ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশুর মাথা ন্যাড়া কখন করবেন?

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

মাথা ন্যাড়া করলে কি সত্যিই চুল ঘন হয়? এই প্রশ্নটি আমাদের সমাজে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঘন চুলের আশায় বারবার মাথা ন্যাড়া করার প্রবণতা দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে কৌতূহল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাথা ন্যাড়া করার অর্থ হলো কেবল দৃশ্যমান চুলগুলো কেটে ফেলা, যা সরাসরি হেয়ার ফলিকলের জিনগত গঠন পরিবর্তন করতে পারে না। তবে চুল গজানোর বিপরীত দিক দিয়ে রেজার বা ক্ষুর ব্যবহার করলে মাথার ত্বকের বা স্ক্যাল্পের বন্ধ হয়ে থাকা ফলিকলের ছিদ্রগুলো খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে নতুন ফলিকল থেকে চুল গজানোর সুযোগ তৈরি হয় এবং মাথার চুলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা চুলকে আগের তুলনায় কিছুটা ঘন দেখাতে সাহায্য করে।

কিন্তু ন্যাড়া হওয়ার ফলে একটি পাতলা চুল রাতারাতি মোটা হয়ে যাবে—এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ডার্মাটোলজিস্টরা খুঁজে পাননি। চুলের গঠন মূলত জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে।

চিকিৎসকদের মতে, মাথা ন্যাড়া করার বেশ কিছু ব্যবহারিক সুবিধাও রয়েছে। বিশেষ করে চুল পড়া রোধে চিকিৎসকের দেওয়া কোনো ওষুধ বা লোশন সরাসরি স্ক্যাল্পে পৌঁছানোর জন্য ন্যাড়া হওয়া বেশ কার্যকর।

এছাড়া যাদের মাথায় খুশকি, উকুন বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রয়েছে, তাদের জন্য বারবার চুলের যত্নের চেয়ে একবার মাথা ন্যাড়া করে চিকিৎসা নেওয়া অনেক বেশি ফলপ্রসূ।

আরও পড়ুন

কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক প্রভাষক ডা. সাবিকুন নাহারের মতে, চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়লে বা স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মাথা ন্যাড়া করা একটি বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। কারণ এতে মাথার ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া সহজ হয়।

তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই কাজটি বারবার করা মোটেও ঠিক নয়। বারবার ন্যাড়া করলে মাথার সংবেদনশীল ত্বকে বাড়তি চাপ পড়তে পারে, যা হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, তাদের মাথার ত্বক অনেক বেশি নরম ও সংবেদনশীল থাকে, তাই বারবার ন্যাড়া করা এড়িয়ে চলাই ভালো। একবার ন্যাড়া করার পর থেকে যদি নিয়ম মেনে চুল ও স্ক্যাল্পের যত্ন নেওয়া যায়, তবে বারবার কাটার প্রয়োজন পড়ে না। যদি একান্তই চুলের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন মনে হয়, তবে শিশুর বয়স ৮ থেকে ১০ বছর হলে দ্বিতীয়বার ন্যাড়া করার কথা ভাবা যেতে পারে। একইভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করতে একবার বা দুবার ন্যাড়া হওয়া যেতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে, কেবল ন্যাড়া হওয়াই যথেষ্ট নয়; নতুন চুল গজানোর পর নিয়মিত যত্ন এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসই চুলের স্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদে ভালো রাখতে সক্ষম। তাই ঘন ঘন ন্যাড়া হওয়ার অভ্যাস বাদ দিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাথার ত্বকের পরিচর্যা করাই হবে প্রকৃত সমাধান।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
প্রচণ্ড রোদে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং সুস্থ থাকা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যেখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়।
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় শখ করে দামি পারফিউম স্প্রে করলেন। কিন্তু লোকাল বাসের ভিড় ঠেলে কিংবা কিছুটা হেঁটে অফিসে পৌঁছাতেই দেখা গেল, শরীর থেকে উধাও হয়ে গেছে সুগন্ধ। উল্টো ঘামের দুর্গন্ধে নিজেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে। এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়। অনেকেই এমন পরিস্থিতির জন্য সুগন্ধির ব্র্যান্ড কিংবা মানকে দায়ী করেন। তবে বাস্তবে সমস্যাটা অনেক সময় সুগন্ধির নয়, বরং ভুল ধরনের পণ্য ব্যবহারের। বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট ও পারফিউম তিনটিই সুগন্ধি পণ্য হলেও এদের কাজ এক নয়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুবাস ধরে রাখার জন্য আলাদা ধরনের পণ্য প্রয়োজন। তাই কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত, তা জানা জরুরি। ডিওডোরেন্ট প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয় কিংবা দীর্ঘ সময় গরমের মধ্যে থাকতে হয় এমন মানুষের জন্য ডিওডোরেন্ট বেশ কার্যকর। সাধারণভাবে ঘামের নিজস্ব গন্ধ থাকে না। ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে ক্রিয়া করে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। ডিওডোরেন্টের মূল কাজ হলো সেই দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা। এতে সুগন্ধি উপাদানের পাশাপাশি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সহায়ক উপাদান থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সব ডিওডোরেন্ট ঘাম বন্ধ করে না। ঘাম কমানোর জন্য ব্যবহৃত পণ্যকে সাধারণত ‘অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট’ বলা হয়। এতে ঘামগ্রন্থির কার্যক্রম সাময়িকভাবে কমাতে অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক উপাদান থাকতে পারে। তাই ঘামের গন্ধ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলে ডিওডোরেন্ট উপকারী, আর অতিরিক্ত ঘাম কমাতে চাইলে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে। পারফিউম বিয়ে, পার্টি, করপোরেট মিটিং কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় সুবাসের জন্য পারফিউমের জুড়ি নেই। পারফিউমে সুগন্ধি তেলের ঘনত্ব সাধারণত বডি মিস্টের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এর সুবাস তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে পারফিউমের মূল কাজ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা নয়; এটি মূলত শরীর বা পোশাকে কাঙ্ক্ষিত সুবাস যোগ করে। তাই প্রচণ্ড ঘামে ভেজা শরীরে সরাসরি পারফিউম স্প্রে করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। বরং ঘামের গন্ধের সঙ্গে পারফিউমের তীব্র সুবাস মিশে অস্বস্তিকর গন্ধ তৈরি করতে পারে। বডি মিস্ট বডি মিস্ট হলো তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের সুগন্ধি। এতে সুগন্ধি উপাদানের ঘনত্ব পারফিউমের চেয়ে কম থাকায় এর সুবাসও সাধারণত কোমল ও স্নিগ্ধ হয়। যারা তীব্র সুগন্ধি পছন্দ করেন না কিংবা হালকা সতেজ অনুভূতি চান, তাদের জন্য বডি মিস্ট ভালো বিকল্প হতে পারে। গোসলের পর, বাসায় থাকার সময় কিংবা বিকেলে হাঁটতে বের হওয়ার আগে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে বডি মিস্টের সুবাস সাধারণত পারফিউমের মতো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে একাধিকবার ব্যবহার করতে হতে পারে। তাহলে কোনটি আপনার জন্য? ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শুধু পারফিউমের ওপর নির্ভর না করে ডিওডোরেন্ট বা প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর। আর দীর্ঘ সময় শরীরে সুন্দর সুবাস ধরে রাখতে চাইলে ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের পর পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পরিষ্কার ও শুকনো শরীরে এগুলো ব্যবহার করাই ভালো। অন্যদিকে, যারা হালকা ও স্নিগ্ধ সুবাস পছন্দ করেন, তাদের জন্য বডি মিস্ট হতে পারে আদর্শ। অর্থাৎ, তিনটি পণ্যের কাজ তিন রকম। ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে ডিওডোরেন্ট, ঘাম কমাতে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট, দীর্ঘস্থায়ী সুবাসের জন্য পারফিউম আর হালকা সতেজ অনুভূতির জন্য বডি মিস্ট—ব্যবহারটা হওয়া উচিত প্রয়োজন বুঝে। আরটিভি/এসকে
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় শখ করে দামি পারফিউম স্প্রে করলেন। কিন্তু লোকাল বাসের ভিড় ঠেলে কিংবা কিছুটা হেঁটে অফিসে পৌঁছাতেই দেখা গেল, শরীর থেকে উধাও হয়ে গেছে সুগন্ধ। উল্টো ঘামের দুর্গন্ধে নিজেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে। এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়। অনেকেই এমন পরিস্থিতির জন্য সুগন্ধির ব্র্যান্ড কিংবা মানকে দায়ী করেন। তবে বাস্তবে সমস্যাটা অনেক সময় সুগন্ধির নয়, বরং ভুল ধরনের পণ্য ব্যবহারের। বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট ও পারফিউম তিনটিই সুগন্ধি পণ্য হলেও এদের কাজ এক নয়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুবাস ধরে রাখার জন্য আলাদা ধরনের পণ্য প্রয়োজন। তাই কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত, তা জানা জরুরি। ডিওডোরেন্ট প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয় কিংবা দীর্ঘ সময় গরমের মধ্যে থাকতে হয় এমন মানুষের জন্য ডিওডোরেন্ট বেশ কার্যকর। সাধারণভাবে ঘামের নিজস্ব গন্ধ থাকে না। ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে ক্রিয়া করে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। ডিওডোরেন্টের মূল কাজ হলো সেই দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা। এতে সুগন্ধি উপাদানের পাশাপাশি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সহায়ক উপাদান থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সব ডিওডোরেন্ট ঘাম বন্ধ করে না। ঘাম কমানোর জন্য ব্যবহৃত পণ্যকে সাধারণত ‘অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট’ বলা হয়। এতে ঘামগ্রন্থির কার্যক্রম সাময়িকভাবে কমাতে অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক উপাদান থাকতে পারে। তাই ঘামের গন্ধ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলে ডিওডোরেন্ট উপকারী, আর অতিরিক্ত ঘাম কমাতে চাইলে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে। পারফিউম বিয়ে, পার্টি, করপোরেট মিটিং কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় সুবাসের জন্য পারফিউমের জুড়ি নেই। পারফিউমে সুগন্ধি তেলের ঘনত্ব সাধারণত বডি মিস্টের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এর সুবাস তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে পারফিউমের মূল কাজ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা নয়; এটি মূলত শরীর বা পোশাকে কাঙ্ক্ষিত সুবাস যোগ করে। তাই প্রচণ্ড ঘামে ভেজা শরীরে সরাসরি পারফিউম স্প্রে করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। বরং ঘামের গন্ধের সঙ্গে পারফিউমের তীব্র সুবাস মিশে অস্বস্তিকর গন্ধ তৈরি করতে পারে। বডি মিস্ট বডি মিস্ট হলো তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের সুগন্ধি। এতে সুগন্ধি উপাদানের ঘনত্ব পারফিউমের চেয়ে কম থাকায় এর সুবাসও সাধারণত কোমল ও স্নিগ্ধ হয়। যারা তীব্র সুগন্ধি পছন্দ করেন না কিংবা হালকা সতেজ অনুভূতি চান, তাদের জন্য বডি মিস্ট ভালো বিকল্প হতে পারে। গোসলের পর, বাসায় থাকার সময় কিংবা বিকেলে হাঁটতে বের হওয়ার আগে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে বডি মিস্টের সুবাস সাধারণত পারফিউমের মতো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে একাধিকবার ব্যবহার করতে হতে পারে। তাহলে কোনটি আপনার জন্য? ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শুধু পারফিউমের ওপর নির্ভর না করে ডিওডোরেন্ট বা প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর। আর দীর্ঘ সময় শরীরে সুন্দর সুবাস ধরে রাখতে চাইলে ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের পর পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পরিষ্কার ও শুকনো শরীরে এগুলো ব্যবহার করাই ভালো। অন্যদিকে, যারা হালকা ও স্নিগ্ধ সুবাস পছন্দ করেন, তাদের জন্য বডি মিস্ট হতে পারে আদর্শ। অর্থাৎ, তিনটি পণ্যের কাজ তিন রকম। ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে ডিওডোরেন্ট, ঘাম কমাতে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট, দীর্ঘস্থায়ী সুবাসের জন্য পারফিউম আর হালকা সতেজ অনুভূতির জন্য বডি মিস্ট—ব্যবহারটা হওয়া উচিত প্রয়োজন বুঝে। আরটিভি/এসকে
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়
প্রিয় পারফিউমটি কিছুদিন ব্যবহারের পর আগের মতো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে না এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। এর জন্য সবসময় সুগন্ধির মান বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যায় না।
জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়
প্রসাধনী বাছাই ও ব্যবহারে যে ভুলগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
অক্টোবর মাস বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়। এ মাসে স্তন ক্যানসারের লক্ষণ, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রসাধনী বাছাই ও ব্যবহারে যে ভুলগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
আরও পড়ুন
ঘরের দরজা খুলে বাবা দেখলেন দুই মেয়ে আর নেই
৫০ অফিসার নিয়োগ দেবে শিশু হাসপাতাল
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি
বাল্যবিবাহ ও বৈষম্য রোধে কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির