিনেত্রী বাঁধন
ইতালিতে কারও শরীরে পানি বা তরল ছুড়ে মারলে শাস্তি কী