ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সিরাম ছাড়াই ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখার উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পিএম
ছবি: এআই দ্বারা তৈরিকৃত ছবি

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্বাভাবিক টানটান ভাব কমতে শুরু করে। মুখে ও চোখের নিচে ভাঁজ পড়া, ত্বক কুঁচকে যাওয়া এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। এসব সমস্যা কমাতে বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সিরাম ব্যবহার করেন। তবে ত্বকের যত্নে দামি সিরামের পাশাপাশি জীবনযাপন ও নিয়মিত পরিচর্যারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিয়ে বয়সজনিত নানা সমস্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, গ্রিন টি, গাজর, টমেটো, ডালিম, লেবু, বাদাম, পাকা পেঁপে ও টক দইয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তবে শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করতে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। রেটিনয়েড ও হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত পণ্যও ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত হয়।

ঘরোয়া পরিচর্যায় ব্যবহৃত কয়েকটি উপাদানও রয়েছে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে এগুলো ব্যবহারের আগে সতর্কতা প্রয়োজন।

নারকেল তেল

ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে নারকেল তেল ব্যবহার করা হয়। রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকের শুষ্ক অংশে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল লাগানো যেতে পারে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ, তাদের ক্ষেত্রে মুখে নারকেল তেল ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভালো।

মধু

মধু ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। অল্প পরিমাণ মধু মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে ত্বকে জ্বালা বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে আগে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

শসা

শসায় প্রচুর পানি রয়েছে। ত্বক সতেজ রাখতে শসা ব্যবহার করা হয়। শসার রস পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে কয়েক মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে পারেন।

লেবুর রস

লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। তবে সরাসরি লেবুর রস মুখে ব্যবহার করলে অনেকের ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা বা সূর্যের আলোতে সংবেদনশীলতা তৈরি হতে পারে। তাই ত্বকে সরাসরি লেবুর রস ব্যবহারের পরিবর্তে নিরাপদ ও পরীক্ষিত ভিটামিন সি-যুক্ত স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করাই তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

আপেল সিডার ভিনেগার

আপেল সিডার ভিনেগার ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করলে জ্বালা বা ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই মুখে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার না করাই ভালো।

অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেল ত্বকে আর্দ্রতা দিতে এবং শুষ্কতা কমাতে সহায়তা করতে পারে। পরিষ্কার ত্বকে অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যায়। তবে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।

পেঁপে ও কলা

পাকা পেঁপে ও কলা ত্বকের পরিচর্যায় ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাকা পেঁপে ও কলা মিশিয়ে তৈরি প্যাক কিছুক্ষণ মুখে রেখে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে এ ধরনের ঘরোয়া প্যাক ত্বকের বলিরেখা দূর করে—এমন দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত।

ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বকের উপযোগী ময়শ্চারাইজার এবং নিরাপদ স্কিনকেয়ার রুটিন ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় শখ করে দামি পারফিউম স্প্রে করলেন। কিন্তু লোকাল বাসের ভিড় ঠেলে কিংবা কিছুটা হেঁটে অফিসে পৌঁছাতেই দেখা গেল, শরীর থেকে উধাও হয়ে গেছে সুগন্ধ। উল্টো ঘামের দুর্গন্ধে নিজেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে। এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়। অনেকেই এমন পরিস্থিতির জন্য সুগন্ধির ব্র্যান্ড কিংবা মানকে দায়ী করেন। তবে বাস্তবে সমস্যাটা অনেক সময় সুগন্ধির নয়, বরং ভুল ধরনের পণ্য ব্যবহারের। বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট ও পারফিউম তিনটিই সুগন্ধি পণ্য হলেও এদের কাজ এক নয়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুবাস ধরে রাখার জন্য আলাদা ধরনের পণ্য প্রয়োজন। তাই কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত, তা জানা জরুরি। ডিওডোরেন্ট প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয় কিংবা দীর্ঘ সময় গরমের মধ্যে থাকতে হয় এমন মানুষের জন্য ডিওডোরেন্ট বেশ কার্যকর। সাধারণভাবে ঘামের নিজস্ব গন্ধ থাকে না। ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে ক্রিয়া করে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। ডিওডোরেন্টের মূল কাজ হলো সেই দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা। এতে সুগন্ধি উপাদানের পাশাপাশি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সহায়ক উপাদান থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সব ডিওডোরেন্ট ঘাম বন্ধ করে না। ঘাম কমানোর জন্য ব্যবহৃত পণ্যকে সাধারণত ‘অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট’ বলা হয়। এতে ঘামগ্রন্থির কার্যক্রম সাময়িকভাবে কমাতে অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক উপাদান থাকতে পারে। তাই ঘামের গন্ধ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলে ডিওডোরেন্ট উপকারী, আর অতিরিক্ত ঘাম কমাতে চাইলে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে। পারফিউম বিয়ে, পার্টি, করপোরেট মিটিং কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় সুবাসের জন্য পারফিউমের জুড়ি নেই। পারফিউমে সুগন্ধি তেলের ঘনত্ব সাধারণত বডি মিস্টের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এর সুবাস তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে পারফিউমের মূল কাজ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা নয়; এটি মূলত শরীর বা পোশাকে কাঙ্ক্ষিত সুবাস যোগ করে। তাই প্রচণ্ড ঘামে ভেজা শরীরে সরাসরি পারফিউম স্প্রে করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। বরং ঘামের গন্ধের সঙ্গে পারফিউমের তীব্র সুবাস মিশে অস্বস্তিকর গন্ধ তৈরি করতে পারে। বডি মিস্ট বডি মিস্ট হলো তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের সুগন্ধি। এতে সুগন্ধি উপাদানের ঘনত্ব পারফিউমের চেয়ে কম থাকায় এর সুবাসও সাধারণত কোমল ও স্নিগ্ধ হয়। যারা তীব্র সুগন্ধি পছন্দ করেন না কিংবা হালকা সতেজ অনুভূতি চান, তাদের জন্য বডি মিস্ট ভালো বিকল্প হতে পারে। গোসলের পর, বাসায় থাকার সময় কিংবা বিকেলে হাঁটতে বের হওয়ার আগে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে বডি মিস্টের সুবাস সাধারণত পারফিউমের মতো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে একাধিকবার ব্যবহার করতে হতে পারে। তাহলে কোনটি আপনার জন্য? ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শুধু পারফিউমের ওপর নির্ভর না করে ডিওডোরেন্ট বা প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর। আর দীর্ঘ সময় শরীরে সুন্দর সুবাস ধরে রাখতে চাইলে ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের পর পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পরিষ্কার ও শুকনো শরীরে এগুলো ব্যবহার করাই ভালো। অন্যদিকে, যারা হালকা ও স্নিগ্ধ সুবাস পছন্দ করেন, তাদের জন্য বডি মিস্ট হতে পারে আদর্শ। অর্থাৎ, তিনটি পণ্যের কাজ তিন রকম। ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে ডিওডোরেন্ট, ঘাম কমাতে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট, দীর্ঘস্থায়ী সুবাসের জন্য পারফিউম আর হালকা সতেজ অনুভূতির জন্য বডি মিস্ট—ব্যবহারটা হওয়া উচিত প্রয়োজন বুঝে। আরটিভি/এসকে
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় শখ করে দামি পারফিউম স্প্রে করলেন। কিন্তু লোকাল বাসের ভিড় ঠেলে কিংবা কিছুটা হেঁটে অফিসে পৌঁছাতেই দেখা গেল, শরীর থেকে উধাও হয়ে গেছে সুগন্ধ। উল্টো ঘামের দুর্গন্ধে নিজেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে। এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়। অনেকেই এমন পরিস্থিতির জন্য সুগন্ধির ব্র্যান্ড কিংবা মানকে দায়ী করেন। তবে বাস্তবে সমস্যাটা অনেক সময় সুগন্ধির নয়, বরং ভুল ধরনের পণ্য ব্যবহারের। বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট ও পারফিউম তিনটিই সুগন্ধি পণ্য হলেও এদের কাজ এক নয়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুবাস ধরে রাখার জন্য আলাদা ধরনের পণ্য প্রয়োজন। তাই কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত, তা জানা জরুরি। ডিওডোরেন্ট প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয় কিংবা দীর্ঘ সময় গরমের মধ্যে থাকতে হয় এমন মানুষের জন্য ডিওডোরেন্ট বেশ কার্যকর। সাধারণভাবে ঘামের নিজস্ব গন্ধ থাকে না। ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে ক্রিয়া করে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। ডিওডোরেন্টের মূল কাজ হলো সেই দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা। এতে সুগন্ধি উপাদানের পাশাপাশি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সহায়ক উপাদান থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সব ডিওডোরেন্ট ঘাম বন্ধ করে না। ঘাম কমানোর জন্য ব্যবহৃত পণ্যকে সাধারণত ‘অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট’ বলা হয়। এতে ঘামগ্রন্থির কার্যক্রম সাময়িকভাবে কমাতে অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক উপাদান থাকতে পারে। তাই ঘামের গন্ধ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলে ডিওডোরেন্ট উপকারী, আর অতিরিক্ত ঘাম কমাতে চাইলে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে। পারফিউম বিয়ে, পার্টি, করপোরেট মিটিং কিংবা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় সুবাসের জন্য পারফিউমের জুড়ি নেই। পারফিউমে সুগন্ধি তেলের ঘনত্ব সাধারণত বডি মিস্টের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এর সুবাস তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে পারফিউমের মূল কাজ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা নয়; এটি মূলত শরীর বা পোশাকে কাঙ্ক্ষিত সুবাস যোগ করে। তাই প্রচণ্ড ঘামে ভেজা শরীরে সরাসরি পারফিউম স্প্রে করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। বরং ঘামের গন্ধের সঙ্গে পারফিউমের তীব্র সুবাস মিশে অস্বস্তিকর গন্ধ তৈরি করতে পারে। বডি মিস্ট বডি মিস্ট হলো তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের সুগন্ধি। এতে সুগন্ধি উপাদানের ঘনত্ব পারফিউমের চেয়ে কম থাকায় এর সুবাসও সাধারণত কোমল ও স্নিগ্ধ হয়। যারা তীব্র সুগন্ধি পছন্দ করেন না কিংবা হালকা সতেজ অনুভূতি চান, তাদের জন্য বডি মিস্ট ভালো বিকল্প হতে পারে। গোসলের পর, বাসায় থাকার সময় কিংবা বিকেলে হাঁটতে বের হওয়ার আগে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে বডি মিস্টের সুবাস সাধারণত পারফিউমের মতো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে একাধিকবার ব্যবহার করতে হতে পারে। তাহলে কোনটি আপনার জন্য? ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শুধু পারফিউমের ওপর নির্ভর না করে ডিওডোরেন্ট বা প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর। আর দীর্ঘ সময় শরীরে সুন্দর সুবাস ধরে রাখতে চাইলে ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের পর পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পরিষ্কার ও শুকনো শরীরে এগুলো ব্যবহার করাই ভালো। অন্যদিকে, যারা হালকা ও স্নিগ্ধ সুবাস পছন্দ করেন, তাদের জন্য বডি মিস্ট হতে পারে আদর্শ। অর্থাৎ, তিনটি পণ্যের কাজ তিন রকম। ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে ডিওডোরেন্ট, ঘাম কমাতে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট, দীর্ঘস্থায়ী সুবাসের জন্য পারফিউম আর হালকা সতেজ অনুভূতির জন্য বডি মিস্ট—ব্যবহারটা হওয়া উচিত প্রয়োজন বুঝে। আরটিভি/এসকে
ঘামের গন্ধ দূর করতে বডি মিস্ট, ডিওডোরেন্ট নাকি পারফিউম কোনটি সেরা?
জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়
প্রিয় পারফিউমটি কিছুদিন ব্যবহারের পর আগের মতো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে না এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। এর জন্য সবসময় সুগন্ধির মান বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যায় না।
জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়
প্রসাধনী বাছাই ও ব্যবহারে যে ভুলগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
অক্টোবর মাস বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়। এ মাসে স্তন ক্যানসারের লক্ষণ, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রসাধনী বাছাই ও ব্যবহারে যে ভুলগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
চুলের বৃদ্ধিতে খাবারে রাখুন এই ৫ ধরনের বীজ
ঘন, লম্বা ও উজ্জ্বল চুল পেতে অনেকেই নানা ধরনের ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর করেন। তবে শুধু বাইরে থেকে চুলের যত্ন নিলেই হবে না, চুল ও স্ক্যাল্পের সুস্থতার জন্য খাদ্যতালিকায়ও নজর দেওয়া জরুরি।
চুলের বৃদ্ধিতে খাবারে রাখুন এই ৫ ধরনের বীজ
আরও পড়ুন
চুলের যত্নে অ্যালোভেরার ভূমিকা
গরমে ত্বকের যত্ন নিতে পারে অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক