ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সংখ্যালঘু–সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ফাইল ছবি

২০২৫ সালে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের ঘিরে সংঘটিত অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক নয়, বরং সাধারণ অপরাধের আওতাভুক্ত—এমন তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের এক বছরব্যাপী পর্যালোচনায়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ৬৪৫টি ঘটনার তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাইকৃত এ তথ্যগুলো এসেছে থানায় দায়ের করা মামলা (এফআইআর), সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগপত্র এবং চলমান তদন্তের হালনাগাদ নথি থেকে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টিতে সাম্প্রদায়িক উপাদান পাওয়া গেছে। বিপরীতে, ৫৭৪টি ঘটনা সাম্প্রদায়িক নয় বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। অর্থাৎ, সংখ্যালঘুদের ঘিরে সংঘটিত অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষ নয়, বরং সাধারণ অপরাধের আওতাভুক্ত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উপাদান পাওয়া গেছে, সেগুলোর বেশির ভাগই মন্দির ভাঙচুর, ধর্মীয় প্রতিমা অবমাননা বা উপাসনালয়ে হামলার মতো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর বাইরে অল্পসংখ্যক হত্যাকাণ্ডসহ কয়েকটি অন্যান্য অপরাধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাম্প্রদায়িক নয়—এমন ঘটনাগুলোর পেছনে প্রধানত রয়েছে পারিবারিক বা প্রতিবেশী বিরোধ, জমিসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চুরি, যৌন সহিংসতা এবং পূর্বশত্রুতাজনিত সংঘাত। এসব অপরাধের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রেস উইং বলছে, এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। সব অপরাধই গুরুতর এবং জবাবদিহি প্রয়োজন। তবে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ দেখায়, সংখ্যালঘুদের ভুক্তভোগী হওয়া অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং সমাজে বিদ্যমান সাধারণ অপরাধপ্রবণতা থেকেই ঘটে।

প্রতিবেদনে পুলিশের তৎপরতার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। শত শত ঘটনায় মামলা হয়েছে, অনেক ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আর কিছু ঘটনায় তদন্ত এখনো চলমান। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয় বা সংবেদনশীল বিষয় জড়িত থাকলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর দেশে সহিংস অপরাধে গড়ে প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এই সংখ্যা কোনোভাবেই গর্ব করার মতো নয়। প্রতিটি মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি। তবে একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, সহিংস অপরাধ সব সম্প্রদায়কেই প্রভাবিত করে—ধর্ম, জাতিগোষ্ঠী বা ভৌগোলিক সীমা নির্বিশেষে।

প্রেস উইংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান সূচকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। উন্নত পুলিশিং, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা এবং জবাবদিহি বাড়ানোর ফলে অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য বিশ্বাসের মানুষের দেশ। সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করেন। প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শুধু সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়, নৈতিক দায়িত্বও।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আরও জানায়, এই প্রতিবেদন কোনো সমস্যাকে অস্বীকার করে না, আবার নিখুঁত পরিস্থিতির দাবিও করে না। বরং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঘিরে অপরাধপ্রবণতার একটি তথ্যভিত্তিক ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

প্রেস উইংয়ের মতে, গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে এগুলেই অগ্রগতি সম্ভব। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা দিয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্ধারিত হয় না। বরং এসব ঘটনা মোকাবিলায় সামষ্টিক প্রচেষ্টাই মূল বিবেচ্য।

ঘটনার সারসংক্ষেপ (জানুয়ারি-ডিসেম্বর)

মোট ঘটনা: ৬৪৫
সাম্প্রদায়িক উপাদানযুক্ত ঘটনা: ৭১
মন্দির ভাঙচুর: ৩৮
মন্দিরে চুরি: ১
মন্দিরে অগ্নিসংযোগ: ৮
হত্যা: ১
অন্যান্য: ২৩
মামলা হয়েছে: ৫০
গ্রেফতার: ৫০
অন্যান্য পুলিশি ব্যবস্থা: ২১ (অন্যান্য বলতে প্রতিমা ভাঙার হুমকি, ফেসবুক পোস্ট, উপাসনামণ্ডপ ক্ষতিগ্রস্ত করা ইত্যাদি)

সাম্প্রদায়িক নয়-এমন ঘটনা: ৫৭৪
প্রতিবেশী বিরোধ: ৫১
জমিসংক্রান্ত বিরোধ: ২৩
চুরি: ১০৬
পূর্বশত্রুতা: ২৬
অস্বাভাবিক মৃত্যু: ১৭২
ধর্ষণ: ৫৮
অন্যান্য: ১৩৮
মামলা হয়েছে: ৩৯০
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (ইউডি): ১৫৪
গ্রেফতার: ৪৯৮
অন্যান্য পুলিশি ব্যবস্থা: ৩০

পুলিশের সদর দপ্তরের প্রস্তুত করা এই প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আরও জানায়, অপরাধ দমনে স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা ও দৃঢ়তার নীতিতে অটল রয়েছে সরকার।

আরটিভি/আরএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ
সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে কোনো অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই মালয়েশিয়ায় ১১২ জন দক্ষ পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বোয়েসেল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়ার ‘ডিএইচএল সাপ্লাই চেইন (মালয়েশিয়া) এসডিএন বিএইচডি’ কোম্পানিতে ‘অপারেশনস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে এসব কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচিত কর্মীদের মাসিক মূল বেতন হবে ১ হাজার ৭০০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ২২ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। চাকরির মেয়াদ তিন বছর। সপ্তাহে ছয় দিন দৈনিক আট ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে। এ ছাড়া ওভারটাইম, আবাসন, প্রাথমিক চিকিৎসা ও যাতায়াত সুবিধা দেবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৬ নভেম্বর (আজ) সকাল ১০টা থেকে ৮ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত বোয়েসেলের নির্ধারিত অনলাইন লিংকে (https://employee.oep.gov.bd/employee/registration) আবেদন করা যাবে। প্রাথমিকভাবে সফটওয়্যারভিত্তিক লটারির মাধ্যমে ৩০০ জন প্রার্থী বাছাই করা হবে। পরে কারিগরি ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে ১১২ জনকে নির্বাচন করবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। বোয়েসেল জানিয়েছে, নিয়োগের কোনো পর্যায়েই প্রার্থীকে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও মজবুত: মাহদী আমিন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও মজবুত। এই সম্পর্ক কেবল মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা উন্নয়ন অংশীদারত্বের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও মজবুত: মাহদী আমিন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালুর জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে এ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের কারণে তাঁর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। মরহুম প্রধানমন্ত্রীর সেই অসমাপ্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালু করবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ  সুরাইয়া জেরিন রনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালটিতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩৭টি ডায়ালাইসিস মেশিন কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এছাড়া নেফ্রোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে একটি মাল্টি-হেড মাইক্রোস্কোপ সরবরাহ এবং হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা আরো ২০টি বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বগুড়া পুরো উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল।  এ কারণে এখানে ক্যানসার ও লিভারসহ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি  বলেন, দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি হাসপাতালে এই সেবা চালু হয়েছে। বগুড়াসহ যেসব হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই, সেগুলোকেও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদের বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।  আরটিভি/এসআর  
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বর্তমান সময় অনেকেরই জার্মানি যাওয়ার আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু দেশটির ভাষা জানা না থাকার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ যেন অধরায় থেকে যায়। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জার্মান ভাষা শেখারও চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাষা শেখা ব্যয়বহুল হওয়ায় সবার সম্ভব হয় না তা। এবার সেসব প্রার্থীদের জন্য এল বড় সুখবর।
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
আরও পড়ুন
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ৫২টি নতুন কূপ খনন করবে সরকার’
ক্ষমতা হারানোর পথে নেতানিয়াহু, সরকার গঠনে এগিয়ে আইজেনকট!
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন