
চলতি বছরের শেষ তিন মাসে ব্যক্তিমালিকানাধীন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬১৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে আগামী বছরের প্রথম তিন মাসে আরও ৮০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটি।
সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত এক ঘোষণায় ২০২৬ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের ঋণ নেওয়ার হিসাব জানায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ৬১৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময় ডিসেম্বরের শেষে সরকারের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ৮৫০ বিলিয়ন ডলার রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত আগস্টে দেওয়া পূর্বাভাসের তুলনায় ঋণের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলার কম। প্রান্তিকের শুরুতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি নগদ অর্থ হাতে থাকায় এ পরিবর্তন এসেছে। তবে নগদ অর্থের ওই বাড়তি পরিমাণ হিসাবের বাইরে রাখলে ঋণের পূর্বাভাস আগের তুলনায় ২৪ বিলিয়ন ডলার বেশি।
অন্যদিকে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ৮০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে মন্ত্রণালয়। ওই প্রান্তিকের শেষে সরকারের নগদ অর্থের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলার রাখার লক্ষ্য রয়েছে।
এর আগে ২০২৬ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ৭৪২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় শেষে সরকারের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ৯৮৪ বিলিয়ন ডলার। আগস্টে এ প্রান্তিকে ৭৩৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল মন্ত্রণালয়। শেষ পর্যন্ত পূর্বাভাসের চেয়ে ৪ বিলিয়ন ডলার বেশি ঋণ নিতে হয়েছে। তবে প্রান্তিক শেষে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি নগদ অর্থ হাতে থাকার বিষয়টি বাদ দিলে প্রকৃত ঋণের পরিমাণ আগের পূর্বাভাসের চেয়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার কম ছিল।
ঋণসংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে প্রকাশ করবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়
আরটিভি/জেএমএ


