ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

কর্মক্ষেত্রে সুনাম ও আত্মবিশ্বাস, রপ্ত করুন এই ৫ অভ্যাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
আত্মবিশ্বাস, সময়জ্ঞান ও সঠিক পরিকল্পনা কর্মক্ষেত্রে সুনাম অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে । ছবি: সংগৃহীত

কর্মক্ষেত্রে ভালো কাজ করার দক্ষতা থাকলেও আত্মবিশ্বাসের অভাবে অনেক সময় নিজেকে ঠিকভাবে তুলে ধরা যায় না। কথা বলতে গিয়ে জড়তা, জানা বিষয়েও ভুল করা কিংবা নিজের কাজ নিয়ে সব সময় সন্দেহে ভোগার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তবে নিয়মিত কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো সম্ভব।

কর্মক্ষেত্রে নিজের অবস্থান শক্ত করতে এবং সুনাম অর্জন করতে রপ্ত করতে পারেন এই পাঁচ অভ্যাস।

১. শরীরের ভঙ্গিতে আনুন আত্মবিশ্বাস

শরীরের ভঙ্গি অনেক সময় মনের অবস্থার পরিচয় দেয়। তাই কারও সঙ্গে কথা বলার সময় বা বৈঠকে সোজা হয়ে বসুন, কাঁধ সোজা রাখুন এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলুন।

কোনো বিষয় জানা না থাকলে তা স্পষ্টভাবে স্বীকার করুন। তবে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ বা কোন কাজগুলো ভালো পারেন, সেগুলোও তুলে ধরুন।

আরও পড়ুন

২. সময়মতো শেষ করুন কাজ

কর্মক্ষেত্রে সুনাম অর্জনের অন্যতম উপায় হলো সময়ের মূল্য দেওয়া। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন।

কোনো কারণে সময়মতো কাজ শেষ করা সম্ভব না হলে আগে থেকেই কর্তৃপক্ষকে জানান। আপনি কী কাজ করছেন এবং কতটুকু এগিয়েছেন, সে বিষয়েও পরিষ্কার ধারণা দিন। এতে আপনার প্রতি আস্থা বাড়বে এবং নিজের মধ্যেও আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।

৩. ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করুন

বড় সাফল্যের জন্য সব সময় বড় লক্ষ্য দিয়েই শুরু করতে হবে না। প্রতিদিন ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন এবং সেগুলো সময়মতো পূরণ করার চেষ্টা করুন।

কর্মক্ষেত্র বা ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিদিন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ঠিক করে তা শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। ছোট লক্ষ্য পূরণের সাফল্যই ধীরে ধীরে নিজের ওপর বিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।

৪. আগে থেকেই করুন পরিকল্পনা

কাজের চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সঠিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। প্রতিদিনের কাজের তালিকা আগে থেকেই তৈরি করে রাখুন।

কোন কাজটি আগে করবেন, কোনটি পরে করবেন—সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকলে কাজ সহজ হয়। পাশাপাশি কোন কাজ শেষ হলো আর কোনটি বাকি থাকল, সেটিও সহজে বোঝা যায়। এতে অহেতুক উদ্বেগও কমে।

৫. নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ভাবুন

নিজের ভালো দিকগুলো চিনতে এবং সেগুলো তুলে ধরতে শিখুন। সব সময় নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বললে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে।

তবে ইতিবাচক ভাবনা যেন অতিরঞ্জিত না হয়। নিজের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করুন, কিন্তু তা নিয়ে নিজেকে ছোট না করে উন্নতির চেষ্টা করুন। সমালোচনা করলেও সেটি যেন কাজের উন্নতির জন্য হয়।

কর্মক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস রাতারাতি তৈরি হয় না। তবে সঠিক শরীরী ভঙ্গি, সময়মতো কাজ শেষ করা, ছোট লক্ষ্য পূরণ, পরিকল্পনা করে এগোনো এবং ইতিবাচক মনোভাব—এই পাঁচ অভ্যাস ধীরে ধীরে আপনাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে। আর আত্মবিশ্বাস বাড়লে কর্মক্ষেত্রেও তৈরি হতে পারে নিজের একটি ভালো অবস্থান।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
চুরির অপবাদ ও মা-বাবাকে অপমান, যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
সুনামগঞ্জ শহরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
নিখোঁজের ৩ দিন পর কালনী নদীতে মিলল গৃহপরিচারিকার মরদেহ
চলন্ত হাউসবোট থেকে পড়ে যায় শিশু, নিখোঁজ ছিল দুইদিন