ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

গ্রেপ্তার হতে পারেন বাংলাদেশ দখলে উসকানি দেওয়া ভারতের সেই ‘খান স্যার’ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
ভারতের বিহার রাজ্যের আলোচিত শিক্ষক ও ইউটিউবার ফয়সাল খান ওরফে ‘খান স্যার’। ফাইল ছবি

বাংলাদেশের রংপুর ও চট্টগ্রাম দখলের ব্যাপারে মন্তব্য করে তুমুল উত্তেজনার জন্ম দিয়েছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের শিক্ষক ও ইউটিউবার ফয়সাল খান ওরফে ‘খান স্যার’। সম্প্রতি তার কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার নিজেই আইনি ঝামেলায় পড়ে গেছেন তিনি। যে কোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে আলোচিত এই ইউটিউবার ও শিক্ষককে।

শুক্রবার (৫ মে) এনডিটিভিসহ ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, খান স্যারের বিরুদ্ধে চলতি সপ্তাহে পাটনায় তার কোচিং সেন্টারে হামলার সময় তার নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালানোর কারণে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ মে) পুলিশ তার দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর প্রথম এফআইআর দায়ের করা হয়।

গত মঙ্গলবার রাতে খানের কোচিং সেন্টার, খান গ্লোবাল স্টাডিজ ইনস্টিটিউটে চালানো হয় হামলা। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ১৫-২০ জনের একটি দল ইনস্টিটিউটটিতে ভাঙচুর চালাচ্ছে এবং পাথর ছুঁড়ছে। ভিডিওটিতে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে শূন্যে গুলি চালাতেও দেখা যায়। গুলিবর্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো পরে জব্দ করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই আরেকটি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে খান স্যারের দ্বন্দ্বের তথ্য সামনে চলে আসে। ‘খান স্যার’ অভিযোগ করেন, জ্ঞান বিন্দু কোচিং সেন্টারের লোকজন এই গুলিবর্ষণের পেছনে ছিল। তিনি বলেন, ‘তারা ব্যাপক ভাঙচুর করেছে, আমাদের নিরাপত্তারক্ষীকে প্রচণ্ড মারধর করেছে এবং গুলিও চালিয়েছে। তাদের মূল ক্ষোভ হলো, কীভাবে কেউ এত কম খরচে ছাত্রদের পড়িয়েও প্রতি বছর ভালো ফলাফল এনে দিতে পারে?’

তবে, হামলার সময় গুলি চালানো হয়েছে তার এমন মন্তব্য থেকে পরবর্তীতে সরে আসেন তিনি। পরে তিনি বলেন, গুলি আসলেই চালানো হয়েছিল কিনা, তা কেবল পুলিশি তদন্তই নিশ্চিত করতে পারবে। এ ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং সেন্টারের পরিচালক রোশন আনন্দকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, খান নিজেই এই ঘটনাটি সাজিয়েছিলেন।

পুলিশি তদন্তেও গুলি চালানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর জেরে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, খান দাবি করেছিলেন তার সামনে ৭-৮ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল, তা কেবল মিথ্যা ও গুজব ছড়ানোর চেষ্টা। ইতোমধ্যে পুলিশ খান স্যারকে তার কোচিং সেন্টারে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এই পরিস্থিতিতে খান স্যার যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

প্রাথমিক তদন্তের প্রেক্ষিতে পুলিশ জানায়, জ্ঞান বিন্দু কোচিংয়ের পরিচালকের নির্দেশে তার কর্মী ও অন্যান্যরা খান স্যারের প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। পরে একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই পরিস্থিতি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যায়।

হামলার দিন রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি গুলি চালানোর একটি ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন। সে সময় খান স্যারের কোচিং সেন্টারের কর্মীরা তাকে জোর করে মোবাইল ফোন থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলতে বাধ্য করেন। তবে, সেটি কোনোভাবে পরে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে খান স্যারের দুই রক্ষীকে গুলি চালাতে দেখা যায়। ভিডিওটি পুলিশের নজরে পড়তেই সম্পূর্ণ ঘুরে গেছে মামলাটির মোড়। পাটনা পুলিশ গুলি চালানোর অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। দুজনের অস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তাদের লাইসেন্স যাচাই করা হচ্ছে। আর এখানেই ঘনীভূত হচ্ছে খান স্যারের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা।

এদিকে, কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে খান স্যারের অতীত বক্তব্য, যেখানে তিনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন।

২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বাংলাদেশের রংপুর ও চট্টগ্রাম নিয়ে খান স্যারকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা যদি বাংলাদেশের রংপুর নামের জেলাটির দিকে তাকাই—যদি এই রংপুর দখল করে নেওয়া হয়, তবে পুরো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। যদি আমরা এই এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করি, তবে পথটি চওড়া এবং সমান হয়ে যাবে। আমাদের যাতায়াতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না; আমাদের যে সরু ঘাড় (চিকেনস নেক) ছিল, তা চওড়া হয়ে যাবে।’

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নিয়ে একই ভিডিওতে তিনি আরও দাবি করেন, আমাদের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পরেই সমুদ্র শুরু হয়ে যায়। আমরা যদি এই সামান্য অংশটুকু দখল করে নিচে নেমে যাই, তবে ত্রিপুরা সরাসরি সমুদ্র পেয়ে যাবে। তাহলে আমরা কেন মেঘালয়কে ‘গ্রেটার মেঘালয়’ এবং ত্রিপুরাকে ‘গ্রেটার ত্রিপুরা’ বানিয়ে দিচ্ছি না? খেলা খতম। ইন্ডিয়ান আর্মির এই ভূখণ্ডের কোথায় কী আছে সে বিষয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা এবং ধারণা রয়েছে। তারা সহজেই এলাকাটি ঘিরে ফেলতে পারবে। এর ফলে বাংলাদেশের ‘চট্টগ্রাম’ বিভাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম বিভাগ যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন এই এলাকায় বাংলাদেশের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও খতম হয়ে যাবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে তীব্র বিক্ষোভের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ জাতিগত সংঘাত।
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে থানায় গিয়ে পুলিশের লালসার শিকার নারী
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর শারীরিক নির্যাতনের ভয়ে তিনি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নিজের মোবাইল ফোন থেকে থানায় যোগাযোগ করেন তিনি। 
ভারতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে থানায় গিয়ে পুলিশের লালসার শিকার নারী
আসামে যুবদলের ব্যানার, চিন্তায় ভারত পুলিশ
ভারতের আসাম রাজ্যের লখিমপুর জেলার একটি গ্রামে গ্যাসভর্তি বেলুনের সঙ্গে বাঁধা বাংলাদেশের বিএনপির যুবসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের একটি ব্যানার পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে আসাম পুলিশও। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নারায়ণপুর থানার অন্তর্গত লেটেকুজান গ্রামের একটি ধানখেতে বেলুনগুলো দেখতে পান স্থানীয় এক কিশোর। স্থানীয় এক কিশোর সকালে পাশের মাঠে গরু চরাতে গিয়ে বেলুনগুলো দেখতে পায়। পরে বেলুনগুলো একটি বাঁধের কাছে নেমে এলে সে সেগুলো সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে যায়। ফ্লেক্সে ছাপানো ব্যানারটিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের মৌলভীবাজার জেলা শাখার ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বার্তা লেখা ছিল। এতে বিএনপির নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছবিও ছিল। যুবদলের সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের বেলুন ও ব্যানার ওড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই উদযাপনের কোনো বেলুন সীমান্ত পেরিয়ে আসামের আকাশে ভেসে এসে শেষ পর্যন্ত লখিমপুরের ধানখেতে গিয়ে পড়ে। গ্রামবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢালপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল লেতেকুজান গ্রামে যায়। পরে তারা বেলুন ও ব্যানারটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। বেলুনগুলো কোথা থেকে এসেছিল এবং কীভাবে গ্রামটিতে পৌঁছেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সুত্র: নর্থইস্ট নাও, গুয়াহাটি টাইমস। আরটিভি/টিআর
আসামে যুবদলের ব্যানার, চিন্তায় ভারত পুলিশ
ভারতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ পদযাত্রা আজ
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লিতে বড় ধরনের সমাবেশ করতে যাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’।  ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কংগ্রেসের নেতৃত্বে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ডাকে রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশে যোগ দিতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা রাজধানীতে জড়ো হচ্ছেন। ‘চলো দিল্লি’ নামে এ কর্মসূচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সমাবেশ ঘিরে দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাহুল গান্ধী ইনস্টাগ্রামে পদযাত্রার ঘোষণা দেওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, কর্মসূচি নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়া ব্লকের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষ সমাবেশে অংশ নিতে পারেন। তবে পুলিশ রামলীলা ময়দানের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতি বিবেচনায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করেছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষ এলে তাদের আশপাশের সড়কে আটকে রাখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধ ও পথ পরিবর্তনের নির্দেশনা দিয়েছে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও এ-পয়েন্ট ও নেতাজি সুভাষ মার্গের টি-পয়েন্টসহ মোট ১০টি স্থানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এদিকে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশের দিনই বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে পাল্টা কর্মসূচি নিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন হরিয়ানার রোহতকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, নৈরাজ্য হটাও’ নামে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান ফরিদাবাদে একই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বিজেপির ভাষ্য, বিরোধীরা ভোট চুরি, এসআইআর ও নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে। এর প্রতিবাদেই তাদের এ পদযাত্রা। বিজেপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, এটি শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং বিরোধীদের অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও অস্থিরতার বিরুদ্ধে একটি আদর্শিক উদ্যোগ। আরটিভি/টিআর
ভারতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ পদযাত্রা আজ
ভারতে গরুর মাংস বিক্রি করায় মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা
ভারতের আসামে গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে শওকত আলী নামে ৬৮ বছর বয়সী এক মুসলিম ব্যবসায়ীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোরও চেষ্টা করে উত্তেজিত জনতা।
ভারতে গরুর মাংস বিক্রি করায় মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা
আরও পড়ুন
জামালপুরে দুই লাখ টাকার ভারতীয় মদ জব্দ
জমি দখল করতে শতাধিক ফল গাছের সর্বনাশ করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা
নিষিদ্ধ কৃষক লীগের আরও এক নেত্রী ধরা
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫