ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সেহরি ও ইফতারে কি খাওয়া যাবে, কি যাবে না

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৪ পিএম
সেহরি ও ইফতারে কি খাওয়া যাবে, কি যাবে না

রমজান হলো বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’র সংযম ও আত্ম-পরিশোধের পবিত্রতম মাস। বিশ্বের সকল মুসলিমরা এই মাসে নিজেকে সৃষ্টিকর্তার প্রতি একটু বেশিই নিবেদন করেন। এ মাস যে ইবাদতের জন্য শ্রেষ্ঠ সময়। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধনী-গরীব সকল শ্রেণি পেশার মানুষ না খেয়ে থেকে সৃষ্টিকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক জীবন পরিচালনা করেন।

রমজানের এই সময়ে শরীরের বিশেষভাবে যত্ন নেয়া প্রয়োজন। খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। আপনি যদি সুস্থ না থাকেন তাহলে সঠিকভাবে সবগুলো রোজা রাখা সম্ভব হবে না। তাই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। এবার তাহলে সেহরি ও ইফতারে খাবার কেমন হওয়া উচিত তা তুলে ধরা হলো-

সেহরি : রমজানে সেহরি হচ্ছে দিন শুরু করার প্রথম খাবার। তাই সেহরিতে প্রচুর পরিমাণে শস্যজাতীয় খাবার রাখা উচিত এবং যা কিনা হবে সহজ্যপ্রাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত। সেহরির খাবারে অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও চর্বিজাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে। অনেকের চিন্তাভাবনা, সারাদিন যেহেতু না খেয়ে থাকব তাই প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এই ধারনা একদমই ভুল। সেহরির খাদ্য তালিকায় ভাতের সঙ্গে মিশ্র সবজি, মাছ বা মাংস খাওয়া ভালো। এছাড়া অল্প চিড়া ও দইও বেশ উপকারী। এটি গরমের রমজানে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

দুধে ভেজানো ওটমিলও খাওয়া যেতে পারে। দুধে ভেজানো ওটমিল প্রোটিন-সমৃদ্ধ হওয়ায় শরীরের জন্য উপকারী। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে বিভিন্নরকম বাদাম বা ফলের টুকরো মিশাতে পারেন। এছাড়া এক বাটি দইয়ে ক্যালসিয়াম, আয়োডিন এবং ভিটামিনের মতো বিভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকে। যা কিনা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার জন্য শরীরকে শক্তি সঞ্চার করে।

সারাদিন হাইড্রেটেড থাকতে তরমুজ, স্ট্রবেরি, কমলা, টমেটো, শসা, লেটুস, পালং শাক এবং অন্যান্য সবুজ শাক-সবজি ও বিভিন্ন রঙের ফলমূল রাখতে পারেন। যাদের দুধ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা এক গ্লাস দুধের সঙ্গে বাদাম, আখরোট ও চিনাবাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন।

ইফতার : ইফতার হচ্ছে দিনের দ্বিতীয় খাবার। সারাদিন না খেয়ে সময় কাটানোর পর সন্ধ্যায় ইফতার করে পুনরায় শক্তি সঞ্চার করা হয়। যুগ যুগ ধরে মানুষ ইফতারে খেজুর ফলের সঙ্গে বিভিন্ন ফলমূল দিয়ে ইফতার করে আসছে। বর্তমানে অনেকে এই ইফতারে স্যুপ, বিরিয়ানি, হালিম, কাবাবসহ অন্যান্য খাবার রাখেন। মূলত ইফতারে এমন কিছু খাওয়া যাবে না যা কিনা অতিরিক্ত তৈলাক্ত। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর সন্ধ্যায় যদি এসব খাবার খাওয়া হয় তাহলে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি অনেক সময় পেটেরও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ইফতারে রুটি, ব্রাউন রাইস, মাংস, মাছ, ডিম, ফলমূল এবং কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া উচিত। বেশি পরিমাণে নোনতা, মসলাদার বা তৈলাক্ত খাবার থেকে নিজেকে বিরত রাখাই ভালো। সম্ভব হলে পুষ্টি সমৃদ্ধ ও তরল-জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস

এসআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
ফ্রিজের বোটকা গন্ধে নাজেহাল হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন ধরনের খাবার, কাঁচা মাছ-মাংস বা শাক-সবজি থেকে যেমন এই ধরনের গন্ধ তৈরি হতে পারে, তেমনই জমে থাকা বরফ পরিষ্কার না হলে বা ফ্রিজের ভেতরে জমে থাকা অবাঞ্ছিত আবর্জনা থেকেও এই গন্ধ তৈরি হতে পারে। কিন্তু কোন উপায় রেহাই পাবেন এই সমস্যা থেকে? রইল কিছু সহজ টোটকা। * যদি রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখতে চান, তা হলে অবশ্যই বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। খাবারের গন্ধের মিশেলে অনেক সময়ে ফ্রিজে গন্ধ হয়। * ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রাই ফ্রিজের জন্য আদর্শ। অন্যথায় ফ্রিজের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায় যা বাজে গন্ধ তৈরি করতে পারে। * গরম জলে বেকিং সোডা গুলে তাতে ন্যাকড়া ভিজিয়ে মুছতে পারেন ফ্রিজ। এমনকি, এক বাটি জলে বেকিং সোডা গুলে ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিলেও গন্ধ কমে অনেকটাই। * ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভেজানো এক টুকরো তুলো রেখে দিতে পারেন ফ্রিজের এক কোনায়। তাতে বাজে গন্ধের বদলে ফ্রিজে থাকবে সৌরভ। একটি প্লেটে করে অল্প কফি গুঁড়ো চব্বিশ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিলেও মুক্তি মিলতে পারে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে। *  সর্বোপরি নিয়মিত পরিষ্কার করুন ফ্রিজ। শাক-সবজি বা মাছ-মাংস, এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজের ভেতর না রাখাই ভালো। এতে খাবারের গুণমান যেমন বজায় থাকে, তেমনই কমে দুর্গন্ধ সৃষ্টির সমস্যা। এসএস/টিআই
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
শীতে রোজ শিম কিনছেন? নিয়মিত শিম খেলে যা হয়
শীত পড়তেই নানা ধরনের সবজিতে ভরে যায় বাজার। এরমধ্যে রয়েছে শিম। অনেক এই সময়ে প্রায় সব রান্নাতেই শিম ব্যবহার করেন। শিম বাটা থেকে শিম সর্ষে তো হয়েই থাকে। অনেকেই আবার মাছের ঝোল কিংবা পাঁচ মিশেলি নিরামিষ ঝোলেও শিম দিয়ে থাকেন। কিন্তু কী হয় নিয়মিত শিম খেলে, তা জানা আছে? শিমে রয়েছে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ। তার সঙ্গে রয়েছে ফাইবার, আয়রন এবং ক্যালশিয়াম। ফলে শিম নিয়মিত খাওয়া গেলে নানা দিক থেকে উপকার হয় শরীরের। ১। রোগের প্রতিকার এবং প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ে। ২। প্রচুর পরিমাণ খনিজ পদার্থ থাকায় চুল পড়ার সমস্যা বাড়াতে সাহায্য করে শিম। ৩। অনেকটা ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৪। অনেকটা পানিও থাকে এই আনাজটিতে। ফলে ত্বকের আর্দ্রতা দূর করতেও সাহায্য করে শিম। ৫। রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে শিম। ৬। হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমায় শিম। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস/এসকে
শীতে রোজ শিম কিনছেন? নিয়মিত শিম খেলে যা হয়
শীতে বেড়াতে যাওয়ার আগে অবশ্যই যা করবেন
কারও কাছে শীত মানে ছুটি। ছুটিতে টাটকা বাতাস বুকে ভরে নেওয়ার জন্য অনেকেই চান কোথাও একটু ঘুরে আসতে। যারা শীতের ছুটিতে কোথাও বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য শীতের ভ্রমণকে সহজ করার কিছু উপায়। ১। বাংলা গ্রীষ্ম প্রধান অঞ্চল। কাজেই শীতের ভ্রমণ বাঙালিদের কাছে ছোটখাটো পরীক্ষার সামিল। তাই পরিকল্পনা করুন সময় নিয়ে। বিশেষত পাহাড়-প্রেমিক যদি হন, তা হলে আবহাওয়ার কথা ভালো করে জেনে তবেই বাছুন গন্তব্য। শীতের পাহাড়ে বরফ পাওয়া যেমন সহজ, তেমনই সম্ভাবনা থাকে খারাপ আবহাওয়ার কারণে আটকে পড়ার। ২। আবহাওয়া অনুসারে ব্যাগ গোছান। শীতের ভ্রমণে ব্যাগের ওজন যে বাড়বে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। কিন্তু সেই ভয়ে প্রয়োজনীয় পোশাক না নিয়ে বের হলে সমস্যা হতে পারে। সঙ্গে নিন অতিরিক্ত মোজা। সব জায়গায় যে গোসলের সুব্যবস্থা পাবেন তার কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই সুগন্ধি নিতে ভুলবেন না।  ৩। নিন অবশ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফার্স্ট অ্যাড সামগ্রী। সর্দিকাশির ন্যূনতম ওষুধপত্র নেওয়াও একই রকম জরুরি। পানি পরিশুদ্ধ করার প্রয়োজনীয় ওষুধ নিন সঙ্গে করে।  ৪। ভ্রমণের আগে জানিয়ে যান পরিচিত মানুষজনকে। যাতে প্রয়োজনে খোঁজ খবর নিতে অসুবিধা না হয়। শীতকালে অনেক জায়গাই রাতে নিঝুম হয়ে যায়, সেই সুযোগে বাড়ে চুরির ঘটনা। বাড়ি ফাঁকা রেখে যেতে হলে জানিয়ে যেতে পারেন স্থানীয় থানায়। এসএস/এসকে
শীতে বেড়াতে যাওয়ার আগে অবশ্যই যা করবেন
ভাত খেতে বসে পানি খাওয়া কেন ঠিক নয়? যা হতে পারে
শরীর সচল রাখতে সুস্থ থাকতে সবচেয়ে বেশি জরুরি হলো পানি। পানি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করা, শরীরে অক্সিজেনের জোগান দেওয়ার মতো কাজ করে। ফলে নিয়ম করে সারাদিন ধরে পানি খেতে বলে থাকেন চিকিৎসকরা। তবে পানির সব গুণ পেতে হলে তা খেতে হবে ঠিকভাবে। কয়েকটি নিয়ম না মানলে গ্লাসের পর গ্লাস পানি খেয়ে ফেললেও মিলবে না সুফল। বরং প্রাচীন চিকিৎসা শাস্ত্রের মতে, ভুল পদ্ধতিতে পানি খেলে উল্টে কুপ্রভাব পড়তে পারে শরীরের ওপর। সে ক্ষেত্রে হতে পারে খাবার হজমে সমস্যা। প্রথমত কোনো ভারী খাবার খাওয়ার মাঝে পানি খেতে ‌একেবারেই নিষেধ করা হয়। এমনকি, খেতে বসার ঠিক আগে কিংবা খেয়ে উঠে সঙ্গে সঙ্গে পানি খেলেও হতে পারে হজমের সমস্যা। কারণ এ সময়ে শরীরে পানি ঢুকে গ্যাসট্রিক জ্যুসের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। তার ফলে তার কাজের ক্ষমতা কমে গিয়ে খাবার হজম হতে বেশি সময় লাগতে পারে। তাই খুব তেষ্টা পেলেও হয় খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে জল খান, না হলে খাওয়ার আধঘণ্টা পর খান। একটু অপেক্ষা করুন। খাওয়ার মাঝে খুব গলা শুকিয়ে গেলে দু’-এক চুমুক পানি খেতে পারেন। এই সময়ে যদি হাল্কা গরম পানি খাওয়া যায়, তবে আরও ভালো। হজমে সাহায্য করে গরম পানি। শরীরও বেশি আর্দ্র থাকে এমন পানি খেলে। অন্য সময়ও একেবারে ঢক ঢক করে পানি খেয়ে ফেললেও শরীরের জন্য ক্ষতি হতে পারে। পানি খেতে হবে ধীরে ধীরে। এক এক ঢোক নিয়ে সাবধানে খেতে হবে। ফলে কোনো বোতল থেকে সব পানি না খাওয়াই ভালো। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস/এসকে
ভাত খেতে বসে পানি খাওয়া কেন ঠিক নয়? যা হতে পারে
ঘুমের অভাব ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ, জেনে নিন রক্ষা পাওয়ার উপায়
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রত্যেকদিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম একান্তই প্রয়োজন। এর থেকে বেশি বা কম ঘুম ক্ষতি করে শরীরের। অথচ প্রাত্যহিক জীবনে কর্মব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে ঘুমের পরিমাণ। দেখা যায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা অনেক বেশি। কখনও কাজের সূত্রে, কখনও মোবাইল বা ল্যাপটপ ঘাঁটতে ঘাঁটতে অনেকটাই রাত গড়িয়ে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ডেকে আনতে পারে ডায়াবেটিস, হৃদ‌‌রোগ, পরকিনসন্সের মতো রোগ, এমনকি ক্যানসারও। শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে ঘুমের অভাব। ঘুম কম হলে চাপ বাড়ে মনের ওপর। আবার মানসিক চাপ বেশি থাকলে ঘুম আসতে চায় না। চক্রাকার এই ঘটনায় কুপ্রভাব পড়ে যৌন জীবনেও।  ঘুম না এলে মেনে চলতে পারেন সহজ কিছু উপায় ১। ক্যাফিন রয়েছে, এমন পানীয় এড়িয়ে চলুন সন্ধ্যার পর থেকে। ক্যাফিন উত্তেজিত করে স্নায়ুকে, যার প্রভাবে ঘুম আসতে চায় না সহজে। ক্যাফিন-যুক্ত পানির প্রভাব থাকতে পারে প্রায় ছয় ঘণ্টা। ২। ভারী খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাওয়া খুব খারাপ একটি অভ্যাস। নৈশভোজ ও ঘুমের মধ্যে কিছুটা সময়ের ব্যবধান থাকা অত্যন্ত জরুরি। রাতের খাবার ভূরিভোজ না হওয়াই ভালো। বেশি খেয়ে ততক্ষণাৎ বিছানায় গেলে পরিপাকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যা বিঘ্ন ঘটায় ঘুমে। ৩। বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের শরীর ঘড়ির কাঁটার মতো নিয়ম মেনে চলে। একে 'জৈব ঘড়ি' বলে। রোজ একই সময় ঘুমোতে যাওয়া ও একই সময় ঘুম থেকে ওঠা শরীরকে একটি জৈবিক বার্তা দেয়। যা আপনার রোজকার ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারে। ৪। অনেকেই মানসিক ও শারীরিক চাপ কমানোর জন্য ঘুমানোর আগে নিয়মিত মদ্যপান করেন। কিন্তু এতে লাভের বদলে ক্ষতিই বেশি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। তার বদলে গরম জলে স্নান বা ধ্যান করার মতো অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে অনেক বেশি উপকার। ৫। শুতে যাওয়ার আগে বই পড়া একটি অত্যন্ত ভালো অভ্যাস। তবে মোবাইল, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারে বই পড়ার ফল কিন্তু সম্পূর্ণ বিপরীত। কিন্তু মনে রাখবেন, ঘুম না আসা যদি অসুস্থতার পর্যায়ে পৌঁছে যায় তবে তাকে 'ইনসমনিয়া' বলে, সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। এসএস/এসকে
ঘুমের অভাব ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ, জেনে নিন রক্ষা পাওয়ার উপায়
আরও পড়ুন
বিশ্ব ডিম দিবস আজ
দরিদ্রদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ইফতার বিতরণ (ভিডিও)
নারায়ণগঞ্জ ডিসির পক্ষ থেকে দুস্থদের মাঝে সেহরি বিতরণ
মুসল্লিদের ওপর হামলা, করতে দেয়া হলো না ইফতার