ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিছানার পাশের টেবিলটি ঘুমে কেমন প্রভাব ফেলে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৩১ পিএম
প্রতীকী ছবি

শোবার ঘর হলো সারাদিনের ক্লান্তি শেষে প্রশান্তির আশ্রয়। কিন্তু এই শান্ত পরিবেশটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে যখন বিছানার পাশে থাকা ছোট টেবিল বা নাইট স্ট্যান্ডে অগোছালো জিনিসপত্র জমে যায়। ঘরের অগোছালো পরিবেশ মনে এক ধরণের নেতিবাচক চাপ তৈরি করে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে ঘুমের ওপর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট সময় ব্যয় করে বিছানার পাশের এই জায়গাটি পরিপাটি রাখলে ঘুমের মান বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।

নাইটস্ট্যান্ড সাধারণত ল্যাম্প, পানি, বই বা মোবাইলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের নাগালে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। আসবাবপত্র-বিষয়ক লেখকদের মতে, এই ছোট জায়গায় বিশৃঙ্খলা থাকলে তা মনে অস্থিরতা তৈরি করে। তাই ঘুমানোর আগে কয়েকটি সহজ কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।

যেমন, খোলা গ্লাসের পরিবর্তে ঢাকনাযুক্ত বোতল বা স্পিলপ্রুফ টাম্বলার ব্যবহার করা। এতে পানি ছিটকে পড়ার ভয় থাকে না এবং ধুলাবালি থেকে মুক্ত থাকে। এ ছাড়া টেবিলের ওপর ল্যাম্প, এক গ্লাস পানি কিংবা বর্তমানে পড়ছেন এমন একটি বইয়ের মতো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ছাড়া বাকি সব সরিয়ে ফেলা উচিত। বাড়তি জিনিসগুলো ড্রয়ারের ভেতর ছোট ট্রে বা পাত্রে গুছিয়ে রাখা যেতে পারে, যাতে চোখের সামনে বিশৃঙ্খলা না থাকে।

ঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও জরুরি।

আরও পড়ুন

ছোট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে নিয়মিত নাইটস্ট্যান্ডের ধুলাবালি পরিষ্কার করা উচিত। পরিষ্কারের শেষে ল্যাভেন্ডার বা হালকা সুগন্ধিযুক্ত ক্লিনার ব্যবহার করলে ঘর প্রশান্তিময় হয়ে ওঠে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরিচ্ছন্নতার সাথে সুগন্ধের সংযোগ মানসিক স্বস্তি দেয় এবং দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে। সবশেষে ঘরে বাড়তি উষ্ণতা ও প্রশান্তি আনতে শোয়ার আগে হালকা সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালানো যেতে পারে, যা মন ও শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করে।

তবে ঘুমের আগে অবশ্যই মোমবাতি নিভিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। পরিপাটি একটি নাইটস্ট্যান্ড কেবল আসবাব নয়, বরং গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের অন্যতম সহায়ক।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকায় মাটির জিনিসের খোঁজ
একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে মাটির হাঁড়ি-কলসি ছিল অপরিহার্য। রান্না থেকে আপ্যায়ন, সবকিছুতেই মাটির তৈরি জিনিসের ব্যবহার ছিল। কিন্তু এখন সিরামিক, প্লাস্টিক বা কাচের সামগ্রী বাজার দখল করে নেওয়ায় সেই চিত্র পাল্টেছে। তবে রুচিশীল সমাজে মাটির পণ্যের কদর এখনো কমেনি। শৌখিন ক্রেতারা ক্যাকটাস সাজানোর জন্য টব, ফুলদানি, শো-পিস, খাবার প্লেট কিংবা মাটির ফিল্টার কিনতে চান। সে কথাই বলছি। শহরের প্রাণকেন্দ্রের ব্যস্ততা থেকে খানিকটা দূরে দোয়েল চত্বরে গেলেই চোখে পড়ে লালচে আভার মাটির জিনিসপত্রের রঙিন পসরা। সারি সারি সাজানো কলসি, হাঁড়ি, ফুলদানি, শো-পিস, কাপ ও গ্লাস যেন এক মুহূর্তে শেকড়ের টানের অনুভব করায়।  দোয়েল চত্বরের দোকানগুলোয় মাটির কাপ, মগ, জগ, ফুলদানি, শোপিস, পানির ফিল্টার থেকে শুরু করে ক্রোকারিজ, ডিনার সেট, পোড়ামাটির টেরাকোটা, দেয়াল সজ্জার শিল্পকর্ম, এমনকি নারীদের জন্য কানের দুল, বালা বা গলার মালার মতো গহনাও পাওয়া যায়। এই স্থানটি কেবল একটি বাজার নয়, এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের এক জীবন্ত ইতিহাস। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে দোয়েল চত্বরে প্রায় ২৮ বছর ধরে এই ব্যবসা চলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, এই ব্যবসাটি মূলত পাল সম্প্রদায়ের। ১৯৮৫-৮৬ সালের দিকে পালরা এখানে ব্যবসা শুরু করেন। যদিও অনেকেই পেশা বদলেছেন বা মারা গেছেন, তবুও তাদের কিছু বংশধর এখনো এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। তাদের বিশ্বাস, মানুষ চলে গেলেও যুগ যুগ ধরে এই ব্যবসা টিকে থাকবে। মাটি কামড়ে থাকা এসব ব্যবসায়ীদের মতে, যারা শিক্ষিত ও রুচিশীল, তাদের কাছে মাটির জিনিসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। আরও পড়ুন পুরনো এসি বাসায় থাকলে বিদ্যুৎ বিল কি বেশি আসে মৃৎশিল্প তৈরি করা কিন্তু সহজ কাজ নয়। এই শিল্পকর্মের জন্য ঢাকার মাটি উপযোগী নয়। লাগে এঁটেল মাটি, সঙ্গে মেশাতে হয় বালি, দোয়াশ মাটি, এবং কখনো কখনো রাসায়নিকও। এই বিশেষ ধরনের এঁটেল মাটি সংগ্রহ করা হয় শরীয়তপুর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লার বিজয়পুর বা বরিশালের বগাদিয়া-কনদিয়া অঞ্চল থেকে। উৎপাদনের সময় আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো আগুনে পোড়ানো। পাঁচ হাজার পণ্য আগুনে দিলে দুই থেকে আড়াই হাজার ভালোভাবে টিকে যায়, বাকিগুলো ফেটে বা নষ্ট হয়ে যায়। উৎপাদনের এই বিপুল ক্ষতি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। যেমন, একটি পানির ফিল্টারের দাম ১৩০০ টাকা হলেও যদি সব পণ্য টিকে যেত, তা অর্ধেক দামে বিক্রি করা যেত। দোয়েল চত্বরের দোকানগুলোয় সাজানো তৈজসপত্রের দাম শুরু হয় ২৫০ টাকা থেকে, যা কয়েক হাজার পর্যন্ত পৌঁছায়। আরটিভি/এএইচ 
ঢাকায় মাটির জিনিসের খোঁজ
পুরনো এসি বাসায় থাকলে বিদ্যুৎ বিল কি বেশি আসে
গরমে স্বস্তি পেতে এসি ব্যবহার করেন বাড়িতে, অফিসে। বর্ষায় ঘরের আদ্রতা ঠিক রেখে স্বস্তির পরিবেশ পেতেও এসি ব্যবহার করেন। অনেকেই বছরের পর বছর একই এসি ব্যবহার করে আসছেন। হয়তো তেমন কোনো সমস্যা বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু কখনো কি মনে হয়েছে পুরোনো এসি আপনার বাড়ির বিদ্যুতের খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে কি না? অনেকের মনেই এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আপনার মনে এই প্রশ্ন আসলে, আপনি ঠিকই ধারণা করেছেন। কারণ সাধারণভাবে এসির আয়ু ১০-১৫ বছর হয়ে থাকে। কিন্তু ঘরের এসি যদি ১০ বছরের পুরোনো হয়ে যায়, তাহলে তা বদলানোর কথা এবার ভাবতে পারেন। আসলে এসি পুরোনো হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে থাকা কম্প্রেসর, মোটর এবং কয়েলের মতো যন্ত্রাংশের কাজের গতিও ধীর হয়ে আসতে থাকে। যার জেরে ঘর ঠান্ডা করতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হয় পুরোনো এসিকে। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপ বাড়ে এসির উপর। ফলে বিদ্যুতের অপচয়ও বৃদ্ধি পেতে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কম্প্রেসর, মোটর এবং কয়েলের মতো এসির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশগুলো ক্ষয়ে যেতে থাকে। সেভাবে কার্যকারিতাও থাকে না। তাই ঘর ঠান্ডা রাখতে এসিকে কঠোরভাবে কাজ করতে হয়। পুরোনো এসির মধ্যে আবার ইনভার্টার টেকনোলজি থাকে না। তাপমাত্রা অনুযায়ী কম্প্রেসর স্পিডের সঙ্গে এটি অ্যাডজাস্ট করে নেয়। সেই কারণে পাওয়ার কনজাম্পশন বা বিদ্যুতের অপচয় হ্রাস পেয়ে যায়। সময়ে সময়ে যদি এসির সার্ভিসিং করানো না হয়, তাহলে এসির মধ্যে ধুলো, ময়লা, মরিচার মতো সমস্যা দেখা দিতে থাকে। শুধু তা-ই নয়, গ্যাস লিকেজের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। এর ফলে এসির কুলিং পাওয়ারও ধীরে ধীরে হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। আর তার উপর দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে যেতে হয় এসিকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো, পুরোনো এসি থেকে রেফ্রিজারেন্ট লিক হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। যা সিস্টেমের উপর চাপ বাড়ায়। সেই সঙ্গে পাওয়ার কনজাম্পশন বা বিদ্যুতের অপচয়ও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া পুরোনো এসিতে অনেক সময় লোয়ার স্টার রেটিং বা কম স্টার রেটিং থাকে। যার অর্থ হলো, এই পুরোনো এসিগুলো আসলে কম এনার্জি এফিশিয়েন্ট। ফলে তা আরও বেশি পাওয়ার কনজাম্পশন করে। অর্থাৎ বিদ্যুতের অপচয় বাড়ে। অন্যদিকে নতুন এসিতে রয়েছে আরও ভালো প্রযুক্তি। যা বিদ্যুতের অপচয় কমায়। সেই সঙ্গে ভালো কুলিংয়ের সুবিধা প্রদান করে। এর পাশাপাশি পুরোনো এসি মেরামত করা কিংবা রক্ষণাবেক্ষণের খরচও একটু বেশি। নতুন এসির ইনভার্টার প্রযুক্তি আবার ৩০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত ইলেকট্রিসিটি কনজাম্পশন অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। তাই এসি যদি ১০ বছরের বেশি পুরোনো হয়, তাহলে নতুন এসি কেনা কিন্তু বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে বিদ্যুতের বিলের বোঝা তো কমবেই, সেই সঙ্গে মিলবে ভালো কুলিংয়ের সুবিধাও।
পুরনো এসি বাসায় থাকলে বিদ্যুৎ বিল কি বেশি আসে
এক ঘণ্টা সিলিং ফ্যান চালালে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়, জানুন হিসাব
গরমে স্বস্তি দিতে প্রায় সারাক্ষণই চলে সিলিং ফ্যান। ঘরে ছোট শিশু বা বয়োজ্যেষ্ঠ থাকলে একাধিক ফ্যান একসঙ্গে চালানোরও প্রয়োজন হয়। তবে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের অঙ্ক দেখে অনেকেই চিন্তায় পড়েন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্যান চালাতে আসলে খুব বেশি খরচ হয় না—বরং অন্যান্য যন্ত্রপাতির ভুল ব্যবহারের কারণেই বিল বাড়ে। বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের হিসাবে দেখা গেছে, একটি সাধারণ সিলিং ফ্যান ৭০ ওয়াট থেকে ১০০ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি ধরা হয় একটি ফ্যান ৭০ ওয়াটের, তাহলে এটি এক ঘণ্টায় ৭০ ওয়াট বা ০.০৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৭ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসেবে ০.০৭ ইউনিট × ৭.৫০ টাকা = ০.৫২৫ টাকা, অর্থাৎ এক ঘণ্টা ফ্যান চালাতে খরচ হয় মাত্র ৫০ পয়সা। দিনে যদি ১০ ঘণ্টা ফ্যান চলে, তবে প্রতিদিন খরচ হবে ৫.২৫ টাকা। আর এক মাসে (৩০ দিন) সেই খরচ দাঁড়াবে প্রায় ১৫৮ টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হিসাব থেকেই বোঝা যায় সিলিং ফ্যান বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে খুবই সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ বিল বেড়ে গেলে তার মূল কারণ থাকে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন বা অন্যান্য উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রপাতি, এবং অনেক সময় লুকানো বিদ্যুৎ অপচয়। আরও পড়ুন এই ৫ জায়গায় রাউটার রাখলে কমবে ওয়াইফাইয়ের গতি পরামর্শ: সঠিকভাবে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে গরমে যেমন আরাম মিলবে, তেমনি বিদ্যুৎ বিলও থাকবে নিয়ন্ত্রণে। আরটিভি/এসকে
এক ঘণ্টা সিলিং ফ্যান চালালে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়, জানুন হিসাব
সঠিক পর্দা বাছাইয়ে ঘর হয়ে উঠুক নান্দনিক ও আকর্ষণীয়
পর্দা একটি ঘরের সাজসজ্জার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। এটি শুধু ঘরের গোপনীয়তা রক্ষা করে না, বরং অভ্যন্তরীণ শোভা বাড়িয়ে তোলে। সঠিক পর্দা বাছাই ঘরের চেহারা পরিবর্তন করতে পারে এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। বাজারে এখন বিভিন্ন থিম ও রঙের বাহারি পর্দা পাওয়া যায়, যা ঘরের নান্দনিকতা আরও বাড়িয়ে তোলে। সঠিক পর্দা বাছাই করবেন যেভাবে ফ্যাব্রিক নির্বাচনপর্দা বাছাইয়ের সময় এর ফ্যাব্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের রং, আকৃতি ও আলো প্রবেশের পরিমাণ বুঝে উপযুক্ত ফ্যাব্রিক নির্বাচন করা উচিত। বাজারে সুতি, লিনেন, ভয়েল, সিল্ক, ভেলভেট, নেট, টিস্যু, খাদি ইত্যাদি বিভিন্ন ফ্যাব্রিকের পর্দা পাওয়া যায়। আলো প্রবেশের জন্য হালকা ফ্যাব্রিক যেমন সুতি, লিনেন বা ভয়েল ভালো হবে। গর্জিয়াস ও ডার্ক ভাইব পেতে ভারী ফ্যাব্রিক যেমন ভেলভেট বা হেভি সিল্ক নির্বাচন করুন। ফ্লোর-টাচ জানালার জন্য কুচিওয়ালা পর্দা বেশ মানানসই। রুমের সাইজ ও রঙ অনুযায়ী পর্দা নির্বাচন হালকা রঙের দেওয়ালে গাঢ় রঙের পর্দা এবং গাঢ় রঙের দেওয়ালে হালকা রঙের পর্দা মানানসই। ছোট ঘরের জন্য হালকা রঙের ও লম্বা ডিজাইনের পর্দা ব্যবহার করুন, যা ঘরকে বড় দেখাবে। বড় প্রিন্টের পরিবর্তে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ বা সলিড কালারের পর্দা ব্যবহার করলে ঘর ক্লাসি দেখাবে। বেডরুমের জন্য পর্দা বাছাই হালকা ও স্নিগ্ধ রং যেমন বেবি ব্লু, প্যাস্টেল গ্রীন, অফ হোয়াইট, লাইট পীচ ইত্যাদি বেছে নিন। বাচ্চাদের রুমের জন্য উজ্জ্বল রঙ যেমন পিংক, ল্যাভেন্ডার, ইয়োলো ভালো হবে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন থাকলে সলিড কালারের পর্দা মানানসই হবে। ফ্লোরাল বা জ্যামিতিক প্যাটার্নের পর্দাও বেডরুমের জন্য জনপ্রিয়। ট্রান্সপারেন্ট বা নেটের পর্দা এড়িয়ে চলুন এবং দেয়াল ও আসবাবের বিপরীত রঙের পর্দা নির্বাচন করুন। ড্রয়িং ও ডাইনিং রুমের জন্য পর্দা গর্জিয়াস ডিজাইনের, নেটের উপর কাজ করা বা ডাবল লেয়ারের পর্দা বেছে নেওয়া যায়। যদি ড্রয়িং ও ডাইনিং রুম আলাদা না হয়, তাহলে মাঝখানে স্বচ্ছ নেটের পর্দা ব্যবহার করে আলাদা লুক তৈরি করা যায়। কুশন, সোফা ও আসবাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পর্দার রঙ ও ডিজাইন বেছে নেওয়া উচিত। কাস্টমাইজড বাহারি পর্দাবর্তমানে নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজড পর্দার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। যেমন- দুই পাশে প্রিন্টেড পর্দা ও মাঝখানে একরঙা পর্দা। শেডেড বা ওমব্রে স্টাইলের পর্দা। বোহো স্টাইল বা কুশিকাটার কাজ করা পর্দা। ভিন্ন ঋতুতে ভিন্ন পর্দাবছরের সবসময় এক ধরনের পর্দা না রেখে শীত ও গ্রীষ্মের জন্য আলাদা আলাদা সেট রাখা যেতে পারে। শীতের জন্য গাঢ় ও ভারী পর্দা। গ্রীষ্মের জন্য হালকা ও ঠান্ডা রঙের পর্দা। উৎসব ও বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা ডিজাইনার পর্দা। পর্দা মেইনটেইন করবেন যেভাবে সাধারণত ছয় মাস অন্তর পর্দা পরিষ্কার করা উচিত। যারা ধুলোর প্রতি সংবেদনশীল, তারা ১-২ মাস অন্তর পরিষ্কার করুন। সুতি বা সিনথেটিক পর্দা সহজেই ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যায়। ভারী ও কারুকাজ করা পর্দার জন্য প্রফেশনাল ক্লিনিং করা ভালো। পর্দা পরিষ্কারের সময় ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা উচিত। সারাদিনের ক্লান্তির পর শান্তির নীড় হিসেবে ঘরকে আরামদায়ক করে তুলতে সঠিক পর্দা বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রতিফলন ঘটায়। সঠিক পর্দা নির্বাচন করে ঘরকে করে তুলুন আরও আকর্ষণীয় ও নান্দনিক। আরটিভি/জেএম  
সঠিক পর্দা বাছাইয়ে ঘর হয়ে উঠুক নান্দনিক ও আকর্ষণীয়
আরও পড়ুন
ঘুমের মধ্যে ১১ তলা থেকে পড়ে আটকে গেলেন ৯ তলায়
ঘুমের মধ্যেই পুড়ে মারা গেলেন একই পরিবারের ৪ সদস্য
এক মাস ঘুমিয়ে থাকেন মানুষ, রহস্যময় গ্রাম কালাচি
ডাব খেয়ে গাছেই ঘুমিয়ে পড়লেন শাহেন শাহ, অতঃপর...