ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে মাঝরাতে মুসলমানদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
(বাঁ থেকে) আব্দুল জব্বার, জীবন শেখ, জলিল আক্তার, ইব্রাহিম শেখ ও সাহিন শেখ। তাদের সবাইকে তুলে নিয়ে ডিটেনশন সেন্টারে আটকে রাখা হয়েছে। ছবি: স্ক্রল

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ বাংলাদেশি সন্দেহে মাঝরাতে বাড়িতে হানা দিয়ে একাধিক মুসলিম নাগরিক ও শিশুদের আটক করে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে। গত জুন মাস থেকে এ পর্যন্ত অন্তত নয়জন মুসলিম পুরুষ ও দুটি শিশুকে আটকের চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবীরা এই ধরনের পুলিশি অভিযানকে সম্পূর্ণ বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন।

নিপীড়নের শিকার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কোনও ওয়ারেন্ট, রিমান্ড অর্ডার বা এফআইআরের অনুলিপি দেখায়নি।

আটককৃতদের মধ্যে অনেকের কাছেই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, এমনকি নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের ভোটার তালিকাভুক্ত বৈধ কাগজপত্র থাকলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

মুর্শিদাবাদের রামকান্তপুর গ্রামের ইব্রাহিম শেখের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মাসে একদল পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে তার কাছে নাগরিকত্বের নথি দেখতে চায় এবং ‘বাংলাদেশি না ভারতীয়’- তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ষাটোর্ধ্ব অসুস্থ ইব্রাহিমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস পিটিশন দাখিল করা হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সরকারি নির্বাহী আদেশের নির্দেশিকা মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো এক দেশবাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো এক দেশ
এছাড়া উত্তর দিনাজপুর ও মুর্শিদাবাদের অন্যান্য পরিবার থেকেও একই কায়দায় গভীর রাতে মানুষজনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এমনকি কোথাও কোথাও আটকদের পুশ-ব্যাক বা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত বা সুও মোটো) মামলা দায়েরের ঘটনাও ঘটেছে।

মানবাধিকার সংগঠন ও আইজীবীরা বলছেন, কোনও সুনির্দিষ্ট তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া নাগরিকদের এভাবে আটক করা মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।

সূত্র: স্ক্রল ডট ইন

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতসহ ১০ দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করতে এই প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পেরিয়েছে।
ভারতসহ ১০ দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ভারতের যুদ্ধজাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, অতঃপর...
পাকিস্তানি জাহাজটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এবং অপেশাদার ও অনিরাপদ কৌশলে ভারতের যুদ্ধজাহাজের দিকে এগিয়ে যায়, যার ফলে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। 
ভারতের যুদ্ধজাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, অতঃপর...
ধাক্কা মেরে লেডি বাইকারকে হত্যাচেষ্টা, ঘটনা কী
ভারতের গুরুগ্রামে একজন লেডি বাইকারকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া গাড়িচালক কল্যাণ বৈসলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ধাক্কা মেরে লেডি বাইকারকে হত্যাচেষ্টা, ঘটনা কী
মোবাইলের কিস্তি দিতে না পারায় যুবককে তুলে নিয়ে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মোবাইল ফোনের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় এক যুবককে জোর করে তুলে নিয়ে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দোকানমালিকের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, ওই যুবককে একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে এক ইউনিট রক্ত নেওয়ার পর পাঁচ দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর ও জোর করে কাজ করানো হয়। ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের নিগোহা এলাকায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই বাড়ি থেকে যুবককে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, প্রায় এক বছর আগে নিগোহার একটি দোকান থেকে ২১ হাজার ৫০০ রুপিতে একটি মোবাইল ফোন কেনেন ওই যুবক। ২ হাজার ৭৯৯ রুপি করে ১২টি কিস্তিতে ফোনটির দাম পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে প্রথম মাসের কিস্তি বাকি পড়ার পরই দোকানমালিক কয়েকজন লোককে তার বাড়িতে পাঠান। তারা যুবকের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর গত ৮ সেপ্টেম্বর দুজন ব্যক্তি যুবকের বাড়িতে গিয়ে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যান বলে পরিবারের অভিযোগ। যুবকের দাবি, তাকে লখনউয়ের একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোর করে তার শরীর থেকে এক ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হয়। পরে তাকে সদর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয়। যুবকের অভিযোগ, ওই বাড়িতে তাকে মারধর করা হতো এবং জোর করে বিভিন্ন কাজ করানো হতো। এমনকি তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে লখনউয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ দিন পর ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। আরটিভি/এসকে
মোবাইলের কিস্তি দিতে না পারায় যুবককে তুলে নিয়ে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ
কলকাতায় মুসলিম পুলিশ সদস্যদের দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ
কলকাতা পুলিশের ৪৭ জন মুসলিম সদস্যের দাড়ি রাখার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চাকরিতে বহাল থাকতে হলে তাদের দাড়ি কামাতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাহিনীর শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং সদস্যদের চেহারায় সামঞ্জস্য বজায় রাখার যুক্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলকাতায় মুসলিম পুলিশ সদস্যদের দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ
আরও পড়ুন
ভারতসহ ১০ দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ভারতের যুদ্ধজাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, অতঃপর...
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী
এক ম্যাচ হাতে রেখেই ভারতের সিরিজ নিশ্চিত