ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আফগানিস্তানে আবারও হামলা চালাল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
আফগানিস্তানের একটি আবাসিক এলাকায় গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর হতাহতদের উদ্ধারকাজে ব্যস্ত স্থানীয় জনতা। ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে আবারও বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে একের পর এক ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনার জের ধরে আফগান ভূখণ্ডের ১০টি সুনির্দিষ্ট স্থানে এ পাল্টাহামলা চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে পাকিস্তানি তথ্যমন্ত্রী জানান, দেশের আত্মরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাকিস্তান আফগানিস্তানে ড্রোন সংরক্ষণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত ১০টি আস্তানায় পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে।

এর আগে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকতে যাওয়া আটটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করে পাকিস্তানি বাহিনী। এর মধ্যে তোরখাম সীমান্ত ও কোহাটের পাহাড়ি এলাকায় ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়। এর পরপরই আফগান ভূখণ্ডে এই জোরালো সামরিক পদক্ষেপ নিল ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের অভিযোগ, তালেবান সরকারকে বারবার অনুরোধ করার পরও আফগান মাটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসী আস্তানা ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্কগুলো ধ্বংস করা হয়নি; বরং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে শত্রুতামূলক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

পাকিস্তানি তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তবে পাকিস্তান আঞ্চলিক শান্তি ও সংলাপে বিশ্বাস করে জানিয়ে তিনি আফগান তালেবান সরকারকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

আরটিভি/এআর

আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের বিহসুদ জেলার একটি আবাসিক এলাকায় গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর হতাহতদের উদ্ধারকাজে ব্যস্ত স্থানীয় জনতা। ছবি: এএফপি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নিয়োগ
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপাক্ষিক সামরিক জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদ। 
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নিয়োগ
চেয়ারের চেয়েও গাড়ি সরু, ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব শোবার ঘরে
গাড়িটি চার চাকার। তবে চওড়ায় মাত্র ৫০ দশমিক ২ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট ৮ ইঞ্চির মতো। আমরা ঘরে বা কার্যালয়ে যে ধরনের প্লাস্টিক চেয়ার ব্যবহার করি, গাড়িটি তার চেয়েও সরু।
চেয়ারের চেয়েও গাড়ি সরু, ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব শোবার ঘরে
জামায়াতকে ইসলামাবাদ অভিমুখে 'লং মার্চ' স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে রাজধানী ইসলামাবাদমুখী লং মার্চ স্থগিত রাখতে জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজ নাঈমুর রহমানকে অনুরোধ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। একই সঙ্গে জ্বালানি কর নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদমুখী মার্চ নিয়ে জামায়াতের আমির মুলতানে পৌঁছানোর পর তাকে ফোন করেন শেহবাজ। এ সময় তিনি জামায়াতের ইসলামাবাদমুখী মার্চ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান। তবে লং মার্চ স্থগিত করা হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার জামায়াত ছাড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দলটির আমির। জবাবে হাফিজ নাঈম বলেন, সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বা সংঘাতের মুখে ফেলা জামায়াতের উদ্দেশ্য নয়। তবে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন এবং প্রতিবাদ করার অধিকার সরকারকে সম্মান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পরিষদ শুরার সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, সরকারের অনুরোধে মার্চ স্থগিত করা হলেও প্রতিবাদ করার অধিকার জামায়াত ছাড়বে না। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বলছে, পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে হাফিজ নাঈমের নেতৃত্বে জামায়াতের ট্রেন মার্চ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মুলতানে পৌঁছায়। সেখানে রেলস্টেশনে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ট্রেনটি চার ঘণ্টা দেরিতে মুলতানে পৌঁছেছে। তবে এই বিলম্বও সমর্থকদের মার্চকে স্বাগত জানাতে আসা ঠেকাতে পারেনি। হাফিজ নাঈম বলেন, ‘যারা ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা মুলতানে আমাদের স্বাগত জানাতে কত মানুষ বেরিয়ে এসেছে, তা দেখুক।’ বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন শহর ও জনপদেও একইভাবে মানুষ জামায়াতের এই মার্চকে স্বাগত জানাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এখন এই মার্চ দক্ষিণ পাঞ্জাব হয়ে মধ্য পাঞ্জাবে যাবে বলেও জানান তিনি। সরকারের উদ্দেশে পাকিস্তান জামায়াতের আমির বলেন, রাস্তায় কনটেইনার ফেলে, বাধা দিয়ে এই মার্চ থামানো যাবে না। পেট্রোলিয়াম লেভির মধ্যে থাকা কথিত ‘চাঁদাবাজির কর’ প্রত্যাহার এবং জনগণকে স্বস্তি দেয়ার দাবি জানান তিনি। জামায়াতের আমির বলেন, তারা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরছেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো রাজনৈতিক দলগুলো যথাযথভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ভোক্তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপের উদাহরণ হিসেবে গম, আটা ও চিনির দাম বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন তিনি। হাফিজ নাঈম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আটা ও চিনি ব্যবসায়ীদের প্রভাব রয়েছে। চিনি আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারের নীতিতে অসঙ্গতি রয়েছে বলেও সমালোচনা করেন তিনি। স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি নিয়েও জামায়াতের আগের আন্দোলনের কথা তুলে ধরেন তিনি। ওই ক্ষেত্রেও দলটি জনগণের স্বার্থ তুলে ধরেছিল বলে দাবি করেন জামায়াতের আমির। সংবাদমাধ্যম বলছে, গত রোববার পেট্রোলিয়াম লেভির বিরুদ্ধে করাচি থেকে লং মার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী। পরে ট্রেন ও সড়কপথে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই আন্দোলন ইসলামাবাদের দিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি দলটি দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভও করেছে। এর আগে দাবিগুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে জামায়াত। এদিকে মুলতানে পৌঁছানোর পর জামায়াতের এই বহর লাহোরের দিকে যাওয়ার কথা রয়েছে। এরপর লং মার্চের শেষ ধাপে ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হবেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। আরটিভি/এসআর
জামায়াতকে ইসলামাবাদ অভিমুখে 'লং মার্চ' স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে পাকিস্তানি জামায়াতের ট্রেনমার্চ
পেট্রোলিয়াম লেভি বা জ্বালানির ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক বাতিল করা না হলে চলমান বিক্ষোভ সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান।
তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে পাকিস্তানি জামায়াতের ট্রেনমার্চ
পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে তুমুল গোলাগুলি, ১৬ পুলিশসহ নিহত ৩১
পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে একটি পুলিশ সদর দপ্তরে বড় ধরনের হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৬ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।
পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে তুমুল গোলাগুলি, ১৬ পুলিশসহ নিহত ৩১
আরও পড়ুন
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নিয়োগ
আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে নাম নিবন্ধন করেছেন তাসকিন
জামায়াতকে ইসলামাবাদ অভিমুখে 'লং মার্চ' স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে পাকিস্তানি জামায়াতের ট্রেনমার্চ