ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
মরক্কোর রাবাতে আয়োজিত দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের বর্তমান বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে কেবল একটি কর্তব্য নয়, বরং মানবতার প্রতি এক বড় নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। । মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রাংকোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা’ বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্মেলনে বহুপাক্ষিকতাবাদের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের যে শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে আরও সুসংহত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজও বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার বজায় রেখেছে।

আরও পড়ুন

আরও কার্যকর শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর তাগিদ দেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, জাতিসংঘের কার্যক্রমে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, যা বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিশ্ব শান্তির সেবায় জীবন উৎসর্গকারী ১৭৪ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রতিমন্ত্রী আধুনিক শান্তি তৎপরতার উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তিনি অপপ্রচার, ডিজিটাল হয়রানি এবং সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত কার্যপরিধি নির্ধারণ, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা এবং সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং’ (বিপসট)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মিশনপূর্ব উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশবান্ধব শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

মরক্কো ও ফ্রান্স সরকারের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুন্নেসা উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যায় শামা ওবায়েদ ‘গ্লোবাল গ্রোথ কনফারেন্স ২০২৬’-এ অংশ নেন। সেখানে ‘জিওপলিটিক্স অব ফ্র্যাগমেন্টেশন: পাওয়ার, এস্কেলেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক রিঅর্ডারিং’ শীর্ষক একটি অধিবেশনে মূল বক্তা হিসেবে তিনি পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিভাজনের কৌশলগত প্রভাবের ওপর বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

আরটিভি/এমএস/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই ৭ নভেম্বরের অন্যতম শিক্ষা: কৃষিমন্ত্রী
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ।  তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অন্যতম শিক্ষা হলো জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা। এই চেতনাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে হবে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। নানা রাজনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে সেদিনের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এ দিবসের মূল চেতনা হলো বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। জাতীয় স্বার্থে এই ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে। দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডসহ কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শোভাযাত্রা। এর আগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা, জাতীয় ঐক্য সুসংহত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই ৭ নভেম্বরের অন্যতম শিক্ষা: কৃষিমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা সফল্যের সঙ্গে উদযাপন করতে রাজধানীর সব সড়কেই দেখা গেছে জনতার মিছিল, আর সবগুলো মিছিল এসে মিশে নয়াপল্টনে রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমাবেশ ও শোভাযাত্রা শুরু হয় বেলা ৩টার দিকে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। কর্মসূচি উপলক্ষে নয়াপল্টনে আজ সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষেরা। খণ্ড-খণ্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলাগুলো থেকে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে আসে নেতা-কর্মীরা। তাদের হাতে শোভা পাচ্ছিলো জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে-স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে রেখেছে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শোভাযাত্রার শুরুতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে এবং শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেই এ সুসজ্জিত শোভাযাত্রাটি যাত্রা শুরু করে। এরপর রাজধানীর নির্ধারিত সড়কগুলো পেরিয়ে সেটি গিয়ে থামে মানিক মিঞা অ্যাভিনিউতে। পুরো শোভাযাত্রা যেন সুশৃঙ্খল ও শান্ত পরিবেশেই সম্পন্ন হয়, সেজন্য দলের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে জোরালো প্রস্তুতি। রাস্তায় চলাচলের নিয়ম ও নিয়মশৃঙ্খলা ধরে রাখতে সচেষ্ট আছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীরা। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের পুরো এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারিতে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা, আরামবাগ, নাইটিংগেল মোড়, বিজয়নগর, কাকরাইল, শান্তিনগর ও মালিবাগ পর্যন্ত জনতার স্রোত র‌্যালিকে জনসমুদ্রে পরিনত করেছে। বিএনপি দীর্ঘ ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফেরার পর জাতীয় এ দিবসটিতে ব্যাপক আনন্দ উচ্ছ্বাস ও আবেগ ছিলো চোখে পড়ার মতো। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজকের শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। নেতা-কর্মীরা আগেভাগেই নয়াপল্টনে এসেছেন। আজকের শোভাযাত্রায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে নেতা-কর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন। দল ও সংগঠনগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করবে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ আজ এই সমাবেশ ও র‌্যালিতে শরিক হয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার সব ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জাতীয়াবাদী শক্তি ও জনগণ নস্যাৎ করে দেবে এটিই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শপথ। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন
৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউ পৌঁছেছে। শোভাযাত্রায় মোট ৭ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউ পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী
গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর দিলো পেট্রোবাংলা
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হয়েছে। ফলে টার্মিনালটি থেকে আবারও পূর্ণমাত্রায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর দিলো পেট্রোবাংলা
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
আরও পড়ুন
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নৌসদস্যের মৃত্যু
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সবশেষ যে তথ্য দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
‘মক্কা জোটে যুক্ত হওয়ার আগে পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করছে বাংলাদেশ’
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের জোটে যাওয়ার ঝুঁকি প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর জবাব