ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে ৭ শ্রেণির আবেদনকারীর জন্য লাগবে না ভিসা ফি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সাতটি ক্যাটাগরির আবেদনকারীদের কোনো প্রসেসিং ফি দিতে হবে না। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি তথ্যের বরাতে এই তথ্য জানা যায়। তবে এই ছাড় সাধারণ পর্যটন, ব্যবসা বা শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

মার্কিন দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, কূটনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ন্যাটোর প্রতিনিধি যারা A, G, C-2, C-3 ও NATO ভিসায় আবেদন করবেন, তাদের প্রসেসিং ফি দেওয়া লাগবে না। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া 'J' ভিসার আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।

তৃতীয় ও চতুর্থ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন প্রশাসনিক ভুলের কারণে নতুন ভিসা পাওয়া আবেদনকারী এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিভিন্ন ট্রাস্ট ও বিশেষ মিশনের প্রতিনিধি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। মানবিক কাজ বা দাতব্য সেবায় যুক্ত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও ভিসা সার্ভিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফি মওকুফ হতে পারে।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ ক্যাটাগরিতে সরকারি প্রয়োজনে ভ্রমণকারী মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং দায়িত্ব পালনকালে মারা যাওয়া বা গুরুতর আহত মার্কিন কর্মচারীদের নিকটাত্মীয়রা এই ফি ছাড়ের সুবিধা পাবেন। স্বজনদের জানাজা বা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে ভ্রমণকারী পরিবারের সদস্যরা এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফি মওকুফ হওয়া মানেই ভিসা শতভাগ নিশ্চিত নয়। সাধারণ নন-পিটিশনভিত্তিক ভিসায় প্রসেসিং ফি ১৮৫ ডলার বহাল থাকছে। পাশাপাশি আবেদনকারীর জাতীয়তা ও ভিসার ধরণভেদে আলাদা রেসিপ্রোসিটি বা ভিসা ইস্যুয়েন্স ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ
যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য পোডিয়ামে দাঁড়ানোর পরপরই চরম এক নাটকীয় পরিস্থিতির তৈরি হয়। তার বক্তব্য শুরু হওয়ার সাথে সাথেই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে দলবেধে বাইরে চলে যান বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।
নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট / মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে দক্ষ ধাত্রীসেবা বা মিডওয়াইফারির কার্যকর সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক সাইড ইভেন্টে।
মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট
মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের নতুন করে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি সই হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বিশেষ পোস্ট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুসজ্জিত সামরিক বিমান উড়িয়ে এবং ১০০ ফুট (৩০ মিটার) দীর্ঘ লালগালিচা বিছিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে লালগালিচা সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় সব মুহূর্ত
নিউ ইয়র্কে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিশ্বনেতারা। এমন সময় বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধ, সংঘাত ও কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি অতীতের স্মরণীয় ঘটনাগুলোও ফিরে আসছে আলোচনায়। জাতিসংঘের ইতিহাসের এমন কিছু স্মরণীয় ও আলোচিত মুহূর্ত নিচে তুলে ধরা হলো— ফিদেল কাস্ত্রোর সাড়ে ৪ ঘণ্টার ম্যারাথন ভাষণ (১৯৬০)  জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ভাষণের রেকর্ডটি কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর দখলে। ১৯৬০ সালে নিজের প্রথম ভাষণে তিনি টানা ৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট বক্তব্য দেন। এই সময়ে তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কড়া সমালোচনা করেন এবং কিউবান বিপ্লবের আদর্শ তুলে ধরেন। Politics নিকিতা ক্রুশ্চেভের টেবিল চাপড়ানো (১৯৬০) ১৯৬০ সালের অধিবেশনে পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ নিজের টেবিলে সজোরে ঘুষি মারতে থাকেন। এই অধিবেশন ঘিরেই তার জুতা খুলে টেবিলে আঘাত করার ঐতিহাসিক কিংবদন্তি চালু হয়। হুগো চ্যাভেজ ও ‘শয়তানের গন্ধ’ (২০০৬) ২০০৬ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চ্যাভেজ পডিয়ামে উঠে বুকে ক্রস আঁকেন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘গতকাল এখানে শয়তান এসেছিল। আজও এখানে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’ গাদ্দাফির সনদ ছিঁড়ে ফেলা (২০০৯)  লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ২০০৯ সালে ১৫ মিনিটের সময়সীমা ভেঙে টানা ১০০ মিনিট বক্তব্য দেন। নিরাপত্তা পরিষদকে ‘সন্ত্রাস পরিষদ’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে জাতিসংঘ সনদের একটি পাতা ছিঁড়ে কাঁধের ওপর দিয়ে ছুড়ে ফেলেন তিনি। নেতানিয়াহুর কার্টুন বোমা (২০১২)  ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অগ্রগতি বোঝাতে অধিবেশনে বোমার একটি বড় কার্টুন চিত্র প্রদর্শন করেন এবং একটি লাল কালি দিয়ে সেখানে সীমারেখা টানেন। ট্রাম্পের ‘রকেট ম্যান’ মন্তব্য (২০১৭)  ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক উত্তেজনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং দেশটির নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ বলে উপহাস করেন। Politics(Right) গিলাদ এরদানের সনদ শ্রেড করা (২০২৪)  ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের একটি প্রস্তাবের প্রতিবাদে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান একটি ছোট পেপার শ্রেডার মেশিন দিয়ে অধিবেশনের সামনেই জাতিসংঘ সনদের প্রচ্ছদ পাতা কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলেন। ট্রাম্পের ‘এস্কেলেটরগেট’  সম্প্রতি জাতিসংঘের মূল ভবনে প্রবেশের সময় এস্কেলেটর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হেঁটে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘নাশকতা’ বলে অভিযোগ করলেও জাতিসংঘ জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা একজন ভিডিওগ্রাফার ভুলবশত এস্কেলেটরের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামে চাপ দেওয়ায় এটি বন্ধ হয়ে যায়। এসব নাটকীয় ঘটনা ছাড়াও দীর্ঘ ভাষণ ও ক্লান্তিকর সূচির কারণে জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ব নেতাদের ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছে। ২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। সূত্র: ওয়াননিউজ আরটিভি/এসআর
জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় সব মুহূর্ত
আরও পড়ুন
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম ইরানের
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নতুন ভিসা বিধিনিষেধ
প্রথমবার বাড়ি কিনছেন? মর্টগেজের বাইরে যে খরচগুলো আসবে