ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

অতিরিক্ত বড় স্তন নিয়ে বিপাকে নারীরা, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই মনে করেন বড় আকৃতির স্তন সৌন্দর্যের প্রতীক। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ঠিক উল্টো। চিকিৎসক ও গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত বড় স্তন নারীদের শরীর ও মনের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

আর্জেন্টিনার এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক জানান, কৈশোর থেকেই বড় স্তনের কারণে তিনি লজ্জা ও শারীরিক কষ্টে ভুগেছেন। বিষয়টি আড়াল করতে তিনি কুঁজো হয়ে হাঁটতেন। দীর্ঘদিনের সেই অভ্যাস এখনো তার শরীরে ব্যথা তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় স্তনের কারণে দীর্ঘস্থায়ী পিঠ ও ঘাড় ব্যথা, মাথাব্যথা, দেহভঙ্গির সমস্যা, অবশভাব, এমনকি ঘুমের ব্যাঘাতও হতে পারে। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক চাপও বাড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই সমস্যার কারণে অনেক নারী স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করতে পারেন না। অনেক সময় পছন্দের কাজ থেকেও দূরে সরে যেতে হয়।

আরও পড়ুন

চিকিৎসকরা বলছেন, বড় স্তন স্বাভাবিকভাবেই ভারী হওয়ায় শরীর সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এতে ঘাড় ও পিঠে চাপ তৈরি হয়। ঠিকমতো সমর্থন দিতে পারে এমন অন্তর্বাস খুঁজে পাওয়াও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

অনেক নারীকে একসঙ্গে দুই বা তিনটি অন্তর্বাস পরতে হয়, যা অস্বস্তির পাশাপাশি বাড়তি খরচও বাড়ায়।

বিশ্বজুড়ে স্তনের আকার ছোট করার অস্ত্রোপচারও বাড়ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে লাখ লাখ নারী এই অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। কারণ তারা শুধু সৌন্দর্য নয়, স্বস্তি ও সুস্থতা চান।

একজন ভুক্তভোগী জানান, অস্ত্রোপচারের পর তিনি নিজেকে মুক্ত অনুভব করেছেন। দৈনন্দিন কাজ করাও সহজ হয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সঠিক মাপের অন্তর্বাস না পরলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। এতে ব্যথা বাড়ার পাশাপাশি ত্বক ও শরীরের ভেতরের অংশেও ক্ষতি হতে পারে।

তবে সমাজে এখনো অনেকেই এই বিষয়টিকে শুধুই সৌন্দর্যের বিষয় হিসেবে দেখেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এটি মূলত একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা, যা অবহেলা করলে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শরীরের অস্বস্তিকে অবহেলা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনাই সবচেয়ে জরুরী।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বাসি ভাত গরম করে খাচ্ছেন? 
গরমে প্রতিদিন স্যালাইন খাওয়া নিরাপদ নয় কেন? 
যে অভ্যাসে বিপদ ডেকে আনছে আপনার শিশু