ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

২০২৯ সালের নির্বাচনে মোদির পতন হবে: অভিজিৎ দীপকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত

২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের পতন হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে দীপকে বলেছেন, সরকার পরিবর্তন হতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমেই।

শনিবার (৭ নভেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দীপকে জোর দিয়ে বলেন, কেবল নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন হবে। সে লক্ষ্যে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

মোদি ক্ষমতায় টিকে থাকবেন—বিজেপির এমন দাবির প্রসঙ্গ টেনে সিজেপি নেতা যোগ করেন, ২০২৯ সালের জন্য প্রস্তুত থাকুন। তিনি অবশ্যই ক্ষমতা ছাড়বেন। এ সময় দীপকে বারবার উপস্থিত জনতাকে প্রশ্ন করেন, ২০২৯ সালে মোদি ক্ষমতা হারাবেন কি না। প্রশ্ন শুনে বিক্ষোভকারীরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন। জ্ঞানেশ কুমারকে যেতেই হবে। তিনি গেলে নরেন্দ্র মোদিও যাবেন।

দীপকের অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষা করতে যুবসমাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে জ্ঞানেশ কুমার এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার ধীরে ধীরে মানুষের খাওয়ার অভ্যাস, কাকে তারা বিয়ে করবে এবং কাকে ভোট দেবে—সেগুলোও নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। এসআইআর প্রক্রিয়াটিকে নির্বাচনের ফলাফলের ওপর প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

দীপকে বলেন, প্রথমে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল আপনারা কী খাবেন, এরপর কাকে আপনারা ভালোবাসবেন বা বিয়ে করবেন, আর এখন তারা এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যেখানে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চায় আপনারা কাকে ভোট দেবেন।

কোচির রাজেন্দ্র ময়দানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সভায় বিভিন্ন বয়সের বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন যুব এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন এর আগে, মেরিন ড্রাইভ থেকে রাজেন্দ্র ময়দান পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী
১৯৯২ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। শনিবার (৭ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় আমি কেঁদে দেই। এরমাধ্যমে আমি বুঝতে পারি ভারতের সামনে তার ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ লড়াই সামনে রয়েছে। উত্তর প্রদেশের উগ্রপন্থিদের মধ্যে ওই সময় রামজন্মভূমি আন্দোলন বিস্তৃত হচ্ছিল। বাবরি মসজিদের নিচে প্রাচীন মন্দির আছে এমন অভিযোগ তুলে এটি ভেঙে ফেলা হয়। ওই কাজে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির হাত ছিল সেটি উল্লেখ করে সোনিয়া বলেন, আমি বুঝতে পারি মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং তার সহকর্মীরা যে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন সেটি রক্ষায় ভারত কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হচ্ছিল। ভারতে বিজেপি ও তাদের উগ্র হিন্দুত্ববাদের যে উত্থান হয়েছে সেখানে কংগ্রেসেরও ভূমিকা আছে বলে স্বীকার করেছেন সোনিয়া। এদিকে সোনিয়া বাবরি মসজিদ নিয়ে এমন বক্তব্য দেওয়ার পর তাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলটির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস হলো ‘হিন্দু বিরোধী’। তিনি এক্সে লিখেছেন, সোনিয়া গান্ধী বাবরি মসজিদের জন্য চোখের পানি ফেলেন, সোনিয়া গান্ধী বাটলা হাউজের জন্য চোখের পানি ফেলেন। সোনিয়া গান্ধী প্রমাণ করেছেন কংগ্রেস হলো বাবরপন্থি এবং ভগবান রাম বিরোধী। সোনিয়া গান্ধীর ভোট ব্যাংক কমতেই থাকবে। বাবরি মসজিদ ভাঙার জেরে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় দ্বন্দ্ব বাধে। যার রেশ দীর্ঘদিন ছিল। বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালে সেখানে মন্দির নির্মাণ করে সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরটিভি/এসআর
বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী
নার্সিংহোমের বাথরুমে প্রসব, সন্তানকে জানালা দিয়ে ফেলে দিলেন কিশোরী মা!
পেটে যন্ত্রণা নিয়ে মাঝরাতে নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিল এক কিশোরী। সকালে বাথরুমে ঢুকে নিজেই সন্তান প্রসব করে সে। এর পরে বাথরুমের জানলা দিয়ে সদ্যোজাতকে নিচে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কিশোরীর উপর।  শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের এক নার্সিংহোমে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেটে ব্যথা নিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে নার্সিংহোমে ভর্তি হয় হাওড়ার বাসিন্দা ওই নাবালিকা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মেয়ে যে সন্তানসম্ভবা ছিল তা তারা একেবারেই জানতেন না। কেবল সাধারণ পেটে ব্যথার কারণেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক জানিয়েছেন, সকালে তিনি নার্সংহোম থেকে কিছু পড়ার আওয়াজ পান। কাছে গিয়ে তিনি রক্তমাখা এক নবজাতক শিশুকে পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই নার্সিংহোমের এক নার্স ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি ভিতরে নিয়ে যান। নার্সিংহোমের মালিক সুচেতা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শুক্রবার গভীর রাতে ভর্তি করানোর পরে শনিবার সকালে কিশোরীর রক্ত পরীক্ষা করানো হয়েছিল। নার্সিংহোমে ভর্তির সময় পরিবারের লোকজনের কাছে বারবার এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা কিছু জানেন না বলেই দাবি করেছিলেন। এমন কাণ্ডে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কড়া আইনি পদক্ষেপ করা উচিত।  এ বিষয়ে উত্তরপাড়ার বিজেপি বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, আমি থানায় গিয়েছিলাম। কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করব। অনেক নার্সিংহোম রয়েছে, যারা কোনও নিয়ম-কানুন মানছে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে। যে মেয়েটি ভর্তি হয়েছে সে কিশোরী। আমি নিশ্চিত করছি এই ঘটনা কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা হবে। আরটিভি/এসআর
নার্সিংহোমের বাথরুমে প্রসব, সন্তানকে জানালা দিয়ে ফেলে দিলেন কিশোরী মা!
নবম শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করায় ছেলেকে বিএমডব্লিউ উপহার বাবার!
পরীক্ষায় ভালো ফল করায় নবম শ্রেণির ছেলেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন বাবা।
নবম শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করায় ছেলেকে বিএমডব্লিউ উপহার বাবার!
বিয়ে নিয়ে বিরোধ, জলপ্রপাতে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
চার বছরের সম্পর্ক ২৩ বছর বয়সী তরুণী রক্ষিতা সারিকার ও ২৯ বছর বয়সী বাসাপ্পা সাতান্নাভারের। কিন্তু বিয়ে কথা বললেই বেঁকে বসে প্রেমিকা। এর জেরে রক্ষিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে সাতান্নাভারের বিরুদ্ধে। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের গোকাক জলপ্রপাতে প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে রক্ষিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পরে জলপ্রপাতের কাছের একটি পাহাড়ি ঢালে তার মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। অভিযুক্ত বাসাপ্পা সাতান্নাভার ভারতের সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) বিহারে অবস্থিত ২১তম ব্যাটালিয়নের একজন কনস্টেবল। তার বাড়ি কর্ণাটকের বেলগাভি জেলায়। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, রক্ষিতা ও বাসাপ্পার মধ্যে চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাসাপ্পা তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। তবে বিয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। পুলিশ জানায়, গত ২৮ অক্টোবর বিয়ে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার কথা বলে রক্ষিতাকে গোকাক জলপ্রপাতে ঘুরতে নিয়ে যান বাসাপ্পা। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাসাপ্পা রক্ষিতাকে মারধর করেন, কানে আঘাত করেন এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে জলপ্রপাতের কাছের একটি পাহাড়ি ঢালে মরদেহ ফেলে ঘটনাস্থল থেকে তিনি পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ করে পুলিশ। এদিকে রক্ষিতা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ শুরু করেন। পরে ১ নভেম্বর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নেমে হত্যাকাণ্ডের তথ্য উদ্‌ঘাটন করে পুলিশ। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের পর রক্ষিতাকে হত্যার অভিযোগে বাসাপ্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরো তদন্ত চলছে। আরটিভি/এসআর  
বিয়ে নিয়ে বিরোধ, জলপ্রপাতে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
কত বুলডোজার আছে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চালান: মমতা বন্দোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন, তোমাদের কাছে কতগুলো বুলডোজার আছে? এসো, আমি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার শরীরের ওপর দিয়ে, আমার বুকের ওপর দিয়েই বুলডোজার চালিয়ে দাও। আমি দেখতে চাই তোমাদের কত সাহস! সংসদ সদস্য ও ভাইপো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবনে হামলা এবং কলকাতার কালীঘাটে ঐতিহ্যবাহী কালীপূজার আয়োজনে বাধার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতাদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।  অভিষেক অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাত ২টার দিকে কালীঘাট রোডে তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বিজেপি-সমর্থিত দুর্বৃত্তরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একটি অংশের সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনাটিকে প্রাণনাশের চেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন ডায়মন্ড হারবারের এই সংসদ সদস্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিষেক লেখেন, দুই দিন ধরে একটানা নজরদারির পর আজ রাত ২টায় এভাবেই আমার বাড়িতে বিজেপির গুন্ডারা হামলা চালিয়েছে। ফুটেজ দেখুন এবং নিজেরাই বিচার করুন। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন হতে পারে, তা কল্পনা করুন। গত ছয় মাসে আমার প্রাণনাশের এটি সপ্তম চেষ্টা। অথচ পুলিশের কোনও পদক্ষেপ নেই, বিচার বিভাগেরও কোনও হস্তক্ষেপ নেই। এদিকে কালীঘাট এলাকায় ঐতিহ্যবাহী কালীপূজার আয়োজনেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আসা কয়েকটি পূজার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। অথচ নতুন করে আয়োজন করা একটি পূজাকে প্রধান সড়কে করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এই এলাকাটি কালীপূজার শোভাযাত্রার ঐতিহ্যবাহী পথ, তবে কালীপূজা ও দীপাবলির ঠিক মুখে উদযাপনে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে? বিজেপির কথিত বুলডোজার ব্যবহারের হুমকির জবাবে নিজের চ্যালেঞ্জ পুনর্ব্যক্ত করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়ার চেয়ে তিনি নিজে তার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আরটিভি/এসআর  
কত বুলডোজার আছে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চালান: মমতা বন্দোপাধ্যায়
আরও পড়ুন
রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে দেখাবেন, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী
ঢাকায় গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদের পরিবার পেল ৩ লাখ টাকা
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন দায়িত্বে জাস্টিন ট্রুডো
জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী