ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বতসোয়ানার নারীকে মুক্তি দিয়েছে ঢাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
লেসেদি মোলাপিসি : ছবি সংগৃহীত

বতসোয়ানা সরকার জানিয়েছে, মাদক পাচারের মামলায় বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তাদের এক নাগরিক মুক্তি পেয়েছেন। এর ফলে তার নিজ দেশে ফেরার পথ তৈরি হয়েছে।

এক বিবৃতিতে বতসোয়ানার সরকার জানিয়েছে, লেসেদি মোলাপিসি নামে ৩৩ বছর বয়সী ওই নারী ২০২২ সালে ঢাকায় গ্রেপ্তার হন। বতসোয়ানা কর্তৃপক্ষের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ডুমা বোকোর করা এক আবেদনের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এএফপিকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনিও বুতালে বলেছেন, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) লেসেদির দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।

লেসেদি মোলাপিসি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে এসেছিলেন। ওই সময় তার কাছে হেরোইন পাওয়া যায়। এ অপরাধে ২০২৪ সালে তার মৃত্যুদণ্ড হয়।

বতসোয়ানা জানিয়েছে, প্রতিবেশী দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতে থাকা তাদের কূটনৈতিক মিশনগুলো মামলাটি নিয়ে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ছিল ২ হাজারের বেশি। ওই বছর নতুন করে ১৮৫টি মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান
নিষেধাজ্ঞা, চাপ কিংবা সামরিক শক্তি প্রয়োগের মুখে ইরান কখনোই মাথা নত করবে না এবং দেশটিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরের কাছে একটি আবাসিক ভবনে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা এক নারীসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। 
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১
সোনার খনি ধসে সুদানে ৮২ জন নিহত
আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৮২ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোনার খনি ধসে সুদানে ৮২ জন নিহত
দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের মহাসড়কে একাধিক যানবাহনের (দু’টি মিনিবাস ট্যাক্সি ও একটি এসইউভি) মধ্যে সংঘর্ষে ২১ জন নিহত হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১
কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, শিশুসহ নিহত ২৪
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় বুকাভু শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে পালাতে গিয়ে অন্তত ১৪ শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বুকাভু শহরের বাগিরা এলাকার ‘উজামা প্রাথমিক স্কুলে’ ক্লাস চলাকালীন সময়ে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়ে, ক্লাস চলাকালীন হুট করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। পুরো স্কুলটি কাঠের তৈরি হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ক্লাসরুমে ধোঁয়ায় দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রাণ বাঁচাতে ছাত্র-ছাত্রীরা ভবনের ওপর তলা থেকে নিচে লাফ দিতে শুরু করে। স্কুলটির এক শিক্ষক সাইমন কাসামিরা চিকিৎসারত অবস্থায় জানান, ক্লাস চলার সময় হঠাৎ শিক্ষার্থীদের চিৎকার শুনতে পাই। কেউ ওপরের তলা থেকে নিচে লাফ দিচ্ছিল, আবার কেউ মূল দরজা দিয়ে বাইরে পালানোর চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশ থেকে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের খোঁজে ছুটে আসেন। দেখতে দেখতে পুরো কাঠের ভবনটি আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের পর পর তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা ও পদদলনের ঘটনা। স্থানীয় নেতা প্যাট্রিস বুদুগে জানান, আগুনের ভয়াবহতায় শিশুরা হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে একে অপরকে মাড়িয়ে যায়। এতে অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় শুধু স্কুলই নয়, আশপাশের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক হিসাবে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে এবং মোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।  পরবর্তীতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম২৩ (M23) এক বিবৃতিতে জানাই, এ ঘটনায় ১৯ জন মেয়ে ও ৫ জন ছেলেসহ মোট ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে বর্তমানে ২৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিকটস্থ একটি ক্লিনিকের নার্স ক্রিস্টোফ জিগাশানে জানান, আমাদের এখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই চারজন এবং হাসপাতালে আনার পর ১০ জনের মৃত্যু হয়। নিহত ১৪ জন শিশুর সবার বয়সই ১০ বছরের নিচে। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ২৭ জনকে শহরের অন্যান্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কঙ্গোর এই পূর্বাঞ্চলীয় শহর বুকাভু পাহাড়ঘেরা এবং এখানকার অধিকাংশ ঘরবাড়ি কাঠ দিয়ে তৈরি। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে এখানে প্রায়ই মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড ঘটে।  এর আগে গত অক্টোবরেও এক অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু। শহরটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতি থাকায় সহজেই এসব আগুন মারাত্মক আকার ধারণ করে। আরটিভি/এসআর
কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, শিশুসহ নিহত ২৪
আরও পড়ুন
রাশিয়ার কারাগারে ধরা পড়ল ‘মাদক পাচারকারী’ বিড়াল
রাশিয়ায় বিড়াল দিয়ে কারাগারে মাদক পাচারের চেষ্টা