ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যেসব খাবারে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শরীরের গঠন ও কার্যকারিতা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। খাবার থেকে প্রোটিন পুরোপুরি বাদ দিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব না। তাই কার্যকরী প্রোটিনের উৎস সম্পর্কে জানা এবং সেগুলো নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখা জরুরি। কিছু উৎস সম্পর্কে আপনি সম্ভবত আগে থেকেই জানেন। তবে কোনগুলোতে বেশি প্রোটিন থাকে তা জানা থাকলে খাবারের তালিকা সাজিয়ে নেওয়া আরও সহজ হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলোতে প্রোটিন বেশি থাকে-

চর্বিহীন মাংস

মুরগি, টার্কি, গরুর মাংস এবং খাসির মাংসের মতো খাবার উচ্চ-মানের প্রোটিনের ভালো উৎস। এগুলোতে আয়রন এবং জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও থাকে।

মাছ

মাছ শুধু প্রোটিনেই সমৃদ্ধ নয়, বরং এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও থাকে, যা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার। স্যামন, অ্যাঙ্কোভিস এবং ট্রাউটের মতো কম মিথাইলমার্কারিযুক্ত সামুদ্রিক খাবার বেছে নিন।

shad-photo-Recovered

দুগ্ধজাত পণ্য

দুধ ও পনির প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। টক দইও একটি উপকারী খাবার, যাতে প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের মতো পুষ্টি উপাদানও প্রচুর পরিমাণে থাকে।

শিম, মটর এবং মসুর ডাল

এর মধ্যে রয়েছে রাজমা, পিন্টো বিন, সাদা শিম, কালো শিম, লিমা বিন, ফাভা বিন, সয়াবিন, ছোলা, ব্ল্যাক-আইড পিস, পিজন পিস, স্প্লিট পিস, মসুর ডাল এবং এডামামে। এই সবই উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার যা প্রোটিনের পাশাপাশি ফাইবার, ফোলেট, পটাসিয়াম, আয়রন এবং জিঙ্কের চমৎকার উৎস।

বাদাম ও বীজ

এর মধ্যে রয়েছে আমন্ড, হ্যাজেলনাট, আখরোট, চিনাবাদাম, চিয়া সিড, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ এবং পিনাট বাটার। এগুলো শুধু প্রোটিনেই সমৃদ্ধ নয়, বরং এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন এবং খনিজও রয়েছে। তবে বাদামে ফ্যাট এবং ক্যালোরি বেশি থাকে, তাই এর পরিমাণ সম্পর্কে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।

ডিম

এতে সমস্ত প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে, যা এটিকে একটি সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস করে তোলে। ডিম ভিটামিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও একটি ভালো উৎস।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
শরীয়তপুরে আড়াই বছর পর নড়িয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু
ভারতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার পর কুকুরের খাবার হলো কিশোরী
৬০ পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ‘বড় বরাদ্দ’
নগর স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ, ১৩ সিটিতে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা