ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

৩১ বছর বয়সেই ১২টি উচ্চতর ডিগ্রি, থামছেন না জেমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
৩১ বছর বয়সেই বিশ্বের বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন নিউজিল্যান্ডের উদ্যোক্তা জেমি বিটন। ছবি: সংগৃহীত

বয়স মাত্র ৩১ বছর। এরই মধ্যে হার্ভার্ড, ইয়েল, অক্সফোর্ড, স্ট্যানফোর্ডসহ বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২টি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন নিউজিল্যান্ডের উদ্যোক্তা জেমি বিটন। তবে এতগুলো ডিগ্রি অর্জনের পরও থামছেন না তিনি। বর্তমানে আরও একটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পথে রয়েছেন।

জেমি অকল্যান্ডে বেড়ে উঠেছেন। তার অসাধারণ শিক্ষাজীবনের খবর সামনে আসে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষকের মাধ্যমে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে জেমি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিতে অনুপস্থিত থাকলে শিক্ষক লিসা বেলকিন তার খোঁজ নেন।

জেমি জানান, তিনি ভুল করে শ্রেণির সময়সূচি গুলিয়ে ফেলেছিলেন। তখন তিনি নিউজিল্যান্ডে ছিলেন এবং অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোক্তা বিষয়ে একটি কোর্স পড়াচ্ছিলেন। পরের সপ্তাহেই নিউইয়র্কে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার।

জেমির বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে ওই শিক্ষক জানতে পারেন তার বিস্ময়কর শিক্ষাজীবনের কথা। ২০১৬ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক শেষ করেন জেমি। একই সময়ে প্রয়োগিক গণিত ও অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও অর্জন করেন তিনি।

এরপর স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেন। পরে রোডস বৃত্তি নিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জননীতি বিষয়ে পিএইচডি করেন। এসব ডিগ্রির বেশির ভাগই ২৮ বছর বয়সের আগেই অর্জন করেন তিনি।

এরপরও পড়াশোনা থামেনি। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, তিসিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কিংস কলেজ লন্ডন, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, ডার্টমাউথ কলেজ ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি নামী প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন তিনি।

জেমির শিক্ষাজীবনের বিষয়ও বেশ বৈচিত্র্যময়। গণিত, অর্থনীতি, ব্যবসা, আইন, জননীতি, অর্থব্যবস্থা, শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, স্বাস্থ্যনীতি ও সাংবাদিকতার মতো বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি।

সম্প্রতি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করেছেন জেমি। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল নিউজিল্যান্ডের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স, নিউ জিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি এবং দেশটির রাজনীতিতে জনতাবাদী জাতীয়তাবাদের ভবিষ্যৎ।

বর্তমানে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যবিজ্ঞান বিষয়ে আরও একটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করছেন তিনি। ভারত সফরের সময়ও এই পড়াশোনার সেমিস্টার শেষের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছিলেন জেমি।

এতগুলো ডিগ্রি অর্জনের কারণে প্রশ্ন উঠেছে, জেমি কি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত ব্যক্তি হওয়ার পথে এগোচ্ছেন?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্জামিন বোলগার ৫০ বছর বয়সে ১৬টি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর মাইকেল নিকোলসনের ডিগ্রির সংখ্যা ৩০টির বেশি। ফলে জেমির সামনে আরও অনেক দূর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে পড়াশোনাই জেমির একমাত্র কাজ নয়। কিশোর বয়সেই তিনি শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্রিমসন এডুকেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের বাছাই করা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি ও আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

জেমির পেশাগত পরিচিতিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে। তার দীর্ঘ শিক্ষাজীবন নিয়ে নানা রসিকতা ও আলোচনা রয়েছে। এমনকি তাঁকে ‘লিংকডইনের থ্যানোস’ নামেও ডাকা হয়।

তবে জেমি জানিয়েছেন, শুধু নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নিজের জীবনবৃত্তান্তে যোগ করার জন্য তিনি এতগুলো ডিগ্রি নিচ্ছেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম পাঁচটি ডিগ্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দক্ষতা অর্জনই ছিল মূল লক্ষ্য। এরপর থেকে নিজের বিভিন্ন আগ্রহ ও কৌতূহল অনুসরণ করেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ক্রিমসন এডুকেশনের চেয়ারম্যান ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার জন কি জেমির শিক্ষাজীবন নিয়ে রসিকতা করে তাকে দেশটির বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ডের পরেই স্থান দেওয়ার কথা বলেছেন। অবশ্য তিনি এটিও বলেন, পরমাণু বিভাজনের সঙ্গে যুক্ত রাদারফোর্ডকে এই তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া কঠিন।

জেমির ক্ষেত্রে কোনো ডিগ্রিই যেন শেষ নয়। একটি পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই শুরু হয়ে যাচ্ছে আরেকটি। ফলে ভবিষ্যতে তিনি আরও কতগুলো ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত ব্যক্তিদের তালিকায় কোথায় পৌঁছান, তা নিয়েই এখন কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ঘুমন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা 
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় ২৩ বছর বয়সী এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারীরা ভুল ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম সিডনির গ্লেন অ্যালপাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে একদল হামলাকারী গ্লেন অ্যালপাইনের একটি দোতলা বাড়িতে প্রবেশ করে। ওই সময় বাড়িটিতে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হামলাকারীরা সরাসরি ২৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর ঘরে গিয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহত মার্কো তাপিয়ার (২৩) পেশাগত লিঙ্কডইন পেজ অনুসারে, তাপিয়া সিডনি ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র এবং ইঞ্জিনিয়ার্স উইদাউট বর্ডারস ইউটিএস-এর একজন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন।  নিহত মার্কো তাপিয়া; সিডনি ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন। ছবি: সংগৃহীত   ঘটনার পর মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত হামলাকারীদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক পুলিশ দীর্ঘ সময় ধরে আলামত সংগ্রহ করে। বাড়িটির সামনের দরজাসহ বিভিন্ন স্থান খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন তারা। ক্যাম্পবেলটাউন এলাকার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেচেন অ্যাটকিনস জানান, হামলায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা ভুল ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আরও পড়ুন নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার তিনি বলেন, নিহত তরুণের বিরুদ্ধে বড় কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না। শুধু একটি সড়ক-সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। তার পরিবারের সদস্যরা তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাটি এলোমেলোভাবে কোনো বাড়িতে হামলার ঘটনা নয়। বরং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার আশ্বস্ত করেছে পুলিশ। এদিকে, ঘটনার কিছুক্ষণ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক অপরাধজগতের পরিচিত ব্যক্তি দাবি করেন, হামলাকারীরা ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। নির্বাসনে থাকা অপরাধী চক্রের কথিত সহপ্রতিষ্ঠাতা ইজাইয়া উতাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এমনকি সঠিক বাড়িতেও যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট তাদের নজরে এসেছে এবং তদন্তের অংশ হিসেবে সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। সিডনিতে সাম্প্রতিক সময়ে ভুল পরিচয়ের কারণে সহিংসতার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৮৫ বছর বয়সী ক্রিস বাগসারিয়ানকে ভুল ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে কনডেল পার্কে নিজের বাড়ির সামনে প্লাম্বার জন ভার্সাচিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঘটনাটিকেও ভুল পরিচয়ের ঘটনা বলে সন্দেহ করেছিল। সিডনিতে সাম্প্রতিক গুলির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের বিরোধীদলীয় নেতা কেলি স্লোয়ান। তিনি বলেন, চলতি বছরেই শহরটিতে ৫০টি গুলির ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস (NSW) রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস মিনস বলেন, সহিংস অপরাধ পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব না হলেও পুলিশকে আরও বেশি সম্পদ ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সরকার বিপুল পরিমাণ সম্পদ কাজে লাগাচ্ছে বলেও জানান তিনি। পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ঘটনার বিষয়ে যেকোনো তথ্য থাকলে তা জানাতে আহ্বান জানিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, ছোট কোনো তথ্যও হামলাকারীদের শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠতে পারে। নিহত তরুণের মৃত্যুর বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, নাইন নিউজ সিডনি, দ্য সিনিয়র    আরটিভি/জেএমএ 
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ঘুমন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা 
জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দেওয়া দুটি বিশেষ তরমুজ নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। তার মন্তব্যকে ‘যৌনতাবাদী’ ও অপমানজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত শিনগো ইয়ামাগামি। এ নিয়ে আলবানিজের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত মে মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী আলবানিজকে দুটি বিশেষ ধরনের তরমুজ উপহার দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। পরে ‘বুশ ডিপ’ নামের একটি অনুষ্ঠানে সেই উপহার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান আলবানিজ। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও কৌতুকশিল্পী নিকি অসবোর্ন তরমুজ দুটির প্রসঙ্গ তুলে কৌতুক করেন। এরপর আলবানিজ বলেন, ‘তিনি দুটি এনেছিলেন, আর সেগুলো সুন্দর।’ এ সময় তার মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গি নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়। জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত শিনগো ইয়ামাগামি বলেন, আলবানিজের মন্তব্য ছিল ‘যৌনতাবাদী কৌতুক’। তার মতে, ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া উপহার নিয়ে এমন মন্তব্য দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে। আরও পড়ুন ইউক্রেন অভিমুখে ৫ লাখ নতুন সৈন্য পাঠাচ্ছেন পুতিন! অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ । ছবি: সংগৃহীত   ইয়ামাগামি আরও বলেন, জাপানে এসব বিশেষ তরমুজ অত্যন্ত মূল্যবান ও সম্মানের উপহার হিসেবে বিবেচিত হয়। একটি তরমুজের দাম ৩০ হাজার ইয়েনেরও বেশি হতে পারে। তিনি আলবানিজকে উদ্দেশ করে বলেন, জাপানের মিষ্টি ও রসালো তরমুজ উপভোগ করার সময় সেগুলোকে নারীর শরীরের সঙ্গে তুলনা না করে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। এর পর অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দল আলবানিজের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়। বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেলরও প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে অপমানজনক বলে উল্লেখ করেন। তবে আলবানিজ নিজের মন্তব্য নিয়ে ক্ষমা চাননি। এক বিরোধী সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নটির বক্তব্য তিনি প্রত্যাখ্যান করছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সম্পর্ক বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং তার সরকার দুই দেশের বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে। আলবানিজের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীও। অর্থমন্ত্রী ক্যাটি গ্যালাঘার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে রাজনৈতিক বিরোধী ও কিছু গণমাধ্যম যেভাবে ব্যাখ্যা করছে, তা তার উদ্দেশ্য ছিল না। সমাজসেবা মন্ত্রী তানিয়া প্লিবেরসেকও মন্তব্যটির ভিন্ন ব্যাখ্যাকে অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছেন। এর আগে একই অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কাইলি মিনোগকে নিয়ে মন্তব্য করেও সমালোচনায় পড়েছিলেন আলবানিজ। উপস্থাপক তাকে কাইলি মিনোগ, অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান ও বিনোদনশিল্পী রোন্ডা বার্চমোরকে নিয়ে আপত্তিকর প্রশ্ন করেন। জবাবে আলবানিজ কাইলি মিনোগকে বেছে নেওয়ার পাশাপাশি তিনজনকেই নিয়ে মন্তব্য করেন। পরে ওই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান তিনি। এবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তরমুজ নিয়ে মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। আরটিভি/জেএমএ 
জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
হঠাৎ বদলে গেল বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশের নাম
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র নাউরুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বদলে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় ভাষার শুদ্ধ উচ্চারণ ও ঐতিহ্যবাহী পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশটির নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘নাওয়েরো প্রজাতন্ত্র’ (Republic of Naoero)। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড অ্যাডিয়াং জানান, শুধু দেশের নামই নয়, আন্তর্জাতিক পরিচিতিমূলক কোডেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর ফলে এত দিন নাউরুর নাগরিকদের ‘নাউরুয়ান’ বলা হলেও এখন থেকে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘দেই-নাওয়েরো’ নামে পরিচিত হবেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘নাওয়েরো’ নামটি নতুন নয়; এটিই দ্বীপটির মূল ঐতিহ্যবাহী নাম। বহিরাগতদের উচ্চারণের সুবিধার্থে আন্তর্জাতিকভাবে দীর্ঘদিন ‘নাউরু’ ব্যবহার করা হলেও স্থানীয় অধিবাসীদের কাছে দেশটি সব সময়ই ‘নাওয়েরো’ হিসেবে পরিচিত ছিল এবং দেশটির সংবিধানেও এই নামের উল্লেখ রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পার্লামেন্টে পাস হওয়া প্রস্তাবের আইনি প্রক্রিয়া শেষে নাম পরিবর্তন কার্যকর হলো।  প্রেসিডেন্ট অ্যাডিয়াং বলেন, এই পদক্ষেপে দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বকীয়তা নতুন মর্যাদা পাবে। আরও পড়ুন বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ মাত্র ১২ হাজার জনসংখ্যার নাওয়েরো আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় বিচারে বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৬৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করে। সত্তর দশকে ফসফেট খনিজ থেকে অর্জিত বিপুল অর্থ দেশকে সমৃদ্ধ করলেও পরবর্তীতে সেই শিল্প ধসে পড়ায় অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে তারা। বর্তমানে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তন দেশটির প্রধান অস্তিত্ব সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে জাতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা, সামুদ্রিক জাহাজ এবং সরকারি নথিপত্রে নতুন নাম ও কোড ব্যবহার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাকেও নতুন নাম নিবন্ধনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঔপনিবেশিক আমলের নাম বদলে নিজস্ব ঐতিহ্যে ফেরার এই তালিকায় এর আগে এসওয়াতিনি ও তুর্কিয়ে যুক্ত হয়েছিল, এবার যুক্ত হলো নাওয়েরো।আরটিভি/এআর 
হঠাৎ বদলে গেল বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশের নাম
বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ
অস্ট্রেলিয়ায় বার্ড ফ্লুর এইচ৫ (H5) ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় দেশটি ঘিরে থাকা বিশ্বখ্যাত ‘লিটল পেঙ্গুইন’ উপনিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মেলবোর্নের বিখ্যাত সেন্ট কিল্ডা সৈকতে এই প্রাদুর্ভাব পৌঁছালে সেখানকার মোট পেঙ্গুইনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মারা যেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় বন্যপ্রাণীর দেহে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর ঘটনায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পরপরই এমন সতর্কতা জারি করা হলো। মেলবোর্নের সেন্ট কিল্ডা উপকূলে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি ‘লিটল পেঙ্গুইন’ বসবাস করে। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট প্রজাতির এই পেঙ্গুইনগুলোর গড়ে উচ্চতা মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার। সমুদ্র থেকে তীরে পেঙ্গুইনগুলোর ফিরে আসার দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক সেখানে ভিড় জমান। সেন্ট কিল্ডার সেবামূলক সংস্থা ‘আর্থকেয়ার সেন্ট কিল্ডা’র সভাপতি লানা অস্টিন জানান, ভাইরাসটি পেঙ্গুইন প্রজাতির ওপর ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিশ্চিত নয়। তবে সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী অন্তত এক-তৃতীয়াংশ পেঙ্গুইন মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আরও পড়ুন অস্ট্রেলিয়ায় কি ফিরছে সেই ভয়ংকর ‘ব্ল্যাক সামার’ দাবানল অস্ট্রেলিয়ার কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর সংক্রমণ ধরা পড়ার পর এখন পর্যন্ত বন্য সামুদ্রিক পাখির শরীরে ৭৮টি এইচ৫ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বাউডিন রকস দ্বীপে প্রথমবার বার্ড ফ্লুতে বন্য সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। আকাশপথে পরিদর্শনের সময় সেখানে ৫০টির বেশি মৃত ও অসুস্থ পাখি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা গ্রেম কুক বলেন, ‘আগে যেখানে বিচ্ছিন্ন কিছু সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যেত, এখন রোগটি বেশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।’ অন্যদিকে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট। উল্লেখ্য, ২০২১ সাল থেকে ইউরোপ, আমেরিকা ও অ্যান্টার্কটিকায় তাণ্ডব চালানোর পর এবার অস্ট্রেলিয়াতেও হানা দিল ঘাতক এইচ৫ বার্ড ফ্লু। বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের কারণে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ কোটি পোলট্রি পাখির মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, মানুষের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ বিরল হলেও অসুস্থ পাখি বা বিষ্ঠার সংস্পর্শে এলে ঝুঁকি তৈরি হয়। সাধারণ জনগণকে আক্রান্ত বা মৃত পাখির কাছ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে জরুরি প্রাণীরোগ হটলাইনে যোগাযোগের তাগিদ দিয়েছে ভিক্টোরিয়ার স্থানীয় প্রশাসন। আরটিভি/এআর 
বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ
সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানছে না অস্ট্রেলিয়ার কিশোররা!
অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরও দেশটির প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের বেশি কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে।  শুক্রবার (৩১ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারী সহজেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পেরেছে। এতে আরও বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার মার্চ মাসেও প্রায় আগের মতোই ছিল। একই সময়ে সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতাও কমে গেছে। আরও পড়ুন মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ফের নতুন ভিডিওবার্তায় যা বললেন মোদি ই-সেফটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে যেসব ১৬ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ছিল, তাদের বেশিরভাগই সেই অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যেতে পেরেছে অথবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করেছে সংস্থাটি। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এই উদ্যোগ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীতচর্চা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। যেসব শিশু তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার চালিয়ে যেতে পেরেছে, তাদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের বয়স যাচাইই করেনি। অন্যরা জানিয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্টে বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি দেখানো ছিল, অথবা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ভুলভাবে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে শনাক্ত করেছে। এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অস্ট্রেলিয়া সরকার নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশটির উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা, দাতব্য ও ট্রেজারি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি বলেন, এই আইন অভিভাবকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। তিনি বলেন, এই আইন কার্যকরের ফলে লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, আইনটি শতভাগ কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশা সরকারের ছিল না। তার ভাষায়, মদ্যপানের ন্যূনতম বয়সসীমার আইনেও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তবুও এমন আইন থাকা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। আরটিভি/এসএইচএম
সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানছে না অস্ট্রেলিয়ার কিশোররা!