ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মিসরে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক. আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৩৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মিসরের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য নাইল’ দিয়েছে মিসর।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানান, শারম আল শেখে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে ট্রাম্পের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

মিসর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

মিসরে শান্তি সম্মেলনে ট্রাম্প ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। এতে ২০টির বেশি দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্প্রতি গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজে বের করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

‘অর্ডার অব দ্য নাইল’ হচ্ছে খাঁটি সোনার তৈরি একটি কলার, যাতে ফারাও যুগের নকশা খোদাই করা থাকে। এটি সমৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়িত্ব ও অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এক শতাব্দীর বেশি সময় আগে চালু হওয়া এই পুরস্কার মিসরের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে পরিচিত, যা খুব অল্পসংখ্যক বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, জর্ডানের রাজা হুসেইন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা এবং স্পেনের রাজা ফেলিপ-ষষ্ঠ। ট্রাম্প হচ্ছেন দ্বিতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি এই সম্মান পেলেন।

এর আগে, ১৯৭৯ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পাদনের জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

এ ছাড়া, মিসরের নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী আহমেদ জুয়েইল, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেই, সাহিত্যিক নাগিব মাহফুজ এবং প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতও এই সম্মাননা পেয়েছেন।

আরটিভি/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিলো ইসরায়েল
বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক সাহসী ও বিতর্কিত পদক্ষেপ নিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া সোমালিল্যান্ডকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এই ঐতিহাসিক ঘোষণার মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৩ বছরের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটাতে যাচ্ছে লোহিত সাগরের তীরের এই অঞ্চলটি। খবর আল জাজিরার।  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘আব্রাহাম চুক্তি’র আলোকেই এই পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই দুই দেশ একে অপরের রাজধানীতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও দূতাবাস খোলার প্রক্রিয়া শুরু করবে। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানিয়েছেন, দুই সরকারের মধ্যে প্রায় এক বছর ধরে চলা দীর্ঘ আলোচনার ফলশ্রুতিতে এই যৌথ ঘোষণাপত্র সই হয়েছে। সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহামেদ আবদুল্লাহি ভিডিও কলে নেতানিয়াহুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন যে, তার দেশ আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আরও পড়ুন তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ইসরায়েলের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সোমালিয়া সরকার। তারা একে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে। মিশর, তুরস্ক ও জিবুতির মতো দেশগুলোও সোমালিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। মিশরীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অংশকে আলাদা স্বীকৃতি দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং এটি একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ সৃষ্টি করবে। আফ্রিকান ইউনিয়নও এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, একসময়ের ব্রিটিশ শাসিত সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ায় পূর্ব আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। গত তিন দশকে সোমালিয়া যখন গৃহযুদ্ধে জর্জরিত ছিল, তখন সোমালিল্যান্ড নিজস্ব সংসদ, সোনা ও মুদ্রার মান এবং পতাকা নিয়ে তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাইওয়ানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলেও কোনো পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি পায়নি। ইসরায়েলের এই একক সিদ্ধান্তের পর এখন সবার নজর ওয়াশিংটনের দিকে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ অনেক রিপাবলিকান সিনেটর দীর্ঘদিন ধরে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে কথা বলে আসছেন। ইসরায়েলের এই পথ ধরে ইউরোপ বা আমেরিকার অন্য কোনো মিত্র দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। আরটিভি/এআর 
বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিলো ইসরায়েল
বড়দিনে ট্রাম্পের নির্দেশে নাইজেরিয়ায় ভয়ংকর হামলা
আফ্রিকার জনবহুল দেশ নাইজেরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আস্তানায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিনের রাতে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে এই হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলাকে ‘মরণঘাতী’ হিসেবে বর্ণনা করে জঙ্গিদের ‘সন্ত্রাসী আবর্জনা’ বলে অভিহিত করেছেন। নাইজেরিয়া সরকারের সাথে যৌথভাবে পরিচালিত এই অভিযানে বেশ কয়েকজন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।  প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, এই গোষ্ঠীটি মূলত নিরীহ খ্রিস্টানদের লক্ষ্য করে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসবাদকে কোনোভাবেই বাড়তে দেব না।  তবে নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ মাইতামা তুগার জানিয়েছেন, এটি একটি নিয়মিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ছিল এবং এর সাথে কোনো বিশেষ ধর্মের সম্পর্ক নেই। নাইজেরিয়ার দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই বেশ কিছুদিন ধরে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আরও পড়ুন জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৫ নাইজেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম জাবোর বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ একটি বিকট বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। অনেকে ভেবেছিলেন কোনো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফসলের মাঠে আগুনের কুণ্ডলী জ্বলছে এবং উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় করছে।  স্থানীয়রা কেউ কেউ দাবি করেছেন যে সেখানে কোনো আইএস যোদ্ধা ছিল না, তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত করেছে যে ওই এলাকায় নতুন করে ‘লাকুরাওয়া’ নামক একটি আইএস সমর্থিত গোষ্ঠী তাদের শক্ত ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করছিল। এদিকে পেন্টাগন থেকে যখন এই হামলার ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছিল, তখন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মেরি ক্রিসমাস’ লিখে পোস্ট দেন, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন অনেকে।  তবে অনেক মানবাধিকার কর্মী মনে করছেন, এই হামলা নাইজেরিয়ার মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে স্থানীয় আইনপ্রণেতা বাশার ইসাহ জাবো দাবি করেছেন, মার্কিন মিসাইলটি একটি হাসপাতালের মাত্র ৫০০ মিটারের মধ্যে পড়েছে, যা বেসামরিক জানমালের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বড় সামরিক হস্তক্ষেপ। এর আগে গত সপ্তাহে সিরিয়াতেও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।  আরটিভি/এআর 
বড়দিনে ট্রাম্পের নির্দেশে নাইজেরিয়ায় ভয়ংকর হামলা
তানজানিয়ার পাহাড়ে পর্যটকবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৫
তানজানিয়ার বিখ্যাত মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোতে উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে এক ভয়াবহ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই হৃদয়বিদারক খবরটি নিশ্চিত করেছে। পাহাড়ের প্রায় ৪ হাজার ৭০০ মিটার উঁচুতে ঘটা এই দুর্ঘটনায় আরোহীদের কেউই প্রাণ রক্ষা করতে পারেননি। খবর আনাদোলু এজেন্সির। কিলিমানজারো আঞ্চলিক পুলিশ কমান্ডার সাইমন মাইগওয়া জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। পাহাড় আরোহণ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া কয়েকজন পর্যটককে উদ্ধারের লক্ষ্যেই হেলিকপ্টারটি যাত্রা করেছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই যান্ত্রিক ত্রুটি বা বিরূপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে এটি বিধ্বস্ত হয়। আরও পড়ুন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে লিবিয়ার সেনাপ্রধান নিহত দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে রয়েছেন একজন দক্ষ পাইলট, একজন অভিজ্ঞ গাইড, একজন চিকিৎসক এবং দুজন বিদেশি পর্যটক। তবে নিহত পর্যটকদের জাতীয়তা বা পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।  কিলিমাঞ্জারোর মতো উঁচুতে দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়া এবং বাতাসের গতিবেগ উদ্ধার কার্যক্রমকে চরমভাবে ব্যাহত করছে। ঘটনার পরপরই বিশেষ উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার পর্যটকের পদভারে মুখরিত থাকে। উচ্চতাজনিত অসুস্থতা বা শারীরিক আঘাতের শিকার পর্বতারোহীদের জন্য হেলিকপ্টার উদ্ধারই সেখানে একমাত্র ভরসা। কিলিমানজারোর ইতিহাসে এমন বিমান দুর্ঘটনা খুবই বিরল। এর আগে ২০০৮ সালে এখানে শেষবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। ১৭ বছর পর আবারও এমন ট্র্যাজেডিতে বিশ্ব পর্যটন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরটিভি/এআর 
তানজানিয়ার পাহাড়ে পর্যটকবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৫
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে লিবিয়ার সেনাপ্রধান নিহত
তুরস্ক থেকে ফেরার পথে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে লিবিয়ার সেনাপ্রধান আল-হাদ্দাদসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবদুলহামিদ দবেইবা।  মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। আল-হাদ্দাদের সঙ্গে নিহতদের মধ্যে রয়েছেন স্থলবাহিনীর চিফ অব স্টাফ, সামরিক শিল্প কর্তৃপক্ষের প্রধান, সেনাপ্রধানের একজন উপদেষ্টা এবং সামরিক মিডিয়া অফিসের একজন আলোকচিত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী দবেইবা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি অত্যন্ত বেদনাবিধুর মন নিয়ে এই দুঃসংবাদ পেয়েছেন। তিনি আল-হাদ্দাদ ও তার প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জাতি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ফেরার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। লিবিয়া এমন সব মানুষকে হারাল যারা নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও জাতীয় দায়বদ্ধতার সঙ্গে দেশের সেবা করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবার, সামরিক সহকর্মী এবং সমগ্র লিবিয়ান জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এর আগে, তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া জানান, আঙ্কারা থেকে লিবিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা একটি প্রাইভেট জেটের ধ্বংসাবশেষ আঙ্কারার হায়মানা জেলায় পাওয়া গেছে। ওই জেটে লিবিয়ার সেনাপ্রধান আল-হাদ্দাদ উপস্থিত ছিলেন। ইয়েরলিকায়া জানান, আঙ্কারার এসেনবোবা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের অল্প সময়ের মধ্যেই জেটটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফ্যালকন–৫০ মডেলের এই বিজনেস জেটটি (স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১০ মিনিটে ত্রিপোলির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। রাত ৮টা ৫২ মিনিটে এটির সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়। মন্ত্রী আরও জানান, আঙ্কারার দক্ষিণে হায়মানা জেলার কাছে বিমানটি জরুরি অবতরণের সংকেত পাঠিয়েছিল। তবে সেই প্রাথমিক সংকেতের পর আর কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বিমানে আল-হাদ্দাদসহ মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন। তুর্কি গণমাধ্যম এনটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর আকাশসীমায় ওই প্রাইভেট জেটটির সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ হারিয়ে যায়। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এসেনবোবা বিমানবন্দর থেকে একাধিক ফ্লাইট অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া হয়। আরটিভি/কেএইচ
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে লিবিয়ার সেনাপ্রধান নিহত
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলা, নিহত ১০
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরের অদূরে একটি পৌরসভায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১টার ঠিক আগে জোহানেসবার্গ থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বেকারসডাল এলাকায় এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। খবর এনডিটিভির।  বার্তা সংস্থা এএফপিকে পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুকধারীরা রাস্তায় আকস্মিক আক্রমণ চালিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। গাউতেং প্রদেশের পুলিশের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার ব্রেন্ডা মুরিডিলি জানান, হামলার সঠিক কারণ বা হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। বেকারসডাল এলাকাটি মূলত কয়েকটি বড় সোনা খনির কাছে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে সবসময় জনসমাগম থাকে। আরও পড়ুন শোষণের বদলে কার্বন ছড়াচ্ছে আফ্রিকার বনগুলো প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একটি বারের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করা হচ্ছিল এমন একটি স্থানে বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। গুলির শব্দে মুহূর্তেই এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলাকারীরা কোনো কথা না বলেই সাধারণ পথচারী ও আড্ডারত লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। উল্লেখ্য, ৬ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় অপরাধের হার এবং সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বেকারসডালের এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগে, গত ৬ ডিসেম্বর রাজধানী প্রিটোরিয়ার কাছে একটি  হোস্টেলে বন্দুকধারীরা হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছিল। আরটিভি/এআর 
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলা, নিহত ১০
আরও পড়ুন
নিজ বাসভবনে হামলার খবর পুতিনই ফোনালাপে জানিয়েছেন: ট্রাম্প
ইউক্রেনকে ১৫ বছরের ‘নিরাপত্তা গ্যারান্টি’ ট্রাম্পের
ট্রাম্প সমর্থিত ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আফসুরা হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা ট্রাম্পের