
ক্যালিফোর্নিয়ার ফেয়ারফিল্ডে ইন্টারস্টেট ৮০-তে দুর্ঘটনাস্থলে থাকা ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে পেট্রলের (সিএইচপি) একটি গাড়িতে টেসলা ধাক্কা দিলে দুই কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। ২২ বছর বয়সী চালক তদন্তকারীদের বলেছেন, টেসলার ফুল সেলফ-ড্রাইভিং (এফএসডি) চালু রেখে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সংঘর্ষের ড্যাশক্যাম ভিডিও প্রকাশ করেছে সিএইচপি। জরুরি সেবার দুর্ঘটনাস্থলে ঢুকে পড়া টেসলার এটি সর্বশেষ ঘটনা। পাঁচ বছর আগে মার্কিন ফেডারেল নিয়ন্ত্রকেরা এ ব্যর্থতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিলেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মধ্যরাতের ঠিক আগে ফেয়ারফিল্ডের এয়ার বেইস পার্কওয়ের পশ্চিমে ১-৮০ মহাসড়কের পূর্বমুখী লেনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। কর্মকর্তারা সেখানে আগের একটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কাজে ছিলেন।
সিএইচপির তথ্য অনুযায়ী, টেসলাটি যখন মহাসড়কের গতিতে সেখানে পৌঁছায়, তখন ফ্লেয়ার ও কোন দিয়ে চারটি লেন আগেই বন্ধ করা ছিল। গাড়িটি বন্ধ করা অংশ ভেদ করে একটি ডজ চার্জার পেট্রলকারে গিয়ে ধাক্কা দেয়, যার ভেতরে দুই কর্মকর্তাই বসা ছিলেন। চার্জার ও ঘটনাস্থলের আরেকটি যানের ক্যামেরায় সংঘর্ষের দৃশ্য ধরা পড়ে।
স্যাক্রামেন্টোর বাসিন্দা টেসলাচালক সামান্য আঘাত নিয়ে বেরিয়ে আসেন। দুটি দুর্ঘটনারই তদন্ত চলছে। এক বিবৃতিতে সিএইচপি জোর দিয়ে বলেছে, এফএসডি চালকসহায়ক একটি ফিচার, যাতে গাড়ির চালকের সতর্ক থাকা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা প্রয়োজন। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রযুক্তি চালকদের নিরাপদে গাড়ি চালানোর দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেয় না।
সিএইচপি টেসলার মডেল বা সফটওয়্যার সংস্করণ প্রকাশ করেনি। আপাতত এফএসডি চালু ছিল, এর একমাত্র প্রমাণ চালকের বক্তব্য। বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে টেসলার যানবাহনের লগ।
জরুরি সেবার দুর্ঘটনাস্থলে টেসলার ধাক্কার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। ২০২১ সালের আগস্টে অটোপাইলটে চলা একের পর এক টেসলা থেমে থাকা পুলিশের গাড়ি ও ফায়ার ট্রাকে ধাক্কা দিলে এনএইচটিএসএ তদন্ত শুরু করে। এর অনেকগুলোই ঘটেছিল রাতে, যখন ঘটনাস্থলে ফ্লেয়ার, কোন ও জ্বলতে থাকা বাতি ছিল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে টেসলার ২০ লাখেরও বেশি গাড়ি প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ওই তদন্তের সমাপ্তি ঘটে। ওভার-দ্য-এয়ার আপডেটে চালকের মনোযোগ নিয়ে বাড়তি সতর্কবার্তা যোগ করে সমস্যার সমাধান করা হয়।
আরটিভি/ এসকেডি




