ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে হবে না সরকারি চাকরি, বিধিমালা জারি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
প্রতীকী ছবি

মাদকাসক্ত নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্ট পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি, আধা-সরকারি, স্থানীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। আর চাকরিরত হয়ে থাকলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে। মাদকাসক্ত শনাক্ত হওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসা না নিলে সেটিও হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা-২০২৬’-এ এসব কথা বলা হয়েছে। গত সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

উপসচিব মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে ডোপ টেস্ট টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেখানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সভাপতি হবেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক অণুবিভাগের অন্যূন উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বা তাদের মনোনীত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগের অধ্যাপক পদমর্যাদার প্রতিনিধি, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ–সিআইডির ডিআইজি (ফরেনসিক), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল মেডিসিন সেন্টারের পরিচালক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ নয়জন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে থাকবেন। প্রয়োজনে তারা সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবেন।

বিধিমালায় বলা হয়, সরকারি, আধাসরকারি, স্থানীয় সরকার, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে কেউ মাদক গ্রহণ করেন বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ হলে ডোপ টেস্ট করা যাবে। গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চালানোর লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে এবং কর্মরত অবস্থায় চালক মাদক গ্রহণ করেছেন সন্দেহ হলে এ পরীক্ষা করা যাবে।

স্থলযান ছাড়াও নৌযান ও আকাশযান চালানোর লাইসেন্স দেওয়া এবং নবায়নের ক্ষেত্রে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের ক্ষেত্রে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারো বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ বা সন্দেহ থাকলে ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, যার ডোপ টেস্ট করা হবে, নমুনা দেওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে। তার ছবি ও আঙুলের ছাপ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করতে হবে। নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষার জন্য পাঠানোর সময় কোনো পক্ষকে অবহিত করা বা কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না।

বিধিমালায় আরও বলা হয়, নমুনা পাঠানোর মোড়কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম-ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র-পাসপোর্ট-জন্ম নিবন্ধন নম্বর বা প্রচলিত কোনো পরিচিতিমূলক তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। নমুনা প্রেরণকারী কর্তৃপক্ষ বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কাউকে পরীক্ষার ফল মৌখিক বা লিখিতভাবে জানানো যাবে না।

সতর্কতার অংশ হিসেবে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্ট ল্যাবরেটরিতে কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া আর কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না। ল্যাবরেটরিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ করতে হবে। ল্যাবরেটরির ভেতরে, প্রবেশ ফটকে ও বাইরে অন্ধকারেও ভিডিওধারণে সক্ষম সিসি ক্যামেরা বসাতে ও সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হবে।

আরও পড়ুন

ল্যাবরেটরিতে সংগৃহীত নমুনার বিশ্লেষণপূর্ব ও পরবর্তী পরীক্ষার ফল ডোপ টেস্ট ডেটাবেইজে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ডেটাবেইজ সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং তথ্য সংরক্ষণের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে ডেটাবেইজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিকল্প উপায়ে পুনরায় উদ্ধার করা যায়। বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে ডোপ টেস্ট ল্যাবরেটরির ডেটাবেইজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া কারো প্রবেশাধিকার থাকবে না। কোনো ব্যক্তি নমুনা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ বা সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, তা দায়িত্বে অবহেলা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।

এই বিধিমালা সদ্য পাস হলেও কিছু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরেই ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছিল। যেমন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), মেট্রো রেল, বিসিএসে নিয়োগ; জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে ভর্তি; গাড়িচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে এটা করা হতো। এখন বিধি হওয়ার ফলে এর আওতায় থাকা সবার জন্য এটি বাধ্যতামূলক হলো।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালুর জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে এ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের কারণে তাঁর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। মরহুম প্রধানমন্ত্রীর সেই অসমাপ্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালু করবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ  সুরাইয়া জেরিন রনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালটিতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩৭টি ডায়ালাইসিস মেশিন কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এছাড়া নেফ্রোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে একটি মাল্টি-হেড মাইক্রোস্কোপ সরবরাহ এবং হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা আরো ২০টি বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বগুড়া পুরো উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল।  এ কারণে এখানে ক্যানসার ও লিভারসহ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি  বলেন, দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি হাসপাতালে এই সেবা চালু হয়েছে। বগুড়াসহ যেসব হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই, সেগুলোকেও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদের বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।  আরটিভি/এসআর  
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বর্তমান সময় অনেকেরই জার্মানি যাওয়ার আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু দেশটির ভাষা জানা না থাকার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ যেন অধরায় থেকে যায়। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জার্মান ভাষা শেখারও চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাষা শেখা ব্যয়বহুল হওয়ায় সবার সম্ভব হয় না তা। এবার সেসব প্রার্থীদের জন্য এল বড় সুখবর।
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিকল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান। এ শিল্পের প্রতি তাই বিএনপির দরদ সবচেয়ে বেশি। দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ শিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সবসময় আন্তরিক। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার শুরুতে পোশাক শিল্পের সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার পোশাক শ্রমিকদের দাবির প্রতি আন্তরিক। তাই দ্রুততম সময়ে কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ফটোসাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। এটি শুধু আর্থিক সহায়তার বিষয় নয়, বরং তাদের অবদানের স্বীকৃতি, সম্মান ও মর্যাদার বিষয়। বিপিজেএর নেতাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। বিপিজেএর কার্যালয় সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংগঠনটির জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে যে ভবন বা জায়গা নিয়ে জটিলতা রয়েছে, সেটির প্রকৃত অবস্থা ও আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ আইন নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা চলছে। সবার মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। তিনি বলেন, আইনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা চাই, আইনটি যেন প্রকৃত অর্থেই সবাইকে সুরক্ষা দিতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেই চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে চাই। মতবিনিময় সভায় বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসিন ফটোসাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে ফটোসাংবাদিকদের একটি বড় অংশ নানা ধরনের প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও পেশাগত বাধার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন।    বিপিজেএ সভাপতি বলেন, ফটোসাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, দেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংরক্ষণের মাধ্যম। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষ্য বহন করে তাদের তোলা ছবি। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফটোসাংবাদিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করে দেশ-বিদেশে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, সংগঠনটির স্থায়ী কার্যালয় নিশ্চিত করা হলে ফটোসাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সভা-সেমিনার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হবে। বিপিজেএর সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার বলেন, ফটোসাংবাদিকরা গত দেড় দশকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নির্যাতন, হামলা, মামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা রাজপথে থেকে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন। তাদের তোলা ছবি দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও আন্দোলনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে নুরুদ্দিন আহমেদ, এবিএম রফিকুর রহমান, নাসিম সিকদার এবং দেলোয়ার হোসেন বাদল বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিপিজেএর নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
দেশে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া সারের পেটেন্ট প্রাপ্তি টেকসই কৃষি ও গ্রিন টেকনোলজির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব ‘গেম-চেঞ্জার’ যুগের সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
আরও পড়ুন
অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ
রংপুরে চার খুন: কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ
৩০০ ফুট উঁচু থেকে হঠাৎ নিচে নেমে গেল বিমান, কারণ কী
ডোপ টেস্টে ধরা খেলেই চাকরি হারাবেন চালক-হেলপাররা