ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বাসি ভাত গরম করে খাচ্ছেন? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাঙালির খাবারের তালিকায় ভাত যেন অপরিহার্য। দিনের যেকোনো সময়ই ভাত খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তাই অনেক পরিবারে আগের দিনের ভাত পরের দিন গরম করে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। আবার কখনো সকালের ভাত রাতেও গরম করে খাওয়া হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বারবার ভাত গরম করে খাওয়া শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কেন বিপদ ডেকে আনে বাসি ভাত?

রান্না করা ভাত যদি দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা থাকে, তাহলে তাতে ব্যাসিলাস সিরিয়াস নামের এক ধরনের জীবাণু জন্মাতে পারে। পরে সেই ভাত আবার গরম করলে জীবাণুটি বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। এমন ভাত খেলে ডায়রিয়া, বমি বা পেটের নানা সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আরও পড়ুন

পান্তা ভাত হতে পারে ভালো বিকল্প

ভাত যদি বেঁচে যায়, তাহলে সেটিতে পানি দিয়ে রেখে পান্তা করে খাওয়া যেতে পারে। পান্তা ভাত শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পেটের সমস্যা কমায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। অনেক ক্ষেত্রে এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতেও উপকার করে।

ভাত সংরক্ষণে যা করবেন

বেঁচে যাওয়া ভাত ফেলে দিতে না চাইলে রান্নার এক ঘণ্টার মধ্যেই তা ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ভরে ঠান্ডা ঘরে রেখে দিতে হবে। খাওয়ার আগে বের করে ভালোভাবে গরম করে তবেই খেতে হবে। এতে অনেকটাই ঝুঁকি কমে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যতটা প্রয়োজন ঠিক ততটাই ভাত রান্না করা ভালো। এতে খাবারের অপচয়ও কমবে, আবার স্বাস্থ্যঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
অতিরিক্ত বড় স্তন নিয়ে বিপাকে নারীরা, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি 
গরমে প্রতিদিন স্যালাইন খাওয়া নিরাপদ নয় কেন? 
যে অভ্যাসে বিপদ ডেকে আনছে আপনার শিশু