ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য সুদ এড়িয়ে ক্রেডিট কার্ড ও বাড়ি-গাড়ি কেনার বিকল্প ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী যেসব মুসলিম সুদ এড়িয়ে চলতে চান, তাদের জন্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, গাড়ি কেনা কিংবা বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে অনেক সময় দ্বিধা তৈরি হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে সুদ না দিয়েও এসব সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামি স্কলার ও ফিকহ বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামতেও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে কিছু বিকল্প ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যায়। তবে প্রতিটি আর্থিক চুক্তির শর্ত আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।

ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলেই যে অবশ্যই সুদ দিতে হবে, এমন নয়। যেসব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে, সেখানে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পুরো স্টেটমেন্ট ব্যালেন্স পরিশোধ করলে সাধারণ কেনাকাটার ওপর সুদ না দেওয়ার সুযোগ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রোটেকশন ব্যুরো জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটার জন্য গ্রেস পিরিয়ড থাকে। তবে সব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড থাকা বাধ্যতামূলক নয় এবং কার্ডভেদে শর্ত আলাদা হতে পারে।

অর্থাৎ, কেউ যদি এক মাসে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ১ হাজার ডলারের কেনাকাটা করেন এবং নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পুরো ১ হাজার ডলার পরিশোধ করেন, তাহলে গ্রেস পিরিয়ড প্রযোজ্য থাকা অবস্থায় ওই কেনাকাটার জন্য সুদ দিতে হয় না। কিন্তু পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ না করে শুধু ন্যূনতম পেমেন্ট দিলে সুদ আরোপ হতে পারে। ক্যাশ অ্যাডভান্সের ক্ষেত্রেও সাধারণ কেনাকাটার মতো নিয়ম প্রযোজ্য নয় এবং সেখানে দ্রুত সুদ শুরু হতে পারে।

এই বাস্তবতার সঙ্গে ইসলামি ফিকহের কিছু মতামতেরও মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাসেম্বলি অব মুসলিম জুরিস্টস অব আমেরিকা বা এএমজেএর একটি ফতোয়ায় বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রয়োজনের বাস্তবতা বিবেচনায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ছাড় রয়েছে।

ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত হতে হবে যে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন এবং সুদ কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি করবেন না। এএমজেএর আরেকটি সিদ্ধান্তেও গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করার শর্তে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের অনুমতির কথা বলা হয়েছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ধরনের ক্রেডিট কার্ডকে ইসলামি স্কলাররা সুদমুক্ত বা শরিয়াহসম্মত বলে ঘোষণা করেছেন। বরং বিষয়টি শর্তসাপেক্ষ। বিশেষ করে যে চুক্তিতে বিলম্ব হলে সুদ দিতে হয়, সেটি গ্রহণ করা নিয়ে আলেমদের মধ্যে সতর্কতা রয়েছে। তাই কোনো কার্ড নেওয়ার আগে তার চুক্তি, সুদের শর্ত, গ্রেস পিরিয়ড, ক্যাশ অ্যাডভান্সের নিয়ম এবং বিলম্বিত পেমেন্টের শর্ত ভালোভাবে দেখা জরুরি।

গাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন ক্রেতাদের সামনে কিছু বিকল্প রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা ও ডিলার সময় সময় নির্দিষ্ট গাড়ি, নির্দিষ্ট মেয়াদ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতার ক্রেতাদের জন্য শূন্য শতাংশ বা ০ শতাংশ এপিআর ফাইন্যান্সিং অফার করে। তবে এ ধরনের অফার সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। ভালো ক্রেডিট স্কোর, নির্দিষ্ট গাড়ির মডেল, ডাউন পেমেন্ট, ঋণের মেয়াদ কিংবা অন্য কোনো শর্ত থাকতে পারে।

ইসলামি ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মঞ্জের কাহফের প্রকাশিত ফতোয়াতেও যুক্তরাষ্ট্রে ০ শতাংশ গাড়ি ফাইন্যান্সিং নিয়ে ইতিবাচক মতামত পাওয়া যায়। একটি ক্ষেত্রে তিনি এমন গাড়ি কেনার ব্যবস্থা অনুমোদনযোগ্য বলেছেন, যেখানে ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি চুক্তিতে সুদের অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নেই এবং ডিলার নিজস্ব খরচের অংশ হিসেবে অন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করে। তার ব্যাখ্যায় মূল বিষয় হলো ক্রেতার সঙ্গে করা চুক্তির প্রকৃতি।

আরেকটি ফতোয়ায় ড. মঞ্জের কাহফ যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সুদভিত্তিক ফাইন্যান্সিং এড়িয়ে চলার কথা বলেন এবং উল্লেখ করেন যে বিভিন্ন গাড়ি ডিলারের কাছ থেকে ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিংয়ের সুযোগ পাওয়া যায়। তবে বাজারের অফার এবং চুক্তির শর্ত সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট গাড়ির অফার শরিয়াহসম্মত কি না, তা চুক্তি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই নিরাপদ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ০ শতাংশ এপিআর লেখা থাকলেই কোনো গাড়ির ফাইন্যান্সিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইসলামি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। চুক্তিতে বিলম্বের সুদ, অতিরিক্ত চার্জ, মালিকানা, লিজের কাঠামো এবং অন্যান্য শর্ত কী আছে, তা দেখতে হবে। একইভাবে কোনো ডিলার যদি গাড়ির দাম বাড়িয়ে নির্দিষ্ট কিস্তিতে বিক্রি করে, সেটি সরাসরি সুদভিত্তিক ঋণের সমান কি না, তা চুক্তির কাঠামোর ওপর নির্ভর করে।

বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়েছে। প্রচলিত মর্টগেজের পরিবর্তে ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো মুরাবাহা, ইজারা এবং ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো কাঠামো ব্যবহার করে থাকে।

ডিমিনিশিং মুশারাকায় সাধারণভাবে ক্রেতা এবং ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বাড়ির মালিক হন। ক্রেতা মাসিক পেমেন্টের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশ কিনে নেন। শেষ পর্যন্ত বাড়ির সম্পূর্ণ মালিকানা ক্রেতার কাছে চলে আসে। মুরাবাহায় ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান বাড়ি কিনে নির্ধারিত লাভ যোগ করে গ্রাহকের কাছে একটি নির্দিষ্ট মোট মূল্যে বিক্রি করে। আর ইজারায় লিজ বা ভাড়া ভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা থাকতে পারে।

বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে এএমজেএর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনার পর এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি কিছু প্রতিষ্ঠানের কাঠামো নির্দিষ্ট শর্তে শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাদের পর্যালোচনায় মুরাবাহা, ডিমিনিশিং মুশারাকা এবং ইজারার মতো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও সাম্প্রতিকভাবে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়া কোম্পানির ডিমিনিশিং পার্টনারশিপ বা ধীরে ধীরে মালিকানা হস্তান্তরভিত্তিক হোম ফাইন্যান্সিং চুক্তি পর্যালোচনা করে সেটিকে ইসলামি আইনের অধীনে গ্রহণযোগ্য বলে মত দিয়েছে। তবে কমিটি একই সঙ্গে স্বাধীন শরিয়াহ তদারকি বোর্ড রাখার পরামর্শ দিয়েছে এবং চুক্তিতে নির্ধারিত শর্তগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

এএমজেএর আগের পর্যালোচনায় মুবরাক মর্টগেজের মুরাবাহা চুক্তিকেও শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে। তবে একই প্রতিষ্ঠান স্পষ্ট করেছে, কোনো কোম্পানির চুক্তি পরিবর্তিত হলে আগের ফতোয়ার অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ইসলামিক ফাইন্যান্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলেই সেটির বর্তমান চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ধরে নেওয়া যাবে না।

এখানে ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসলামিক ফাইন্যান্স মানে শুধু প্রচলিত সুদের নাম পরিবর্তন করা নয়। প্রকৃত মালিকানা কার, সম্পদের ঝুঁকি কে বহন করছে, লাভ কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, বিলম্ব হলে কী হচ্ছে, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও ইন্স্যুরেন্সের দায়িত্ব কার এবং চুক্তি শেষ হলে সম্পদের মালিকানা কীভাবে হস্তান্তর হবে, এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তাই যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য বাস্তব কিছু পথ রয়েছে। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ করে সুদ এড়ানোর সুযোগ কিছু ইসলামি ফিকহ বিশেষজ্ঞ শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন করেছেন। গাড়ির ক্ষেত্রে প্রকৃত ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিং কিংবা চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী শরিয়াহসম্মত বিকল্প বিবেচনা করা যেতে পারে। আর বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে মুরাবাহা, ইজারা ও ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো ফাইন্যান্সিং ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে চালু রয়েছে।

তবে এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের জন্য আর্থিক কিংবা ধর্মীয় সিদ্ধান্তের নির্দেশনা নয়। একজনের জন্য যে ব্যবস্থা উপযুক্ত হতে পারে, অন্যজনের জন্য তা নাও হতে পারে। বিশেষ করে ইসলামি ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং চুক্তির সামান্য পরিবর্তনেও ধর্মীয় সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে।

তাই সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন কেউ ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি বা বাড়ির ফাইন্যান্সিং নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পুরো চুক্তি ভালোভাবে পড়ুন, মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে তা হিসাব করুন, সব ধরনের ফি ও জরিমানার শর্ত দেখুন এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য ও বিশ্বস্ত ইসলামি স্কলার বা ইসলামিক ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থার তথ্যও যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নারীর ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর টেনেসির কারাপ্রধানের পদত্যাগ
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার পর অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধান ফ্র্যাঙ্ক স্ট্রাডা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
নারীর ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর টেনেসির কারাপ্রধানের পদত্যাগ
দুই মাথাওয়ালা বিরল কচ্ছপছানা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকেরা
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে দুটি মাথাবিশিষ্ট বিরল এক কচ্ছপছানার সন্ধান পাওয়া গেছে। ‘ডায়মন্ডব্যাক টেরাপিন’ প্রজাতির এই কচ্ছপটির জন্মগত শারীরিক অস্বাভাবিকতা বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে কচ্ছপছানাটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বন্য প্রাণী সেবাকেন্দ্রের কর্মীরা।
দুই মাথাওয়ালা বিরল কচ্ছপছানা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকেরা
জিপসি রোজের সঙ্গী কেন উরকারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তে নতুন তথ্য
যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে নিজ বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে জিপসি রোজ ব্ল্যানচার্ডের সঙ্গী কেন উরকারকে।
জিপসি রোজের সঙ্গী কেন উরকারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তে নতুন তথ্য
ওহাইওতে ৩৪ বছর পর ধর্ষক শনাক্ত, তবু মামলা করা গেল না
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে ধর্ষণের ৩৪ বছর পর অপরাধীকে শনাক্ত করেও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করতে পারেনি পুলিশ।
ওহাইওতে ৩৪ বছর পর ধর্ষক শনাক্ত, তবু মামলা করা গেল না
অ্যামাজনের গ্রাহকদের মিলতে পারে ২০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত
অ্যামাজনের প্রাইম সেবার কিছু গ্রাহককে এবার সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
অ্যামাজনের গ্রাহকদের মিলতে পারে ২০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত
আরও পড়ুন
দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ক্রেডিট কার্ডে নির্ভরতা বাড়ছে মার্কিন পরিবারগুলোর
ক্যালিফোর্নিয়ার সব হাসপাতালের লিস্ট ও জরুরি নম্বরসমূহ জেনে নিন
যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান লালন-পালনে কম খরচ হয় যেসব রাজ্যে
আইফোনের চেয়েও দামি ‘ট্রাম্প ফোন’, এক লাফে ৭৪৯ ডলার