ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানছে না অস্ট্রেলিয়ার কিশোররা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
প্রতীকী ছবি

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরও দেশটির প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের বেশি কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারী সহজেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পেরেছে।

এতে আরও বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার মার্চ মাসেও প্রায় আগের মতোই ছিল। একই সময়ে সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতাও কমে গেছে।

আরও পড়ুন

ই-সেফটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে যেসব ১৬ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ছিল, তাদের বেশিরভাগই সেই অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যেতে পেরেছে অথবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করেছে সংস্থাটি।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এই উদ্যোগ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীতচর্চা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

যেসব শিশু তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার চালিয়ে যেতে পেরেছে, তাদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের বয়স যাচাইই করেনি। অন্যরা জানিয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্টে বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি দেখানো ছিল, অথবা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ভুলভাবে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে শনাক্ত করেছে।

এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অস্ট্রেলিয়া সরকার নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দেশটির উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা, দাতব্য ও ট্রেজারি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি বলেন, এই আইন অভিভাবকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

তিনি বলেন, এই আইন কার্যকরের ফলে লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে।”

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, আইনটি শতভাগ কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশা সরকারের ছিল না।

তার ভাষায়, মদ্যপানের ন্যূনতম বয়সসীমার আইনেও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তবুও এমন আইন থাকা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট
১৯৪৮ সালের ১ ডিসেম্বর। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড উপশহরের সোমারটন পার্ক সৈকতে হাঁটতে গিয়ে এক দম্পতি দেওয়ালের সঙ্গে পা ক্রশ করে হেলে থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান। আগের রাতে স্থানীয়রা তাকে হাত-পা নাড়াতে দেখলেও সকালে তিনি আর বেঁচে ছিলেন না।
‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
আলবানিজ বলেন, ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টমানের সঙ্গে কথা বলে তিনি এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রভাবিত করা এবং পুলিশের চূড়ান্ত নথি থেকে নিজের নাম কাটার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিল ও ফৌজদারি তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা ওঠার ঘটনা এটিই প্রথম। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাঙ্ক প্লেইনসের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি নিহত নারীর পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি (বাংলাদেশি) সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ বাংলাদেশে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত ঘটনাটির শুরু হয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিস) এএফপির কাছে একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করে জানায়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা এক নারী বাংলাদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। রিপোর্টটি পাওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় খোঁজ শুরু হয়। তবে ঠিক তার পরদিনই বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, তারা বাংলাদেশে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত করা হয়, মৃত্যুটি স্বাভাবিক ছিল না এবং এটি একটি ‘সন্দেহজনক মৃত্যু’। অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের বিদেশে অবস্থানকালে হত্যা, অপমৃত্যু বা গুরুতর ক্ষতির শিকার হওয়ার ঘটনাগুলোর বিচারে অস্ট্রেলিয়ার ‘ক্রিমিনাল কোড’ বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির। এর ভিত্তিতে এএফপির বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সংস্থাটির নিজস্ব আলাদা একটি তদন্তকাজ শুরু করে, যা বাংলাদেশ পুলিশের চলমান তদন্তের পাশাপাশি আলাদাভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। দুই বছরের পরিকল্পনা ও ৯০ হাজার ডলার লেনদেন এএফপির গোয়েন্দা তদন্তে বেরিয়ে আসে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মোট প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ) বাংলাদেশে পাঠান। এই অর্থ পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মৃত্যুর ঘটনার মূল তদন্তকে নিজের অনুকূলে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে তাঁর নাম পুরোপুরি বাদ দেওয়া। তদন্ত জোরদার করতে এএফপির কর্মকর্তারা সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক তল্লাশি চালান। সে সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের গোপন রেকর্ড, ডিজিটাল ট্রানজেকশন তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বাজেয়াপ্ত করা হয়। দীর্ঘ দুই বছরের নজরদারি ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর, গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাঙ্ক প্লেইনস এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে একযোগে অভিযান চালায় এএফপির বিশেষ দল। অভিযানকালে ওই ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি তাঁর ঘর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০.২(১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অস্ট্রেলীয় আইন অনুযায়ী, এই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে। এএফপি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনে বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার দায়ে তাদের ইতিহাসে এ ধরনের মামলা প্রথম হলেও, অপরাধটির ভয়াবহতার বিচারে এটি একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘুষ ও দুর্নীতি দমনে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান এই তদন্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে এএফপির বৈদেশিক ঘুষ ও দুর্নীতি দমন-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’। এটি বহু বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ মাল্টিডিসিপ্লিনারি দল, যা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধে কাজ করে। এএফপি ‘ব্রাইবারি প্রিভেনশন নেটওয়ার্ক’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং সরকারি সংস্থার একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা ও সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে। ঘটনাটি নিয়ে এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা বিদেশে—যেকোনো জায়গাতেই বিচারিক বা তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এএফপি এ জাতীয় কর্মকাণ্ডকে বিন্দুমাত্র সহ্য করবে না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিই—বিশেষ করে যখন কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফল পরিবর্তন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। যারা অর্থ দিয়ে বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে বা প্রভাব খাটাতে চাইবে, তাদের আইনগত জবাবদিহির মুখোমুখি হতেই হবে।’ কমান্ডার জয় জানান, আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এএফপি নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। অস্ট্রেলীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নাম কাটাতে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটির বিপরীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্তটি এখনো শেষ হয়নি। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন আনছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া
আরও পড়ুন
‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট
প্রেসিডেন্টের ছেলেকে নজরদারি, চীনা এজেন্ট সন্দেহে নারী গ্রেপ্তার
‘নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’
র‌্যাংকিংয়ে ৫০০’র মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শাখা খোলার অনুমতি দেবে বাংলাদেশ