ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বয়স্কদের স্বাস্থ্য নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, যা জানালেন গবেষকরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে বয়স্কেদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষকরা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ভারতীয় উপমহাদেশগুলোতে এই ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে।

জানা যায়, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষ আগের ধারণার তুলনায় অনেক কম তাপমাত্রাতেই চরম গরমের কারণে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন, নতুন এক গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। খবর গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় ভবিষ্যতে ঘন ঘন ও দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের সবচেয়ে বড় ধাক্কা সামলাতে হবে বয়স্কদেরই। দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিশ্বের বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘আনকমপেনসেবল হিট স্ট্রেস’ (ইউএইচএস)-এ আক্রান্ত হতে পারেন। এই অবস্থায় শরীর নিজেকে ঠান্ডা রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং গুরুতর অসুস্থতা, এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হয়।

গবেষণাটির নেতৃত্ব দেওয়া ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষকদের মতে, বয়সভেদে মানুষের তাপ সহ্য করার সক্ষমতা বিবেচনায় নিলে দেখা যাবে—আগের ধারণার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে অসহনীয় তাপের মুখোমুখি হবেন।

অতিরিক্ত গরমে বয়স্কদের শরীর তুলনামূলকভাবে কম কার্যকরভাবে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে ঘাম কম হয়, হৃদযন্ত্রকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং রক্তনালিগুলো প্রয়োজনমতো প্রসারিত হতে না পারায় শরীর ঠান্ডা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

আগের গবেষণাগুলোতে মূলত ১৫-৩৯ বছর বয়সীদের জন্য নির্ধারিত তাপ সহনশীলতার সীমা অন্য বয়সীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছিল। ফলে বয়স্কদের হার্ট অ্যাটাকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি, এই বিষয়টি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

নতুন গবেষণায় ১৫-৩৯ বছর বয়সী তরুণ, ৪০-৫৯ বছর বয়সী মধ্যবয়স্ক এবং ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ঝুঁকি আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় মাত্র ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেও বয়স্করা ক্ষতিকর ও প্রাণঘাতী তাপজনিত চাপের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তরুণদের ক্ষেত্রে একই মাত্রার ঝুঁকি তৈরি হতে প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে প্রতিবছর অন্তত ১৮০ ঘণ্টা ইউএইচএসের মুখোমুখি হওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ করে বাড়তে পারে। এর বড় অংশের বোঝা বহন করবেন বয়স্করা।

বিশ্বের ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ২১০ কোটি হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাপজনিত অসুস্থতার সংখ্যাও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মতো নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন

গবেষকদের সতর্কতা, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন অব্যাহত থাকলে ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের কিছু এলাকা একসময় মানুষের বসবাসের জন্য অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে—বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য।

যুক্তরাজ্যের হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি সম্প্রতি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশটিতে তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বছরের বিভিন্ন সময়ে দেশটির কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে পাঁচটি তাপপ্রবাহ দেখা গেছে।

মে মাসের চার দিনের এবং জুনের আট দিনের তাপপ্রবাহ মিলিয়ে ২,৮৭৭টি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে সংস্থাটির হিসাব। ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১,৫০৪।

সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির তাপ ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব নিয়ে গবেষণাকারী ড. সাইমন উইলিয়ামস বলেন, এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, আগামী বছরগুলোতে তাপপ্রবাহ ও চরম তাপ মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে উঠবে এবং এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বয়স্কদের ওপর।

এজ ইউকের পরিচালক ক্যারোলিন আব্রাহামসও গবেষণার ফলাফলকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, অতিরিক্ত তাপ বয়স্কদের বিভিন্ন সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যাকে আরও গুরুতর করে তুলতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতাও কমে যায়।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের ক্লিনিক্যাল ভাইস-প্রেসিডেন্ট ড. হিলারি উইলিয়ামস বলেন, চরম আবহাওয়া ও তীব্র গরম এখন রোগীদের নিরাপত্তার জন্যও বড় বিষয়।

তাপপ্রবাহের সময় হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যায়। অনেক বয়স্ক মানুষ পানিশূন্যতা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা হৃদরোগ ও কিডনি রোগের মতো বিদ্যমান সমস্যার অবনতি নিয়ে হাসপাতালে আসেন।

এমনকি চলতি গ্রীষ্মে এক হাসপাতালের জেরিয়াট্রিক ওয়ার্ডের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল বলে জানিয়েছেন এক চিকিৎসক। ড. উইলিয়ামসের ভাষায়, “রোগী বা কর্মীদের জন্য এটি কোনোভাবেই নিরাপদ পরিবেশ নয়।”

গবেষণার মূল বার্তা: পৃথিবী যত উষ্ণ হবে, বয়স্কদের জন্য তাপপ্রবাহের ঝুঁকি তত বাড়বে। আর বিপদ শুধু প্রচণ্ড গরমের দিনেই নয়—আগের ধারণার চেয়েও কম তাপমাত্রায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে বয়স্কদের শরীরে মারাত্মক তাপজনিত চাপ তৈরি হতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
আরও পড়ুন
স্ট্রেস কমাতে অন্ধকারে গোসল, যা বলছে চিকিৎসকেরা 
সবসময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন? জেনে নিন কারণ ও সমাধান
দুধ খেতে গিয়েই হাঁপিয়ে যায় শিশু, যে বিপদের সংকেত 
সর্দি-কাশি থেকে ডেঙ্গু, বর্ষায় শিশুকে যেভাবে রাখবেন সুরক্ষিত