ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

সাদা ডিম নাকি লাল ডিম, কোনটিতে বেশি পুষ্টি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাজারে গেলে সাধারণত দুই ধরনের মুরগির ডিম দেখা যায়—সাদা খোলসের ডিম আর লাল খোলসের ডিম। অনেকেই মনে করেন, লাল ডিমের দাম বেশি হওয়ায় এর পুষ্টিগুণও বেশি। আবার কেউ কেউ বলেন, সাদা ডিমই বেশি ভালো। তবে আসল সত্য কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের খোলসের রঙের সঙ্গে পুষ্টিগুণের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ সাদা ও লাল—দুই ধরনের ডিমের পুষ্টিমান প্রায় একই।

ডিমের রং আলাদা হয় কেন?

ডিমের রং মূলত নির্ভর করে মুরগির জাত ও জিনের ওপর। সাধারণত সাদা পালকের মুরগি সাদা ডিম পাড়ে আর গাঢ় রঙের মুরগি লাল বা বাদামি ডিম দেয়।

গবেষকদের মতে, ডিম তৈরির একেবারে শেষ পর্যায়ে মুরগির শরীর থেকে এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ খোলসের ওপর যুক্ত হয়। এর কারণেই ডিমের রং লাল বা বাদামি দেখায়।

পুষ্টিতে কি পার্থক্য আছে?

পুষ্টিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু খোলসের রং দেখে ডিমের পুষ্টি বিচার করা ঠিক নয়। সাদা ও লাল দুই ধরনের ডিমেই প্রায় সমান পরিমাণ শক্তি, প্রোটিন ও চর্বি থাকে।

তবে কিছু গবেষণায় লাল ডিমে সামান্য বেশি ওমেগা চর্বির কথা বলা হলেও সেই পার্থক্য খুবই কম।

আসল পার্থক্য কোথায়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের পুষ্টিগুণ নির্ভর করে মুরগি কী খাচ্ছে এবং কী পরিবেশে বড় হচ্ছে তার ওপর।

আরও পড়ুন

যেসব মুরগি প্রাকৃতিক খাবার খায়, রোদে থাকে ও খোলা পরিবেশে ঘোরাফেরা করে, তাদের ডিমে কিছু ভিটামিন ও খনিজ বেশি থাকতে পারে।

অন্যদিকে উন্নত খাবার খাওয়ানো খামারের মুরগির ডিমেও অনেক সময় ভালো পুষ্টি পাওয়া যায়।

কুসুমের রঙ গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের খোলস নয়—বরং কুসুমের রঙ কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ। কুসুম যত গাঢ় হয়, তত বেশি ভিটামিন ও খনিজ থাকার সম্ভাবনা থাকে। এই রঙও নির্ভর করে মুরগির খাবারের ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ডিমের রং দেখে ভালো-মন্দ বিচার করার সুযোগ নেই। সাদা বা লাল—দুই ধরনের ডিমই পুষ্টিকর।

তাই ডিম কেনার সময় রঙ নয়, বরং ডিমের সতেজতা ও মুরগির খাদ্যাভ্যাসের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ঢাকায় সোনার ৬টি ‘ডিম’ জব্দ
‘ডিসেম্বরে খেলা হবে’ স্লোগান দিয়ে রাতের আঁধারে ছাত্রলীগের মিছিল
এবার মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘সোনার ডিম’
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর