ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদের মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করতে যা করবেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
ছবি: মাহজাবিন মাহি প্রাপ্তি

ঈদ মানেই সাজগোজ, নতুন পোশাক আর দিনের বেশিরভাগ সময়টাই থাকে ঘোরাঘুরি ও আনন্দে ভরপুর। কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ-ঘর থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মেকআপ ফিকে হয়ে যায়, তেলতেলে হয়ে পড়ে বা ফাউন্ডেশনও ঠিকভাবে বসে না। এই সমস্যার অন্যতম কারণ হলো প্রাইমার ব্যবহার না করা বা সঠিক প্রাইমার বেছে না নেওয়া।

মেকআপের বেইজ ঠিক রাখতে প্রাইমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি ত্বক ও মেকআপের মাঝে একটি মসৃণ স্তর তৈরি করে, যার ফলে ফাউন্ডেশন সহজে বসে এবং দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়। শুধু তাই নয়, প্রাইমার ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে, পোরস ছোট দেখায়, ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং শুষ্কতাও কমায়।

বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে মেকআপ ধরে রাখা একটু কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই ধরনের ত্বকের জন্য প্রাইমার বাছাইয়ে একটু বেশি সচেতন হওয়া জরুরি।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন প্রাইমার ভালো?
১. ম্যাটিফায়িং প্রাইমার তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। এই ধরনের প্রাইমার মুখের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নেয় এবং ত্বককে ম্যাট লুক দেয়। যাদের ওপেন পোরসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্যও এটি বেশ কার্যকর, কারণ এটি রন্ধ্রগুলোকে আবছা করে দেয়।

২. প্রাইমার মিস্টও ব্যবহার করা যেতে পারে। ফাউন্ডেশনের আগে এই মিস্ট ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং মেকআপ আরও স্মুথভাবে বসে। গরমের দিনে এটি বেশ আরামদায়কও।

৩. প্রাইমার কেনার সময় অবশ্যই দেখে নিতে হবে সেটি ‘অয়েল ফ্রি’ কি না। অয়েল ফ্রি প্রাইমারে সাধারণত গ্লিসারিন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিডের মতো উপাদান থাকে, যা ত্বককে আর্দ্র রাখে কিন্তু তেলতেলে করে না।

আরও পড়ুন

৪. সিলিকন-বেসড প্রাইমারও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশ জনপ্রিয়। এটি ত্বককে মসৃণ করে, পোরস ব্লার করে এবং অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে মেকআপ অনেক বেশি নিখুঁত দেখায়।

৫. ওয়াটার-বেসড প্রাইমারও একটি ভালো অপশন। এটি হালকা, সহজেই ত্বকের সঙ্গে মিশে যায় এবং ত্বকে কোনো ভারী ভাব তৈরি করে না। গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এটি বিশেষভাবে কার্যকর।

প্রাইমার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম-
প্রাইমার ব্যবহার করতে হবে সঠিক নিয়ম মেনে, না হলে এর পুরো সুবিধা পাওয়া যাবে না। প্রথমে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। এরপর অল্প পরিমাণ প্রাইমার মানে কয়েক ফোঁটা নিয়ে মুখে লাগাতে হবে।

484055494_1687708465189186_102111265691985438_n
প্রাইমার লাগানোর সময় ব্রাশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। আঙুল দিয়েই সহজে এটি ত্বকে ব্লেন্ড করা যায়। বিশেষ করে চোখের নিচে ও যেখানে ক্রিজ পড়ে, সেখানে হালকা করে প্রাইমার লাগানো জরুরি।

প্রাইমার লাগানোর পর সঙ্গে সঙ্গে ফাউন্ডেশন ব্যবহার না করে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করা ভালো। এতে প্রাইমার ভালোভাবে ত্বকের সঙ্গে সেট হয়ে যায় এবং মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পীদের হাত ধরে বদলেছে রান্নার কৌশল, জনপ্রিয় হয়েছে বিভিন্ন দেশের খাবার, তৈরি হয়েছে নতুন স্বাদের ধারণা। তাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
ধূমপান ও নিকোটিন ব্যবহারের প্রবণতা ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও ইলেকট্রনিক সিগারেটের ক্ষেত্রে বদলে যাচ্ছে সেই চিত্র।
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
আরও পড়ুন
২০ বছরের কর্মজীবন শেষে ঘোড়ার গাড়িতে আবেগঘন বিদায়
২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত
আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির তিন শিক্ষকসহ ১১ কর্মকর্তাকে স্থায়ী বহিষ্কার
আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: শাহে আলম