ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় এসএসসি রেজাল্টের গুরুত্ব কতটুকু  

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:১১ এএম
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী; এসএসসির ফল গুরুত্বপূর্ণ হলেও গন্তব্য ও শিক্ষার স্তর অনুযায়ী এর গুরুত্ব বদলে যায় । ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি পাস করার পরই বিদেশে পড়তে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু এসএসসির ফল ভালো হলেই সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায় না। কোন পর্যায়ে এসএসসির ফল কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন দেশে এবং কোন স্তরে পড়তে যেতে চাইছেন তার ওপর।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। আগে যেখানে মূলত স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিদেশে যেতেন, এখন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেও অনেকেই দেশের বাইরে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ফলে এসএসসির ফলাফল বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কতটা কাজে আসে, তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কৌতূহলও বাড়ছে।

এসএসসির পরই কি বিদেশে যাওয়া যায়?

এসএসসি শেষ করে বিদেশে পড়তে যাওয়া সম্ভব। তবে বেশির ভাগ দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি হওয়ার জন্য ১২ বছরের স্কুলশিক্ষা সম্পন্ন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই স্তরটি সাধারণত এইচএসসি পর্যন্ত।

তাই এসএসসি পাস করার পর বিদেশে গেলে অনেক শিক্ষার্থীকে আগে ভিত্তিমূলক কোর্স বা ডিপ্লোমা পর্যায়ের পড়াশোনা করতে হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা আলাদা। ও-লেভেল শেষ করার পর বিদেশে গিয়ে এ-লেভেল সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

তাহলে এসএসসির ফলের গুরুত্ব কোথায়?

বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে এসএসসির ফল একেবারে গুরুত্বহীন নয়। তবে এটিই সাধারণত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসএসসির ফল দিয়ে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা, পড়াশোনায় কোনো বিরতি আছে কি না এবং সময়ের সঙ্গে ফলাফল কেমন হয়েছে—এসব বিষয় বোঝার চেষ্টা করা হয়।

ধরা যাক, কোনো শিক্ষার্থীর এসএসসিতে ফল তুলনামূলক কম হলেও এইচএসসিতে ফল অনেক ভালো হয়েছে। পরে স্নাতক পর্যায়েও ভালো ফল করেছে। এ ধরনের ধারাবাহিক উন্নতি শিক্ষার্থীর জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আবার কিছু দেশে ভিত্তিমূলক কোর্স বা ডিপ্লোমায় ভর্তির জন্য এসএসসিতে নির্দিষ্ট ফল বা গ্রেডের শর্ত থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের ফল সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এইচএসসির পর বিদেশে গেলে কী হয়?

বাংলাদেশ থেকে এইচএসসি পাস করে বিদেশে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি হতে চাইলে সাধারণত সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। অর্থাৎ এইচএসসির ফলাফল তখন এসএসসির তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এসএসসির ফল মূলত সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল বা আইনের মতো প্রতিযোগিতামূলক বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীর ফলও বিবেচনায় আসতে পারে।

এর পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা, পড়াশোনায় বিরতি আছে কি না এবং বিদেশে পড়াশোনার খরচ বহনের মতো আর্থিক সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চশিক্ষার আরও ওপরে গেলে এসএসসির গুরুত্ব কমে

যে শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর, এমফিল বা পিএইচডির জন্য বিদেশে আবেদন করেন, তাঁর ক্ষেত্রে এসএসসির ফলাফলের গুরুত্ব অনেকটাই কমে যায়। তখন সর্বশেষ ডিগ্রির ফলাফল, গবেষণার অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা, থিসিস, কাজের অভিজ্ঞতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ভাষাগত দক্ষতার মতো বিষয় বেশি গুরুত্ব পায়।

অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী যত উচ্চশিক্ষার দিকে এগিয়ে যান, আগের স্তরের ফলাফলের গুরুত্ব ততই কমতে থাকে।

ভালো ফলের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় জরুরি

বিদেশে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শুধু এসএসসি বা এইচএসসির ফল ভালো করলেই হবে না। গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে ভালো ভিত্তি তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ভাষাগত দক্ষতার পরীক্ষায় ভালো ফল, পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা এবং পর্যাপ্ত আর্থিক প্রস্তুতিও থাকতে হবে।

তাই এসএসসি পাসের পর বিদেশে পড়তে চাইলে প্রথমেই যে দেশের কথা ভাবছেন, সেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও ভর্তি শর্ত সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ একেক দেশের নিয়ম একেক রকম।

এসএসসির ফল বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হলেও একমাত্র নির্ধারক নয়। এসএসসির পর সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হলেও ভিত্তিমূলক কোর্স বা ডিপ্লোমার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষার পথ তৈরি হতে পারে। আর এইচএসসি বা তার পরের স্তরে পৌঁছালে সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতাই বেশি গুরুত্ব পায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
টানা দুই সপ্তাহ ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনের ১৫তম দিনে ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানান তারা। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর চুয়েট ক্যাম্পাসের বাইরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে প্রেসক্লাব এলাকায় পাঁচটি বাসে করে শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চুয়েটের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে ছিল— ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ এবং ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার অ্যাপিল’। পাশাপাশি ‘দফা এক, দাবি এক, অনলাইন ভিসির পদত্যাগ’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ -সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা এর নিন্দা জানাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য নজির যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা সবাই একজনকে উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সায়েম স্যারকেই উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করবে। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব, মাহিরা তাজরিন ও যুলকারনাইন মিহাদ। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চুয়েটের চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকায় হাজারো শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, বরং একটি ব্যাখ্যাহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ন্যায্য পুনর্বিবেচনা চাচ্ছে। বক্তব্যে আরও বলা হয়, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং চুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ ফিরিয়ে আনাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিনের কার্যকালের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের বিষয়ে সরকারের দ্রুত ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা স্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। সরকারের এমন নীরবতা ও উদাসীনতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। বাধ্য হয়েই আজ ক্যাম্পাসের বাইরে এসে আমাদের দাবি জানাতে হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে চুয়েটের চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হোক এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা হোক। প্রসঙ্গত, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওই দিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর পর থেকে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে টানা ১৫ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখনও দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চুয়েটের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, প্রধান উপদেষ্টা ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারর্সন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাত (৭) শিক্ষার্থী।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং অব্যাহতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
আরও পড়ুন
ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
বিদেশে উচ্চশিক্ষার দিকনির্দেশনায় যবিপ্রবিতে দুই মাসব্যাপী সেমিনার
যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা, বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই থেকে ভিসা ইন্টারভিউ—যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন