ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচার, রাতে সব নিয়ে গেল চোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী জেলায় এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচারের পর রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা প্রায় ৮০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। চুরি যাওয়া গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি রুপি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুমিতার পুরোনো কিছু ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওতে তাকে সোনার গহনা ও পরিবারের বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী দেখাতে দেখা যায়।

তবে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখেই চোরেরা বাড়িতে হামলা করেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কীভাবে ঘটল চুরি
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুমিতা ও তার স্বামী বিনোদ কুমার বাড়ি থেকে বের হন।

রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা বাড়িতে ফিরে আসেন। তখন সামনের দরজা খুলতে না পেরে তারা সন্দেহ করেন। পরে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে একজন কাঠমিস্ত্রিকে ডেকে আনা হয়।

তখন দেখা যায়, সামনের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তবে বাড়ির পেছনের দরজা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

বাড়ির ভেতরে ঢুকে তারা দেখতে পান, একটি আলমারিতে রাখা সোনার গহনা নেই। এরপর বিষয়টি রাজাক্কামঙ্গলম থানায় জানানো হয়।

তদন্তে পুলিশের ছয়টি দল
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার আনশুল নাগরও ঘটনাস্থলে যান।

চোরদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছয়টি বিশেষ দল কাজ করছে বলে জানা গেছে। এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অন্যান্য আলামতও পরীক্ষা করছে।

পুরোনো ভিডিও ঘিরে আলোচনা
মধুমিতা তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একজন ইউটিউবার। তিনি মূলত জীবনযাপন, পরিবার, সোনার গহনা ও কেনাকাটা নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন।

স্বামী বিনোদ কুমার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা প্রায় ১০ মাস আগে নাগেরকোইলের থাম্মাথু কোনামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন।

মধুমিতার কয়েকটি পুরোনো ভিডিওতে পরিবারের সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী দেখানো হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে পূজার ঘরে রাখা সোনার গহনাও দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। চুরির খবর প্রকাশের পর এসব ভিডিও আবার ছড়িয়ে পড়েছে।

পুরোনো ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ অনলাইনে মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মদের দোকানে ঢুকে ছিপি খুলে মদ্যপান করল বানর, অতঃপর...
ভারতের রাঁচিতে একটি মদের দোকানে ঢুকে বোতল থেকে মদ পান করে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েছে একটি বানর। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 
মদের দোকানে ঢুকে ছিপি খুলে মদ্যপান করল বানর, অতঃপর...
মাকে বাঁচাতে জ্বলন্ত বাসেই রয়ে গেলেন ছেলে, প্রাণ গেল দুজনেরই
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের গ্রেটার নয়ডায় যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মা-ছেলেসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মাকে বাঁচাতে জ্বলন্ত বাসেই রয়ে গেলেন ছেলে, প্রাণ গেল দুজনেরই
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
ভারতের বিহারে পুলিশ, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ) ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) কর্মকর্তা সেজে ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে রোহিত তিওয়ারি নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদ্যপ অবস্থায় থাকায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ সেপ্টেম্বরের জুরিখ-দিল্লি ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়। সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএকে (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন) জানালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানা গেছে, জুরিখ বিমানবন্দরে ওই পাইলটের প্রাথমিক ব্রেথ অ্যানালাইজার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপরই তাকে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তাকে পাঠানো হয় এবং সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাইলটটি সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার ক্রুদের মদ্যপান ও মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর পাইলট ও ক্রুদের ওপর নজরদারি এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদের গন্ধ পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আরেক পাইলটকে চাকরিচ্যুত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর পাইলটদের নিরাপত্তা বিধি ও পেশাগত আচরণ নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। দায়িত্ব পালনের আগে অ্যালকোহল বা নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের বিরুদ্ধে সব পাইলটকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সংস্থাটির ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগ। আরটিভি/এসকে
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এফআইআরের বরাতে জানা যায়, গত সোমবার জন্মদিনে বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিলেন ওই কিশোরী। কালকাজি মন্দির ঘুরে বিকাল পৌনে ছয়টা নাগাদ তারা পাশেই ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসেন।  রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ তার বন্ধুকে ধরে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে এলাকাটি ফাঁকা করতে বলে। কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের একজন বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় সরিয়ে নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে আসিফ নামের এক অভিযুক্তকে উদ্দেশ করে অন্য একজন বলে ওঠে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’ কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, সে আমাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। তারপর দুজনই ছুরি বের করে আমাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। এরপর তাকে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও ধর্ষণ করে। অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। তাদের মধ্যে হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন ফেরত দেয়। এরপর তাকে পার্ক থেকে বের করে দেয় তারা। পার্ক থেকে বের হয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরটিভি/এসআর
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
আরও পড়ুন
পাকিস্তানে ভয়াবহ বোমা হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য নিহত, আহত অন্তত ৩১
মদের দোকানে ঢুকে ছিপি খুলে মদ্যপান করল বানর, অতঃপর...
আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট
‘আ.লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারলে পুলিশদের পুরস্কৃত করা হবে’