
মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও দেড় শ ভরি সোনা ডাকাতির মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোররাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডের পর দায়ের করা মামলায় নিজ দলের একাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হলে আত্মগোপনে চলে যান গোলাম জাহিদ। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি মাগুরার বাইরে অবস্থান করছেন বলে আলোচনা চলছিল।
বিশেষ করে গত ৩১ অক্টোবর মাগুরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেন গ্রেপ্তার হওয়ার পর গোলাম জাহিদের নাম আলোচনায় আসে। মারুফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির পাঁচটি সোনার বার উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। তবে উদ্ধার করা সোনার বারগুলোর সঙ্গে শাকের হত্যা ও দেড় শ ভরি সোনা ডাকাতির ঘটনার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তখন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে হত্যাকাণ্ডের পরদিন রাতে রনি শিকদার (৩৮) ও শামীমা তাবাসসুম (৩১) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রনি শিকদার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
পরে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ঝিনাইদহের সোনা ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলি সড়কে অবস্থিত 'গিনি হাউস' নামের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হন মাগুরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা শাকের হোসেন (৩৯)। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির ঘটনার তদন্ত করছে মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আরটিভি/ এসকেডি


