ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

হজমের স্বস্তি মেলে ভেজানো কিশমিশে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারী খাবার খেলেই গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালার সমস্যা এমন অভিযোগ এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। হজমের গোলমালে রাতের ঘুম নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে পরদিন ক্লান্তি, সব মিলিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যার সহজ সমাধান লুকিয়ে থাকতে পারে ভেজানো কিশমিশে।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন সকালে রাতভর ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ খেলে শরীরের নানা উপকার মিলতে পারে। নিয়মিত এই অভ্যাস হজমশক্তি উন্নত করা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়ক।

হজমে সহায়ক

কিশমিশে রয়েছে পর্যাপ্ত ডায়েটারি ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমানো এবং পেট পরিষ্কার রাখতে এটি কার্যকর। ফলে গ্যাস, অম্বল ও বুক জ্বালার মতো সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।

সারাদিনের শক্তি

কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ দ্রুত শক্তি জোগায়। সকালে এটি খেলে অতিরিক্ত চা-কফি বা চিনি নির্ভরতা কমতে পারে। দিনের মাঝামাঝি ক্লান্তিও তুলনামূলক কম অনুভূত হয়।

আরও পড়ুন

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ কিশমিশ শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত সেবনে সর্দি-কাশি ও সাধারণ সংক্রমণের ঝুঁকি কমতে পারে।

হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা

কিশমিশে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের গঠন শক্ত রাখতে সাহায্য করে। বয়সজনিত হাড়ক্ষয় ও জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও এটি সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হৃদযন্ত্রের যত্নে

নিয়মিত কিশমিশ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা বা বুক ধড়ফড়ের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।

যেভাবে খাবেন

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতে শোয়ার আগে এক বাটি পরিষ্কার পানিতে ৮-১০টি কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে পানি ঝরিয়ে ফুলে ওঠা কিশমিশ খেয়ে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাস হালকা পেট, বাড়তি এনার্জি ও সামগ্রিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক বুধবার
আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৬৫৫   
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদেরকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা