ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

মোদিকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিলেন শ্রীলেখা, সঙ্গে আরও যা লিখলেন ফেসবুকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন ঘিরে সরকারের কর্মসূচিতে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশটির ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানো কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ নিয়ে জনসাধারণদের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

ভারতে তীব্র বন্যা পরিস্থিতি ও আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ বলে উল্লেখ করার পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপিকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এভাবেই নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন শ্রীলেখা মিত্র।

নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রী লিখেন, ‘মানুষকে বলা হচ্ছে প্রদীপ জ্বালাতে। কী এক অদ্ভুত বৈপরীত্য... আমাদের জীবনকে নরকে পরিণত করার পর এমন আবদার! ঠিক যেন এক বেদনাদায়ক পরিহাস।’

বিজেপি ও সরকারের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করে শ্রীলেখা আরও লিখেন, ‘একজন স্বৈরাচার—অথবা এক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী—সাধারণ মানুষের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে; সম্পত্তি ধ্বংস করছে, ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে, জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, আর সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করছে; অথচ একই সঙ্গে তারা দাবি করছে যে তারা স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর অবতার!’

বর্তমানের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লিখেন, ‘আমরা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছি? আমরা কেমন এক সমাজ গড়ে তুলছি, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের তকমা দেওয়া হয় দিমাগি নকশাল হিসেবে? এমন এক সময় যখন ভয়ই হয়ে ওঠে শাসনের হাতিয়ার আর ভিন্নমতকে দেখা হয় বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে?’

ভারতের এই পরিস্থিতিকে একটি ‘ঘোরতর পরিহাস’ এবং ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও আখ্যা দেন অভিনেত্রী।

ক্ষমতাসীনদের কর্মসূচির বিপরীতে সামাজিক মাধ্যমে শ্রীলেখার এমন অবস্থান ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এরই মধ্যে। কমেন্ট বক্সে তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন নেটিজেনদের অনেকেই।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআইয়ের সহায়তায় মদ তৈরি, প্রাণ গেল ১৩ জনের
ভারতের মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায় মদপানে ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় বাড়িতে তৈরি করা মদ পান করেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের তৈরি মদের সঙ্গে ১৩ জনের মৃত্যুর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত অজয় রাঠোর ইন্দোরের বাসিন্দা। গত সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যম ব্যবহার করে বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য খোঁজেন তিনি। সেখান থেকে পাওয়া অসম্পূর্ণ তথ্য কাজে লাগিয়ে পরে ইন্টারনেটে রাসায়নিক সরবরাহকারীদের সন্ধান শুরু করেন। তদন্তকারীদের ভাষ্য, এরপর ইন্দোরের ‘রাইজিং ব্রাদার্স’ নামে একটি দ্রাবক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন অজয়। সেখান থেকে একটি রাসায়নিক সংগ্রহ করেন তিনি। পুলিশের অভিযোগ, ওই রাসায়নিক ব্যবহার করে অজয় ও তার সহযোগীরা বেআইনিভাবে মদ তৈরি শুরু করেন। ১ অক্টোবর রাসায়নিক হাতে পাওয়ার পর পুরোনো ও ফেলে দেওয়া মদের বোতলে তৈরি করা তরল ভরে বিক্রি শুরু করেন তারা। এমনকি আসল মদের সঙ্গে নকল মদ মিশিয়ে গ্রামাঞ্চলেও সরবরাহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা। এতে ক্রেতাদের পক্ষে আসল ও নকল মদের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। রাসায়নিক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোরের আরেক বাসিন্দা আমন কাসলিওয়ালকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। যে গুদাম থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মদের নমুনাও পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আরটিভি/এসআর  
এআইয়ের সহায়তায় মদ তৈরি, প্রাণ গেল ১৩ জনের
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ যাতে ভারতে না লাগে, সেই চেষ্টা করছে সরকার: মোদি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বে জ্বালানি, সারের সংকট রয়েছে। এর সুযোগ নিয়ে সরকার বিরোধীরা ভারতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের বনাসকাঁঠায় একটি জনসভায় এমন মন্তব্য করেছেন। নরেন্দ্র মোদি বলেন, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ যাতে ভারতে না লাগে, তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে তার সরকার। কিন্তু বিরোধীরা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।’  এদিকে মোদির অভিযোগ, তার সরকারের দুর্নাম করার জন্য বিরোধীরা উঠেপড়ে লেগেছে। তার ভাষ্য, দেশ বিপদে পড়লে কিছু মানুষ আনন্দ করেন। তার সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো ইরানের যুদ্ধ। একসঙ্গে মিলে সেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। কিন্তু এই সমস্ত লোকজন ভুয়া খবর ছড়াতে ব্যস্ত। কৃষকদের সার নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আসলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল ওদের। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসআর  
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ যাতে ভারতে না লাগে, সেই চেষ্টা করছে সরকার: মোদি
ভারতের নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করার পর পুনের কুখ্যাত যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া ছয় বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে মহারাষ্ট্রের পুনে শহরের বুধবার পেথ এলাকার একাধিক নিষিদ্ধ পল্লিতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।  এ ঘটনায় মানবপাচার ও জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে চার দালালের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুনে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নির্দেশে ফারাসখানা, বিশ্রামবাগ এবং খাদক থানার সমন্বয়ে একটি বিশেষ যৌথ দল গঠন করা হয়। দলটি বুধবার ভোরে বুধবার পেথ এলাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি যৌনপল্লিতে একযোগে ঝটিকা অভিযান চালায় এবং বন্দিদশা থেকে এই ছয় নারীকে উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযানের পর ফারাসখানা থানা-পুলিশ মানবপাচার চক্রের চার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে চক্রের দুই দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চিহ্নিত অন্য দুই অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রায় চার মাস আগে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতে আনা হয়। ভুক্তভোগীদের কারও কাছেই কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র ছিল না। মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন আধুনিক শহরে আকর্ষণীয় চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ পর্যন্ত তাদের পুনেতে এনে নিষিদ্ধ পল্লির সর্দারনিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে ভারতে নারী পাচারের এই চক্রটি বুধবার পেথ এলাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে। চলতি বছরের মার্চ মাসেও একই এলাকার একটি যৌনপল্লি থেকে চার বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছিল পুনে সিটি পুলিশ। তাদেরও একই কায়দায় লোভনীয় চাকরির ফাঁদে ফেলে সীমান্ত পার করে এনে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল। আরটিভি/এসআর  
ভারতের নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
নদীতে ডুব দিয়ে পানি খাওয়ার পর যমুনাকে ‘দূষণমুক্ত’ বললেন বিজেপি নেতা
নদীর দূষণ নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার রাজধানী নয়াদিল্লির যমুনা নদীতে ডুব দিয়ে পানি পরিষ্কার বলে দাবি করেছেন বিজেপির সংসদ সদস্য মনোজ তিওয়ারি। দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ‘তিনি শুধু ডুবই দেননি, নদীর পানি হাতে নিয়ে পানও করেছেন’। তার দাবি, গত দেড় বছরে বিজেপি সরকারের উদ্যোগে যমুনার দূষণ প্রায় অর্ধেক কমেছে। তবে পরিবেশগত তথ্য বলছে, নদীর কয়েকটি অংশে দূষণের মাত্রা এখনো নির্ধারিত সীমার অনেক ওপরে। বৃহস্পতিবার দিল্লির সোনিয়া বিহার ঘাটে যমুনায় ডুব দেন উত্তর-পূর্ব দিল্লির এই সংসদ সদস্য। মনোজ তিওয়ারি বলেন, নদীতে পরিযায়ী পাখির উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে পানির মানের উন্নতি হয়েছে। এখানে কুমির থাকতে পারে, তবে কুমির শুধু পরিষ্কার পানিতেই থাকে। নদী পরিষ্কারে বিজেপি সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি আম আদমি পার্টির (এএপি) বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। বলেন, যমুনার পানি এখন ছটপূজার জন্য ব্যবহার করা সম্ভব। এদিকে বিজেপি দিল্লি শাখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছে, তাদের সরকার দুই বছরে যমুনা পরিষ্কারে যে কাজ করেছে, কংগ্রেস ও এএপি ২৭ বছরেও তা করতে পারেনি। একই সঙ্গে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে যমুনায় ডুব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানায় দলটি। আরটিভি/এসআর
নদীতে ডুব দিয়ে পানি খাওয়ার পর যমুনাকে ‘দূষণমুক্ত’ বললেন বিজেপি নেতা
পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি জয়পুরের বিজ্ঞানীর, বাড়ছে কৌতূহল
প্রাচীন ভারতীয় ‘রসশাস্ত্র’ বা আলকেমির সূত্র মেনে পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি করেছেন ভারতের রাজস্থানের এক বিজ্ঞানী। তার দাবি, পরীক্ষাগারে পারদের উপরিভাগে ৯৯.০৪ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে এই দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।  বিজ্ঞানী মহলের একাংশের মতে, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই ছাড়া এই ফলাফলকে আবিষ্কার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ নেই। জানা গেছে, জয়পুরের কানোদিয়া কলেজের পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারে ০.২৪০ গ্রাম পারদ ব্যবহার করে পরীক্ষাটি চালানো হয়। পরীক্ষার পর নমুনার উপরিভাগে ৯৯.০৪ শতাংশ সোনা, ০.৪৮ শতাংশ রুপা এবং ০.৪৮ শতাংশ তামার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। ওই পরিমাণ বিশুদ্ধতা প্রায় ২৩.৭৭ ক্যারেট সোনার সমতুল্য। গবেষক লাল বাহাদুরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পারদের বিশুদ্ধকরণ ও ধাতু রূপান্তর নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রাচীন ভারতীয় রসশাস্ত্র এবং আচার্য নাগার্জুনের গবেষণা ও রচনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তার এই পরীক্ষা। বিআইটিএস পিলানি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এই গবেষক পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, পরীক্ষায় কোনো তেজস্ক্রিয়তার উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। তবে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। পারদের নমুনায় পাওয়া সোনা আগে থেকেই অশুদ্ধি হিসেবে উপস্থিত ছিল কি না, নাকি পরীক্ষার সময় বাইরের কোনো উৎস থেকে সোনা জমা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি যাচাই করতে নমুনার বিস্তারিত উপাদান বিশ্লেষণ, পুনরায় পরীক্ষা, এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স এবং আইসোটোপ বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। এদিকে, এই গবেষণার ফলাফল এখনো কোনো পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়নি। ফলে দাবিটির পক্ষে স্বাধীন বৈজ্ঞানিক প্রমাণও সামনে আসেনি। জয়পুরের মালব্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমএনআইটি)-তে এ বিষয়ে আরও তদন্তের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। বৈজ্ঞানিকভাবে পারদ ও সোনা দুটি সম্পূর্ণ আলাদা মৌল। পারদের পরমাণুতে ৮০টি প্রোটন থাকলেও সোনার পরমাণুতে রয়েছে ৭৯টি প্রোটন। সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই পারদকে সোনায় রূপান্তর করতে হলে পারমাণবিক স্তরের বিশেষ প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, প্রাচীন ভারতীয় রসশাস্ত্রের সূত্র ধরে পারদ থেকে সোনা তৈরির এই দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এটিকে প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। আরটিভি/এসকে
পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি জয়পুরের বিজ্ঞানীর, বাড়ছে কৌতূহল
আরও পড়ুন
কেন এই শিরশ্ছেদ, সৌদিতে নজরুল-সুইটির মৃত্যুদণ্ডে ক্ষুব্ধ শ্রীলেখা
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
বন্ধ হতে যাচ্ছে ফেসবুকের পরিচিত ‘রিচ’ পদ্ধতি, আসছে ‘ভিউয়ারস’
ইশরাকের স্ত্রীর রহস্যজনক পোস্ট