ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জেনে নিন ঘুমের মধ্যে হঠাৎ কেঁপে ওঠার কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে হঠাৎ শরীর কেঁপে ওঠা বা মনে হওয়া যেন কোথাও থেকে পড়ে যাচ্ছেন—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ‘হিপনিক জার্ক’ বা ‘স্লিপ স্টার্ট’।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কোনো রোগ নয়; বরং শরীরের একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া। গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন।

সাধারণত ঘুমের প্রাথমিক পর্যায়ে যখন হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি ধীরে আসে, তখনই এই ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, ওই সময় মস্তিষ্ক পেশির শিথিলতাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে। শরীর পড়ে যাচ্ছে—এমন সংকেত পেয়ে মস্তিষ্ক দ্রুত পেশিগুলোকে সক্রিয় হতে নির্দেশ দেয়। ফলে শরীরে হঠাৎ ঝাঁকুনি লাগে।

আরও পড়ুন

চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও শারীরিক ক্লান্তির কারণে এ সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। সারাদিনের চাপের পর মস্তিষ্ক পুরোপুরি শান্ত হতে না পারলে ঘুমের সময় এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এ ছাড়া ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত চা বা কফি পানও ঝুঁকি বাড়ায়। ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে উত্তেজিত রাখে, ফলে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়। এতে হালকা ঘুমের সময় শরীর কেঁপে ওঠার প্রবণতা বাড়তে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও এ সমস্যার একটি কারণ। ঘুম কম হলে মস্তিষ্ক ও শরীরের স্বাভাবিক সমন্বয় ব্যাহত হয়। তখন ঘুমের নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছালে শরীর অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যা কমাতে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমানো, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
শরীয়তপুরে আড়াই বছর পর নড়িয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু
৬০ পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ‘বড় বরাদ্দ’
নগর স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ, ১৩ সিটিতে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা
সিএনজিতেই প্রসব, নবজাতককে হাসপাতালের রাস্তায় ফেলে পালানোর চেষ্টা