ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলনে রাহুল গান্ধীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ওয়াংচুকের স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী (বামে) ও সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমো (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে তীব্র আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত ও বিচারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান এ আন্দোলন এরই মধ্যে ধারণ করেছে সহিংস রূপ।

তাদের এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ অন্য আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন ও পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ করে তার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন তারা।

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী এমনও দাবি করেছেন, পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় তার কানে কানে সরকার পতনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তরুণদের শিক্ষা সংস্কারের আন্দোলনে ঢুকে রাহুল গান্ধীর এমন সব ভূমিকা নিয়ে এবার তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদাতা সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমো। প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমনপীড়নের জবাবে রাহুল গান্ধীর আকস্মিক বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই পরিবেশ আন্দোলনকর্মী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করে গীতাঞ্জলি বলেন, ২১ জুলাইয়ের এই আন্দোলন ছিল কেবল ‘অসৎ ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা। রাজনীতিকরণ না করে যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের পাশে এসে সরাসরি দাঁড়ানো উচিত ছিল কংগ্রেস নেতাদের।’

আরও পড়ুন

গীতাঞ্জলি অ্যাংমো বলেন, রাজনীতিবিদরা এখন ওয়াংচুক ও তার সুনামকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সাধারণ জনগণ ও তরুণ সমাজকে আর বোকা বানানো যাবে না।

গত সপ্তাহে যন্তর মন্তর থেকে ওয়াংচুককে পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার পর থেকে হাসপাতালেও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার এই অনশন ২৬তম দিনে গড়িয়েছে বৃহস্পতিবার।

সামাজিক উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদ গীতাঞ্জলি অ্যাংমো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আন্তরিকতার অভাব ছিল। জনগণকে আর বোকা বানানো সম্ভব নয়। এটি এক সচেতন ভারত। যারাই আন্তরিকতাহীন আচরণ করবে, তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবনমুখী পদযাত্রায় পুলিশের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর লোক কল্যাণ মার্গ বাসভবনের সামনে নজিরবিহীন অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতারা। সেখান থেকে রাহুলকে জোরপূর্বক চ্যাংদোলা করে আটক করার সময় ধস্তাধস্তিতে তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ে। পুলিশি এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে জবাবদিহিতার আন্দোলন হিসেবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে কংগ্রেস।

কিন্তু, ওয়াংচুকের স্ত্রী অ্যাংলামো জোর দিয়ে বলেছেন, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) নেতৃত্বে চলমান এই আন্দোলন রাজনৈতিক শ্রেণিকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, কেবল লোক দেখানো প্রতীকী পদক্ষেপ বা রাজনীতিতে আর কাজ হবে না।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এই শেভনিং স্কলার বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের কাছে কোনো সরকারি বা বিরোধী দল নেই, আমাদের কাছে সংসদই সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। আমরা চাই সংসদ যেন শিক্ষাকে মৌলিক বিষয় হিসেবে গণ্য করে।

তবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়া যে কেউ সাধারণ মানুষ হিসেবে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে যুক্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোনম ওয়াংচুকের নতুন দাবি

গত ১৮ জুলাই যন্তর মন্তর থেকে পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের পাশে রয়েছেন তার স্ত্রী। আদালত থেকে অনুমতির পর ওয়াংচুককে দিল্লির সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

অনশন ভাঙার শর্ত হিসেবে ওয়াংচুক সরকার ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে নিশ্চয়তা চেয়েছেন, ২০ জুলাইয়ের পদযাত্রায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীর ওপর যেন প্রশাসন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়।

তবে, দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রাথমিক দাবিটি তার সাম্প্রতিক তালিকায় অনুপস্থিত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, আন্দোলনে নিজের অবস্থান কিছুটা শিথিল করেছেন ওয়াংচুক। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনায় তাকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান
  ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান। একই সঙ্গে রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন তিনি।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান মুরুগান। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তামিলনাড়ুতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে দলের ভিত আরও মজবুত করতে পুরো সময় দিতে চান এই বিজেপি নেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুরুগান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতমাতা ও তামিলনাড়ুর সেবা করার সুযোগ পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। তিনি আরও বলেন, দিনমজুর পরিবারের সন্তান হিসেবে জীবন শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। মুরুগান জানিয়েছেন, এবার তিনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে ফিরে যেতে চান। তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। এর আগে তামিলনাড়ুতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এল মুরুগান। পরে মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০৩০ সালে রাজ্যসভায় তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে পদত্যাগপত্রে তিনি অবিলম্বে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরটিভি/ এসকেডি
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান
এবার মোদির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম, উত্তাল রাজপথ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজপথে পুলিশের ব্যারিকেড, ধরপাকড় আর তরুণদের প্রতিবাদ—সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
এবার মোদির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম, উত্তাল রাজপথ
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন
একইসঙ্গে মসজিদের মাইকও জব্দ করে নিয়ে গেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এক বিট কনস্টেবলকেও।
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন 
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করে দিলো পুলিশ
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সেইসঙ্গে ব্যাতিক্রমী আরেক উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে— বিক্ষোভ ও সভা-সমাবেশের জন্য দিল্লিতেই ঠিক করে দেওয়া হয়েছে তিনটি জায়গা।  
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করে দিলো পুলিশ
গাড়ির চাপায় তিন শিক্ষার্থী নিহত, চালক বললেন ‘বাবা সামলে নেবে’
ভারতের কেরালা রাজ্যের এরনাকুলাম জেলায় দ্রুতগতির মিনি কুপার গাড়ির ধাক্কায় স্কুটারে থাকা তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে নেদুম্বাসেরিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী গাড়িচালক সুহাইল সাজিভকে আটক করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে চালক ‘বাবা সামলে নেবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুর্ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হতে তার রক্তসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহত তিনজন হলেন দেবিকা, গোপিকা ও ইজাজ। তাদের মধ্যে দেবিকার বাড়ি কেরালার ওয়েনাড জেলায়, গোপিকা পালাক্কাডের বাসিন্দা এবং ইজাজের বাড়ি কর্ণাটকে। তিনজনই ত্রিক্কাকারায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে কাছের একটি দোকানে চা পান শেষে স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই তিন শিক্ষার্থী। এ সময় দ্রুতগতিতে ছুটে আসা একটি মিনি কুপার গাড়ি তাদের স্কুটারে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনেরই মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সুহাইল দুর্ঘটনার আগে অ্যালকোহল পান করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার ভাষ্য, তিনি শুধু বিয়ার পান করেছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তার শরীরে অ্যালকোহল বা অন্য কোনো নেশাজাতীয় পদার্থের প্রভাব ছিল কি না, তা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরনাকুলাম গ্রামীণ পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট কে এস সুদর্শন সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার পেছনে চালকের ভূমিকা এবং গাড়ির ভেতরে কোনো নেশাজাতীয় পদার্থ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য গাড়িটির ফরেনসিক পরীক্ষাও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত মিনি কুপার গাড়িটি সুহাইলের বাবার নামে নিবন্ধিত। তবে সুহাইলের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার পর চালকের ওপর হামলার অভিযোগও তদন্ত করছে পুলিশ। চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য সুহাইলকে হাসপাতালে নেওয়ার পর নিহত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বন্ধু তার ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল থেকে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন দিক থেকে মাথায় আঘাত করা হয় বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ এসেছে। পরে পুলিশ সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ, চালকের মাদক গ্রহণের বিষয়টি এবং তার ওপর হামলার ঘটনা—সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে আরটিভি/এসকে
গাড়ির চাপায় তিন শিক্ষার্থী নিহত, চালক বললেন ‘বাবা সামলে নেবে’
আরও পড়ুন
বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
দিল্লির ছাত্র আন্দোলন থেকে গ্রেপ্তার, ৬ বছর পর ৭ দিনের জামিন
‘জুলাইকে যারা শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তাদের ওপর গজব পড়ুক’