ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করতে নয় বরং যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করার জন্য নয় বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য।

প্রতিরক্ষা খাত নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি জাতীয় সমস্যা এবং এটি সমাধানে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু। স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

সেনাপ্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সংকট তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু। দেশে একমাত্র রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি থাকায় চাহিদার তুলনায় খুব কম পরিমাণ অয়েল পরিশোধন সম্ভব হয় এবং বাকি জ্বালানি উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

আরও পড়ুন

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পার হলেও দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে সেনাপ্রধান বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সংকট সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে, যার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে।

প্রতিরক্ষা খাত নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এনডিসি ভবিষ্যতে এ ধরনের কোর্সের সংখ্যা আরও বাড়াবে এবং অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখবেন।

গত ৫ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাপস্টোন কোর্স ফেলোদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

এই কোর্সে মোট ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন। যাদের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিনিধি।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অব্যাহত সংলাপ ও ঐকমত্য গঠনে গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কোর্স চলাকালীন ফেলোদের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, কৌশলগত বোঝাপড়া সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের নেতৃত্বের মধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় মেলবন্ধন গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের অন্যতম প্রধান প্রশিক্ষণ হিসেবে ক্যাপস্টোন কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক চিন্তাধারার বিকাশ, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, এনডিসির অনুষদ এবং অন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরের সব শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, কোনো শিশু যেন টিকাদান থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রতিটি বাড়ি ও মহল্লায় গিয়ে কাজ করতে হবে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর( রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইলেন্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ২০২৬-এর ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ৷  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গ্রাম ও শহরের মধ্যে টিকাদানের বৈষম্য দূর করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বাড়ি-বাড়ি গিয়ে টিকাদানের উপযোগী শিশুদের চিহ্নিত করে টিকার আওতায় আনতে হবে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে টিকার গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা সংরক্ষণে কোল্ড চেইন ব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রয়োগ পর্যন্ত টিকার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।  সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ও মহামারি থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই। ১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শিশুদের বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।  এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গ্যাভি, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানও তুলে ধরেন তিনি। অনুষ্ঠানে ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে নগরবাসী—সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আরও ১ লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কর্মশালায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. রাজেশ নরওয়েল, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কর্ম ও উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন, বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের জীবনসংগ্রাম, ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও সমাজের কল্যাণে পরিচালিত কার্যক্রমের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তারেক রহমান এসব ব্যক্তির কাজের প্রশংসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন । প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’ হাসান শিপলু জানান, সাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়ালেখা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হলেন নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখা শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিক্ষক রয়েছেন ১০ জন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রধানমন্ত্রী তার কথা শুনে নতুন স্কুলভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান উপ-প্রেস সচিব। অন্যদিকে, ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অধিকাংশ গাছই এখন পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সবার উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আরটিভি/এসআর
ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস। বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, উন্নয়ন সহযোগিতার ধারাবাহিকতা, গণতান্ত্রিক ধারা জোরদারকরণ এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর ‍উদ্যোগে নতুন ঘর পেল অসহায় লকাই বিশ্বাসের পরিবার
অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফরিদপুরে একটি অসচ্ছল পরিবারকে নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
প্রধানমন্ত্রীর ‍উদ্যোগে নতুন ঘর পেল অসহায় লকাই বিশ্বাসের পরিবার
আরও পড়ুন
চাকরির জন্য রাশিয়ায় নিয়ে নামানো হয় যুদ্ধে, প্রথম দিনেই প্রাণ হারান ১৭ বাংলাদেশি
জাতীয় তথ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ৯০ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তে গুরুত্বারোপ
যুদ্ধের নামে প্রকৃতি ধ্বংস, অপরাধীদের বিচারের দাবি ইরানের
জেলেনস্কিকে সরাতে চান ট্রাম্প, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে তোলপাড়