ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুরা ঘুমের মধ্যে হাসে কেন জানাল বিজ্ঞান

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শিশু ঘুমের মধ্যে হেসে ওঠাএই দৃশ্য দেখলে যে কারও মন ভরে যায়। অনেকেই মনে করেন, শিশুরা নিশ্চয়ই কোনো মজার স্বপ্ন দেখছে বলেই ঘুমের মধ্যেও হাসে। আবার লোকমুখে প্রচলিত আছে, শিশুর নিষ্পাপ মনেই নাকি এই হাসির রহস্য লুকিয়ে। তবে বিজ্ঞান এ বিষয়ে কী বলছে?

গবেষণা বলছে, শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো স্বপ্ন দেখে কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন। তবে তারা নিশ্চিত যে শিশুর ঘুম কয়েকটি ধাপে বিভক্ত। এসব ধাপের মধ্যে রয়েছে কোয়ায়েট স্লিপ (শান্ত ঘুম), ইনডিটারমিনেট স্লিপ (মধ্যবর্তী অবস্থা) এবং অ্যাক্টিভ স্লিপ।

অ্যাক্টিভ স্লিপ ধাপটিকে প্রাপ্তবয়স্কদের র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট (আরইএম) পর্যায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়। এই পর্যায়েই সাধারণত স্বপ্ন দেখা হয়। তবে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের শরীর এই সময় প্রায় স্থির থাকে, কিন্তু শিশুরা তখন হাত-পা নড়াতে পারে এবং মুখভঙ্গি বদলাতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা মূলত এই অ্যাক্টিভ স্লিপ অবস্থাতেই ঘুমের মধ্যে হাসে। এ সময় তারা হাত-পা নাড়ানো, ঠোঁট চোষার মতো ভঙ্গি করা, ভ্রু কুঁচকানো কিংবা হালকা হাসির মতো নানা আচরণ করতে পারে।

গবেষকেরা আরও লক্ষ্য করেছেন, অনেক নবজাতক শিশু ঘুমের মধ্যেই এমন জটিল মুখভঙ্গি করে, যা তারা জেগে থাকার সময় তখনো শেখেনি। এ কারণেই অনেক শিশুর জীবনের প্রথম হাসি দেখা যায় ঘুমের মধ্যেই।

আগের কিছু গবেষণায় ধারণা দেওয়া হয়েছিল, শিশুর ঘুমের হাসি একটি রিফ্লেক্স বা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তবে আধুনিক গবেষণা বলছে, এই হাসির উৎস শিশুর মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্স যে অংশ চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত।

বিজ্ঞানীদের মতে, ঘুমের মধ্যে শিশুর এই স্বতঃস্ফূর্ত হাসি মুখের পেশিগুলোকে সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি ধীরে ধীরে শিশুর সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
মাত্র ৯০ মিনিট ঘুমিয়েই পাওয়া যায় ১৪ হাজার ডলার
কম ঘুমে শরীরে যে ৫ বড় পরিবর্তন হয়
রাতে ঘুম কম, সকালে মাথাব্যথা? যেভাবে মিলবে স্বস্তি 
জামিনে বের হওয়া ছেলের হাতে খুন হলেন ঘুমন্ত বাবা