ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে এবার এআইকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়ে একটি ভবন গুঁড়িয়ে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। পুরনো ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর শুধু মানুষের কাজ সহজ করছে না। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে দমনের পাশাপাশি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক নিয়ন্ত্রণ নিতেও এর ব্যবহার বাড়ছে। গাজায় রক্তক্ষয়ী ধ্বংসযজ্ঞের পর এবার অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করছে ইসরায়েল।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের সংবাদমাধ্যম পালডিজিটালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলের এই উদ্বেগজনক তৎপরতার চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীদের বরাতে জানা যায়, ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও কৃষি জমিতে কড়া নজরদারি রাখতে ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রাফায়েলের তৈরি এআই চালিত বিশেষ প্রযুক্তি ‘ইমিসাইট’ ব্যবহার করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট ও ড্রোন থেকে পাওয়া উচ্চমানের ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে বিশাল এলাকার ভূমির সামান্যতম পরিবর্তনও অতি দ্রুত শনাক্ত করে ফেলছে ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর অনুমোদনহীন নির্মাণের অজুহাত দিয়ে দ্রুত বুলডোজার পাঠিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা ঘরবাড়ি ও কৃষি অবকাঠামো।

এই প্রযুক্তিটি প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমিতে বসবাসকারী বেদুইন ফিলিস্তিনিদের ওপর। সেখানে সাফল্যের পর এখন নতুন গঠিত 'ইসরায়েল ল্যান্ড অথরিটি'র বিশেষ ইউনিটের মাধ্যমে পুরো পশ্চিম তীরে এটি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি ও ফিলিস্তিনি রাজনীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ খালেদ সাফি ও ফিলিস্তিনি ভূমি প্রতিরোধ কমিশনের তথ্য কর্মকর্তা আমির দাউদ জানান, উপগ্রহের ভেতরেই এআই চালিত ‘এজ কম্পিউটিং’ প্রযুক্তির সাহায্যে পরিবর্তনগুলো তাৎক্ষণিকভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আগে মানবসম্পদ দিয়ে তথ্য যাচাই ও উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় যে কাজ করতে মাসের পর মাস সময় লাগত, এখন এআইয়ের সংকেতে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই উচ্ছেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের পর ফিলিস্তিনিদের স্থাপনা ধ্বংসের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। । আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল ও পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসেই অননুমোদিত নির্মাণের অজুহাতে পশ্চিম তীরের ‘এরিয়া সি’ ও পূর্ব জেরুজালেমে ১ হাজার ২৮০টিরও বেশি ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ও পানির সংযোগ গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ফিলিস্তিনিদের সামান্যতম সংস্কার কাজ এআই দিয়ে নজরদারি করে ধ্বংস করা হলেও ঠিক বিপরীত চিত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্ষেত্রে। তাদের অবৈধ আউটপোস্ট সম্প্রসারণে বিপুল অর্থ ও সরকারি অবকাঠামোগত সুবিধা জোগাচ্ছে ইসরায়েল সরকার।

ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, পুরো পশ্চিম তীরকে মূলত নিজেদের নতুন এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরায়েল, যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক বাজারে অস্ত্র ও প্রযুক্তির ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরা হবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংসের দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশা এবং মাঝারি থেকে ভারী বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এ আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে রেড ও অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। রোববার (১ নভেম্বর) এক সতর্কবার্তায় এনসিএম জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের কিছু অংশে দুটি রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অন্যান্য অংশে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার ক্ষেত্রে রেড অ্যালাটের মানে হল গুরুতর আবহাওয়াজনিত বিপদের সতর্কতা, আর অরেঞ্জ অ্যালার্ট মানে সম্ভাব্য বিপজ্জনক আবহাওয়ার আগাম সতর্কতা। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নর্দান বর্ডার, হাইল, মক্কা, আসির, আল-বাহা ও জাজান অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি বৃষ্টিপাতের জন্য ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, হাইল এবং নর্দার্ন বর্ডারস অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় হতে পারে। একইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এসব অঞ্চলের পাশাপাশি রিয়াদ ও আল-কাসিমের কিছু এলাকায় ধুলো ও বালুঝড় সৃষ্টিকারী প্রবল বায়ু ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে। আরটিভি/এসআর
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাজতে শুরু করেছে যুদ্ধের দামামা। তবে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক হবে বলে সতর্ক করেছে মিশর।   
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে কাতার ও তুরস্কের মতো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই দাবিকে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার চেষ্টা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধী শিবিরের গাদি আইজেনকট।  এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরব দলগুলোর প্রাপ্ত তহবিলের উৎস খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে উড়িয়ে দিয়েছে।  দোহার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে দেশটি। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে এটা স্পষ্ট-নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট, কোনো পক্ষ পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।  আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সব সমীকরণ পাল্টে গেছে। ১২০ আসনের নেসেটে দুটি আরব দলের জোট জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এমন ফলাফলে আরব দল দুটি এখন সরকার গঠনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহের তদন্ত করতে শিন বেইতকে অনুরোধ জানান কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (সিইসি) প্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার লিকুদ পার্টি অভিযোগ তোলে যে আরব দলগুলোকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হয়েছে। দুটি আরব দলই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবদের জোট জয়েন্ট লিস্ট এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। নেতানিয়াহুর সমালোচকেরা এই পুরো বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বৈধতা নষ্ট করতে চাইছেন। যাতে আইজেনকট তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা করতে না পারেন। কারণ, বর্তমানে আরবদের সমর্থনই বিরোধী জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে একটি অভিযোগ আসে যে আরব এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাতার তহবিল জুগিয়েছে। তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে। নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ এই অভিযোগকে রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি-কট্টর ডানপন্থী সরকারকে হটাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শিন বেইত পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই তদন্ত বৈধভাবে ভোট দেওয়া পুরো আরব সম্প্রদায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্তের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর আইজেনকট জানান, ঠিক কী ঘটেছে বা আদৌ কিছু ঘটেছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে অবৈধ প্রমাণ করতে নেতানিয়াহু সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। জয়েন্ট লিস্টের শরিক দল বালাদের চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদেহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। পরাজিত পক্ষ বর্ণবাদী মিথ্যা অপবাদ তৈরি করছে এবং নির্বাচনের ফল উল্টে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বলপ্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে বলে দাবি তার। নেতানিয়াহু কয়েক দিন ধরে আরব ভোটার ও দলগুলোর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে আসছেন। নির্বাচনের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ডানপন্থীদের জন্য চরম জরুরি অবস্থা এবং এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রশ্ন। ডানপন্থী সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আরব ভোটারদের ছবিও প্রকাশ করেন। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাদের অনেকে নিজেদের ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন। বহুবছর ধরে অনেক আরব ভোটাররা ইসরায়েলের নির্বাচন বর্জন করে আসছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল-ভোট দিলে এমন একটি ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এবার নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী জোট সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেই তারা বিপুলসংখ্যক ভোট দিয়েছেন। আরটিভি/এসআর  
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পাঠ প্রতিযোগিতা ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিসরের ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়ার ওসমান।
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরও পড়ুন
ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী বাংলা উইকিসম্মেলন
এআই দিয়ে উপন্যাস লিখে পুরস্কার ও প্রকাশক দুটোই হারালেন জনপ্রিয় লেখক
ছয় মাসে ৮০ বিলিয়ন ডলার লোকসান এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের
৩০ সেকেন্ডে বুঝবেন ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি কি না