ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানছে না অস্ট্রেলিয়ার কিশোররা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
প্রতীকী ছবি

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরও দেশটির প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের বেশি কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারী সহজেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পেরেছে।

এতে আরও বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার মার্চ মাসেও প্রায় আগের মতোই ছিল। একই সময়ে সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতাও কমে গেছে।

আরও পড়ুন

ই-সেফটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে যেসব ১৬ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ছিল, তাদের বেশিরভাগই সেই অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যেতে পেরেছে অথবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করেছে সংস্থাটি।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এই উদ্যোগ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীতচর্চা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

যেসব শিশু তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার চালিয়ে যেতে পেরেছে, তাদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের বয়স যাচাইই করেনি। অন্যরা জানিয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্টে বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি দেখানো ছিল, অথবা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ভুলভাবে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে শনাক্ত করেছে।

এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অস্ট্রেলিয়া সরকার নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দেশটির উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা, দাতব্য ও ট্রেজারি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি বলেন, এই আইন অভিভাবকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

তিনি বলেন, এই আইন কার্যকরের ফলে লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে।”

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, আইনটি শতভাগ কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশা সরকারের ছিল না।

তার ভাষায়, মদ্যপানের ন্যূনতম বয়সসীমার আইনেও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তবুও এমন আইন থাকা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাটিতে হলুদ বিন্দু দেখে খনন, মিলল প্রায় ২ কোটি টাকার সোনার খণ্ড
মাটিতে ছোট্ট একটি উজ্জ্বল হলুদ বিন্দু দেখে খনন শুরু করেছিলেন এক শৌখিন অনুসন্ধানকারী। কয়েক দিনের অনুসন্ধান শেষে তার হাতে উঠে আসে প্রায় ১ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি সোনার খণ্ড।
মাটিতে হলুদ বিন্দু দেখে খনন, মিলল প্রায় ২ কোটি টাকার সোনার খণ্ড
অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু করতে না করতেই চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী
উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে মাত্র তিন মাস আগে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ২২ বছর বয়সী তাসনিম ঐশী। পার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেছিলেন তিনি। তবে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় সেই পথচলার ইতি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়ে আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের নাম লাবিব, ঈশিতা ও বিপুল। তারাও বাংলাদেশী বলে জানা গেছে। স্থানীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নিহত তাসনিম ঐশি গুরুতর আহত অবস্থায় গাড়ির ভেতরে আটকা পড়েছিলেন এবং তাকে বাঁচানো যায়নি। তবে চালক এবং অন্য দুই যাত্রী সামান্য আহত হয়েছেন। যদিও দুর্ঘটনার পরপরই গাড়ির উদ্ধারের জন্য জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত কর্মীরা ছুটে যান এবং ঘটনাস্থলে একটি জরুরি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি ব্যবহার করা হয়নি। গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়, বিশোর্ধ্ব ঐশি যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। গাড়িতে থাকা অন্য তিনজন—যাদের মধ্যে দুজন ২১ বছর বয়সী পুরুষ, একজন চালক এবং একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক—আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয় বলে মনে করা হচ্ছে। নিহতের সহপাঠীরা জানান, নিহত ঐশি বর্তমানে এডিথ কোওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন। উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে মাত্র তিন মাস আগে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবার, স্বজন ও সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরটিভি/টিআর
অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু করতে না করতেই চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী
‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট
১৯৪৮ সালের ১ ডিসেম্বর। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড উপশহরের সোমারটন পার্ক সৈকতে হাঁটতে গিয়ে এক দম্পতি দেওয়ালের সঙ্গে পা ক্রশ করে হেলে থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান। আগের রাতে স্থানীয়রা তাকে হাত-পা নাড়াতে দেখলেও সকালে তিনি আর বেঁচে ছিলেন না।
‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
আলবানিজ বলেন, ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টমানের সঙ্গে কথা বলে তিনি এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
কবি নজরুল কলেজে পাসের হার ৮৬.৩৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩ জন
বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাসী: মীর শাহে আলম
চার দশক পর ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’, কাজ করবে যেভাবে
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখলেন জশ ইংলিস