ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাত না রুটি, কোনটি খাওয়া উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ভাত খাবেন, নাকি রুটি? অনেকের মনেই এই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। কেউ মনে করেন ভাত খেলে মোটা হয়ে যায়। আবার কেউ ভাবেন রুটি খেলে শরীর থাকে ফিট। তাই কেউ কেউ বুদ্ধি করে রাতের খাবারে ভাত আর রুটি দুটোই খান। মনে করেন এতে নাকি ভারসাম্যও থাকে, মনও খুশি থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে জানিয়েছেন ভিন্ন মত।

বাংলাদেশসহ ভারতের অনেক এলাকায় ভাত মানুষের প্রধান খাবার। আবার পাঞ্জাব বা মধ্যপ্রদেশের মতো কিছু অঞ্চলে মানুষ বেশি রুটি খেয়ে থাকেন। অনেকেই মনে করেন রুটিতে ভাতের তুলনায় কম শর্করা থাকে। তাই এটি বেশি স্বাস্থ্যকর।

পুষ্টিবিদরা বলেন, মোটা আটা বা আঁশযুক্ত আটা দিয়ে তৈরি রুটি শরীরের জন্য ভালো। তবে খুব মিহি ময়দা দিয়ে বানানো রুটি খেলে তা ভাতের মতোই শরীরে দ্রুত শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া বেশি পালিশ করা চিকন চাল খাওয়াও খুব ভালো নয়। বরং কম পালিশ করা চাল বা বাদামি চাল তুলনামূলক বেশি উপকারী। ভাত খেলে তার সঙ্গে ডাল, দই বা সবজি রাখলে শরীরের জন্য আরও ভালো হয়।

আরও পড়ুন

চিকিৎসকদের মতে, অনেক মানুষ ভাত বা রুটি বেশি খেয়ে ফেলেন। কিন্তু সবজি কম খান। অথচ ভাতের সঙ্গে বেশি সবজি খেলে শরীরে শর্করা ধীরে ধীরে মিশে যায়। ফলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হয়। রুটির আটা যদি শাকপাতা বা সবজির সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা যায়, তাহলে সেটিও শরীরের জন্য ভালো হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের বেশি শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়, তাদের জন্য ভাত ভালো। কারণ এতে শক্তি বেশি পাওয়া যায়। আর যাদের কাজ বেশি বসে করার, তাদের জন্য রুটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এতে আঁশ বেশি থাকে এবং পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রত্যেক মানুষের শরীর, বয়স ও দৈনন্দিন কাজের ধরন অনুযায়ী খাবারের প্রয়োজন ভিন্ন হয়। তাই কার জন্য ভাত ভালো আর কার জন্য রুটি ভালো, তা নির্ভর করে তার জীবনযাত্রার ওপর।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ভাত হোক বা রুটি। যেটিই খাওয়া হোক না কেন, তার সঙ্গে সবজি, ডাল বা আমিষজাত খাবার রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং খাবারও হয় সুষম।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
যে ৯ কারণে বাতিল হতে পারে ইমাম-পুরোহিতের সম্মানি ভাতা
মমতা ব্যানার্জির ভাতিজির রহস্যজনক মৃত্যু
দামি খাবার নয়, ডাল-ভাতেই মিলবে পুষ্টি
৫ ধরনের ভাতা দিচ্ছে সরকার, বাড়লো আবেদনের সময়