ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সংখ্যালঘু–সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ফাইল ছবি

২০২৫ সালে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের ঘিরে সংঘটিত অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক নয়, বরং সাধারণ অপরাধের আওতাভুক্ত—এমন তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের এক বছরব্যাপী পর্যালোচনায়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ৬৪৫টি ঘটনার তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাইকৃত এ তথ্যগুলো এসেছে থানায় দায়ের করা মামলা (এফআইআর), সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগপত্র এবং চলমান তদন্তের হালনাগাদ নথি থেকে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টিতে সাম্প্রদায়িক উপাদান পাওয়া গেছে। বিপরীতে, ৫৭৪টি ঘটনা সাম্প্রদায়িক নয় বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। অর্থাৎ, সংখ্যালঘুদের ঘিরে সংঘটিত অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষ নয়, বরং সাধারণ অপরাধের আওতাভুক্ত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উপাদান পাওয়া গেছে, সেগুলোর বেশির ভাগই মন্দির ভাঙচুর, ধর্মীয় প্রতিমা অবমাননা বা উপাসনালয়ে হামলার মতো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর বাইরে অল্পসংখ্যক হত্যাকাণ্ডসহ কয়েকটি অন্যান্য অপরাধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাম্প্রদায়িক নয়—এমন ঘটনাগুলোর পেছনে প্রধানত রয়েছে পারিবারিক বা প্রতিবেশী বিরোধ, জমিসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চুরি, যৌন সহিংসতা এবং পূর্বশত্রুতাজনিত সংঘাত। এসব অপরাধের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রেস উইং বলছে, এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। সব অপরাধই গুরুতর এবং জবাবদিহি প্রয়োজন। তবে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ দেখায়, সংখ্যালঘুদের ভুক্তভোগী হওয়া অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং সমাজে বিদ্যমান সাধারণ অপরাধপ্রবণতা থেকেই ঘটে।

প্রতিবেদনে পুলিশের তৎপরতার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। শত শত ঘটনায় মামলা হয়েছে, অনেক ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আর কিছু ঘটনায় তদন্ত এখনো চলমান। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয় বা সংবেদনশীল বিষয় জড়িত থাকলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর দেশে সহিংস অপরাধে গড়ে প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এই সংখ্যা কোনোভাবেই গর্ব করার মতো নয়। প্রতিটি মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি। তবে একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, সহিংস অপরাধ সব সম্প্রদায়কেই প্রভাবিত করে—ধর্ম, জাতিগোষ্ঠী বা ভৌগোলিক সীমা নির্বিশেষে।

প্রেস উইংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান সূচকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। উন্নত পুলিশিং, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা এবং জবাবদিহি বাড়ানোর ফলে অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য বিশ্বাসের মানুষের দেশ। সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করেন। প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শুধু সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়, নৈতিক দায়িত্বও।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আরও জানায়, এই প্রতিবেদন কোনো সমস্যাকে অস্বীকার করে না, আবার নিখুঁত পরিস্থিতির দাবিও করে না। বরং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঘিরে অপরাধপ্রবণতার একটি তথ্যভিত্তিক ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

প্রেস উইংয়ের মতে, গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে এগুলেই অগ্রগতি সম্ভব। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা দিয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্ধারিত হয় না। বরং এসব ঘটনা মোকাবিলায় সামষ্টিক প্রচেষ্টাই মূল বিবেচ্য।

ঘটনার সারসংক্ষেপ (জানুয়ারি-ডিসেম্বর)

মোট ঘটনা: ৬৪৫
সাম্প্রদায়িক উপাদানযুক্ত ঘটনা: ৭১
মন্দির ভাঙচুর: ৩৮
মন্দিরে চুরি: ১
মন্দিরে অগ্নিসংযোগ: ৮
হত্যা: ১
অন্যান্য: ২৩
মামলা হয়েছে: ৫০
গ্রেফতার: ৫০
অন্যান্য পুলিশি ব্যবস্থা: ২১ (অন্যান্য বলতে প্রতিমা ভাঙার হুমকি, ফেসবুক পোস্ট, উপাসনামণ্ডপ ক্ষতিগ্রস্ত করা ইত্যাদি)

সাম্প্রদায়িক নয়-এমন ঘটনা: ৫৭৪
প্রতিবেশী বিরোধ: ৫১
জমিসংক্রান্ত বিরোধ: ২৩
চুরি: ১০৬
পূর্বশত্রুতা: ২৬
অস্বাভাবিক মৃত্যু: ১৭২
ধর্ষণ: ৫৮
অন্যান্য: ১৩৮
মামলা হয়েছে: ৩৯০
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (ইউডি): ১৫৪
গ্রেফতার: ৪৯৮
অন্যান্য পুলিশি ব্যবস্থা: ৩০

পুলিশের সদর দপ্তরের প্রস্তুত করা এই প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আরও জানায়, অপরাধ দমনে স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা ও দৃঢ়তার নীতিতে অটল রয়েছে সরকার।

আরটিভি/আরএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ন্যায্য অর্থায়ন চান ড. সাইমুম পারভেজ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ আরও জোরদার করার পাশাপাশি জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ন্যায্য অর্থায়ন চান ড. সাইমুম পারভেজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।  এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে। আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার দীর্ঘদিনের প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল কোনো শর্তাধীন বিষয় নয়, বরং এটি সরাসরি ন্যায়বিচার এবং খোদ জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু শিক্ষিত হয়ে চাকরি বা একটি ভালো পদে অধিষ্ঠিত হলেই হবে না; দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ‘নবীন বরণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আপনারা মেধাবীদের মধ্যে সেরা মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মই হয়েছিল প্রতিভাবানদের জন্য। বিশ্বের যে প্রান্তেই যান, আপনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।’ এ সময় স্পিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো ১৯৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন ছাত্র ছিলাম। ছাত্রজীবনের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। আজ এই মিলনায়তনে এসে মনে হচ্ছে, যেন আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছি।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জাতীয় মুক্তির ইতিহাসের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয় পথ প্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। দেশ যখনই কোনো সংকট, দুর্যোগ বা জাতীয় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, কঠিন সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতির জন্য আশা, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘মেধা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মেধার সঠিক বিকাশ ঘটে অধ্যবসায়, সততা, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার আহ্বান জানান। দেশের প্রতি দায়িত্ববান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘শুধু বিসিএস দিয়ে একটি সুন্দর চেয়ারে বসলে হবে না, দেশের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে। নিজেকে স্বনামধন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর কখনও রাজপথে গিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে চাই না। আমরা মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করতে হবে, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’ অনুষ্ঠানে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক, নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে চার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
আরও পড়ুন
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ অনুদান, নতুন নিয়মে আবেদন নিচ্ছে সরকার
জ্বালানি তেলের দাম কবে কমাবে সরকার, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি আনোয়ারুল
হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় মা, চিকিৎসার টাকা নিয়ে উধাও ছেলে