ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মোবাইল-কম্পিউটারে চোখ ক্লান্ত? আরাম পেতে মানুন এই ৪ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
চোখ সুস্থ রাখতে বিশেষজ্ঞদের ৪ পরামর্শ   । ছবি: সংগৃহীত

এখন কাজ, পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিনোদন— সবকিছুরই বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মোবাইল, কম্পিউটার ও অন্যান্য পর্দা। ফলে দিনের অনেকটা সময়ই চোখ রাখতে হচ্ছে পর্দার দিকে। এর প্রভাব পড়ছে চোখের ওপর। দীর্ঘক্ষণ পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ, শুষ্কতা, জ্বালাভাব, ঝাপসা দেখা এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু পুষ্টিকর খাবার খেলেই চোখ ভালো রাখা সম্ভব নয়। দুধ, গাজর, ডিম, মাছ ও শাকসবজি চোখের জন্য উপকারী হলেও, দীর্ঘ সময় পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের বিশ্রামও সমান জরুরি।

চোখের ক্লান্তি কমাতে সবচেয়ে কার্যকর অভ্যাসগুলোর একটি হলো ২০-২০-২০ নিয়ম। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর প্রায় ২০ মিটার দূরের কোনো কিছুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এতে চোখের ওপর চাপ কমে এবং দীর্ঘক্ষণ পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার ক্লান্তি কিছুটা দূর হয়। চাইলে কয়েক সেকেন্ড চোখ বন্ধ রেখেও বিশ্রাম দিতে পারেন।

একটানা কাজের সময় অনেকেই স্বাভাবিকের তুলনায় কম চোখের পাতা ফেলেন। এতে চোখ দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়। তাই কাজের ফাঁকে সচেতনভাবে কয়েকবার চোখের পাতা ফেলতে হবে। এতে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে।

আরও পড়ুন

পর্যাপ্ত পানি পান করাও চোখ ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের পাশাপাশি চোখও আর্দ্র থাকে। এতে চোখ শুষ্ক হওয়ার ঝুঁকি কমে। চোখে অস্বস্তি হলে ঠান্ডা পানির ঝাপটাও কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।

দীর্ঘ সময় পর্দা ব্যবহার করলে প্রয়োজনে বিশেষ ধরনের সুরক্ষামূলক চশমা ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজন হলে চোখের আর্দ্রতা বজায় রাখতে লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে শুষ্ক চোখের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও চোখকে নিয়মিত বিশ্রাম দেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাই চোখ সুস্থ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বর্ষায় কেন বাড়ে চোখের ছোঁয়াচে রোগ, জানুন জরুরি সতর্কতা 
কয়েক সেকেন্ড চোখে ঝাপসা দেখছেন? অবহেলা করলেই হতে পারে প্রাণঘাতী বিপদ
বিশেষ উপায়ে চোখের যত্ন নিলে সহজে পড়বে না ছানি
চোখের নিচে ফোলাভাব বা কালো দাগ? সঠিক আন্ডার আইক্রিমেই লুকিয়ে আছে সমাধান